ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সম্পর্ক জোরদারে জাতিসংঘে মধ্য এশিয়ার নেতাদের সাথে বাইডেনের সাক্ষাত

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২০ সেপ্টেম্বর আঞ্চলিক নেতাদের সাথে সাক্ষাতের পর মধ্য এশিয়ার ‘আঞ্চলিক অখ-তার’ উপর জোর দেওয়ার কথা বলেছেন। তিনি খুব শিগগিরই এ অঞ্চলের কোন একটি দেশ সফর করতে পারেন। মস্কো এসব দেশকে তাদের উঠোন হিসেবে দেখে। খবর এএফপি’র।

বাইডেন তথাকথিত ‘সি-৫’ দেশ কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তানের নেতাদের বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এই প্রথমবারের মতো তারা বৈঠকে মিলিত হওয়ার পর তিনি এমন মন্তব্য করেন।

এ সময় বাইডেন বলেন, ‘আমি শিগগিরই আপনার সাথে সাক্ষাত করার অপেক্ষায় রয়েছি। সম্ভবত আপনাদের কোন এক দেশে এ সাক্ষাত হতে পারে।’

রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের বিষয়ে মস্কোর দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারে বাইডেন বলেন, সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন প্রতিশ্রুতি ছিল।’

তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘আমার দৃষ্টিতে এ নীতিগুলো আগের চেয়ে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

বাইডেন আরো বলেন, ‘আমি সত্যিকারভাবে বিশ্বাস করি, যখন আমরা একসাথে থাকি তখন পৃথিবী নিরাপদ থাকে।’

জাতিসংঘ ভাষণের আগে বাইডেন সতর্ক করে বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ইউক্রেন আগ্রাসন জাতীয় সার্বভৌমত্বের বৈশ্বিক সংস্থার নীতিমালাকে দুর্বল এবং আরো ভূখ- দখলকে উৎসাহিত করতে পারে।

পুতিন জাতিসংঘের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাননি।

ইউক্রেন যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৈশ্বিক শক্তিগুলোকে এমন সময়ে মধ্য এশিয়ায় বৃহত্তর ভূমিকা নিতে উৎসাহিত করেছে যখন এ অঞ্চলের অনেক দেশ রাশিয়ার সাথে তাদের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

সম্পর্ক জোরদারে জাতিসংঘে মধ্য এশিয়ার নেতাদের সাথে বাইডেনের সাক্ষাত

আপডেট সময় ০৩:৩৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২০ সেপ্টেম্বর আঞ্চলিক নেতাদের সাথে সাক্ষাতের পর মধ্য এশিয়ার ‘আঞ্চলিক অখ-তার’ উপর জোর দেওয়ার কথা বলেছেন। তিনি খুব শিগগিরই এ অঞ্চলের কোন একটি দেশ সফর করতে পারেন। মস্কো এসব দেশকে তাদের উঠোন হিসেবে দেখে। খবর এএফপি’র।

বাইডেন তথাকথিত ‘সি-৫’ দেশ কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তানের নেতাদের বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এই প্রথমবারের মতো তারা বৈঠকে মিলিত হওয়ার পর তিনি এমন মন্তব্য করেন।

এ সময় বাইডেন বলেন, ‘আমি শিগগিরই আপনার সাথে সাক্ষাত করার অপেক্ষায় রয়েছি। সম্ভবত আপনাদের কোন এক দেশে এ সাক্ষাত হতে পারে।’

রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের বিষয়ে মস্কোর দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারে বাইডেন বলেন, সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন প্রতিশ্রুতি ছিল।’

তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘আমার দৃষ্টিতে এ নীতিগুলো আগের চেয়ে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

বাইডেন আরো বলেন, ‘আমি সত্যিকারভাবে বিশ্বাস করি, যখন আমরা একসাথে থাকি তখন পৃথিবী নিরাপদ থাকে।’

জাতিসংঘ ভাষণের আগে বাইডেন সতর্ক করে বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ইউক্রেন আগ্রাসন জাতীয় সার্বভৌমত্বের বৈশ্বিক সংস্থার নীতিমালাকে দুর্বল এবং আরো ভূখ- দখলকে উৎসাহিত করতে পারে।

পুতিন জাতিসংঘের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাননি।

ইউক্রেন যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের মতো বৈশ্বিক শক্তিগুলোকে এমন সময়ে মধ্য এশিয়ায় বৃহত্তর ভূমিকা নিতে উৎসাহিত করেছে যখন এ অঞ্চলের অনেক দেশ রাশিয়ার সাথে তাদের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।