ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাতিসংঘ শীর্ষ আদালতের মুখোমুখি ইউক্রেন-রাশিয়া

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক

গত বছরের আগ্রাসনের কারণ হিসেবে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে ‘গণহত্যা’ সংক্রান্ত মস্কোর দাবির প্রেক্ষিতে রাশিয়া ও ইউক্রেন সোমবার থেকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের মুখোমুখি হবে।

জাতিসংঘের শীর্ষ আদালতের রাশিয়ার চলমান সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার আছে কি-না তা নিয়ে হেগের শান্তি প্রাসাদে দুই যুদ্ধরত দেশের প্রতিনিধিরা মুখোমুখি হবেন। খবর এএফপি’র।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ আগ্রাসনের নির্দেশ দেয়ায় ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশপন্থীরা কিয়েভ শাসকের আক্রোশ ও গণহত্যার শিকারের যুক্তি দেখায়। আগ্রাসনের দু’দিন পর রাশিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ইউক্রেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা দায়ের করে। ইউক্রেন জোরালোভাবে অস্বীকার করে যুক্তি দেখায় যে, রাশিয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা গণহত্যার বিষয়টি ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশনের পুেরাপুরি লঙ্গন। ২০২২ সালের মার্চ মাসে আইসিজে ইউক্রেনের পক্ষে থেকে রাশিয়াকে তার সামরিক পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। তবে রায়টি ছিল তথাকথিত একটি ‘প্রাথমিক রায়।’ আদালত প্রকৃতপক্ষে বিষয়বস্তু নিয়ে রায় দিতে সক্ষম কি-না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত মুলতুবি রয়ে যায়।

রাশিয়ার মতে, আইসিজে’র এই বিষয়ে রায় দেয়ার এখতিয়ার নেই কারণ, ইউক্রেনের মামলাটি জাতিসংঘের জেনোসাইড কনভেনশনের আওতার বাইরে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালত গঠিত হয়। রাশিয়ার চলমান সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার আদেশ দেওয়ায় আদালতের এখতিয়ার আছে কি-না তা নিয়ে তা সিদ্ধান্ত নিতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

রাশিয়া আগ্রাসনের পূর্বে কয়েক বছর ধরে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহীদের সমর্থন করার অভিযোগ নিয়ে গঠিত ইউক্রেনের দায়ের করা একটি পৃথক মামলাও মোকাবেলা করছে আইসিজে।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

জাতিসংঘ শীর্ষ আদালতের মুখোমুখি ইউক্রেন-রাশিয়া

আপডেট সময় ০৯:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক

গত বছরের আগ্রাসনের কারণ হিসেবে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে ‘গণহত্যা’ সংক্রান্ত মস্কোর দাবির প্রেক্ষিতে রাশিয়া ও ইউক্রেন সোমবার থেকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের মুখোমুখি হবে।

জাতিসংঘের শীর্ষ আদালতের রাশিয়ার চলমান সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার আছে কি-না তা নিয়ে হেগের শান্তি প্রাসাদে দুই যুদ্ধরত দেশের প্রতিনিধিরা মুখোমুখি হবেন। খবর এএফপি’র।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ আগ্রাসনের নির্দেশ দেয়ায় ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশপন্থীরা কিয়েভ শাসকের আক্রোশ ও গণহত্যার শিকারের যুক্তি দেখায়। আগ্রাসনের দু’দিন পর রাশিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ইউক্রেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা দায়ের করে। ইউক্রেন জোরালোভাবে অস্বীকার করে যুক্তি দেখায় যে, রাশিয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা গণহত্যার বিষয়টি ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশনের পুেরাপুরি লঙ্গন। ২০২২ সালের মার্চ মাসে আইসিজে ইউক্রেনের পক্ষে থেকে রাশিয়াকে তার সামরিক পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। তবে রায়টি ছিল তথাকথিত একটি ‘প্রাথমিক রায়।’ আদালত প্রকৃতপক্ষে বিষয়বস্তু নিয়ে রায় দিতে সক্ষম কি-না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত মুলতুবি রয়ে যায়।

রাশিয়ার মতে, আইসিজে’র এই বিষয়ে রায় দেয়ার এখতিয়ার নেই কারণ, ইউক্রেনের মামলাটি জাতিসংঘের জেনোসাইড কনভেনশনের আওতার বাইরে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালত গঠিত হয়। রাশিয়ার চলমান সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার আদেশ দেওয়ায় আদালতের এখতিয়ার আছে কি-না তা নিয়ে তা সিদ্ধান্ত নিতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

রাশিয়া আগ্রাসনের পূর্বে কয়েক বছর ধরে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহীদের সমর্থন করার অভিযোগ নিয়ে গঠিত ইউক্রেনের দায়ের করা একটি পৃথক মামলাও মোকাবেলা করছে আইসিজে।