ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জাপান-দক্ষিণ কোরিয়াকে নিয়ে শীর্ষ সম্মেলন করবেন বাইডেন

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিও এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে আগামী ১৮ আগস্ট ওয়াশিংটনের বাইরে একটি শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করবেন। ২৮ জুলাই হোয়াইট হাইস একথা জানায়।

ত্রিদেশীয় এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘তিন দেশের প্রেসিডেন্ট তাদের ত্রি-পাক্ষিক সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায় উদযাপন করবেন। কারণ, তারা তাদের বন্ধুত্বের দৃঢ় বন্ধন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের মধ্যে শক্তিশালী জোটকে আরো পুনর্নিশ্চিত করবে।’

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ‘ওয়াশিংটন ডিসির কাছে গ্রামীণ মেরিল্যান্ডে ক্যাম্প ডেভিড প্রেসিডেন্সিয়াল অবকাশ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই শীর্ষ সম্মেলনে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগর এবং তার বাইরে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করার একটি সুযোগ হবে।’

তারা উত্তর কোরিয়ার ‘নিরবচ্ছিন্ন হুমকি’ মোকাবেলা করবে এবং ‘বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য একটি ত্রিপাক্ষিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অগ্রসর হবে। একটি নিয়ম-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার প্রচার করবে এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি জোরদার করবে।’

বাইডেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকে বছরের পর বছর ধরে চলা উত্তেজনা কাটিয়ে ওঠার এবং পরমাণু শক্তিধর উত্তর কোরিয়ার চলমান ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষেণ এবং পরাশক্তি চীনের সাথে সংঘর্ষের ভয়ের মুখে একসাথে কাজ করার অগ্রাধিকার দিয়েছেন। পিয়ংইয়ং এবং সিউলের মধ্যে সম্পর্ক তাদের সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে, দু’দেশের মধ্যে কূটনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন কৌশলগত পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ অস্ত্রের বিকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রতিক্রিয়ায়, ইউন দক্ষিণ কোরিয়াকে দীর্ঘস্থায়ী মিত্র ওয়াশিংটনের কাছাকাছি টেনে এনেছে এবং প্রাক্তন ঔপনিবেশিক শক্তি জাপানের সাথে বৈরিতাকে কবর দিতে চেয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

জাপান-দক্ষিণ কোরিয়াকে নিয়ে শীর্ষ সম্মেলন করবেন বাইডেন

আপডেট সময় ০৯:১৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিও এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে আগামী ১৮ আগস্ট ওয়াশিংটনের বাইরে একটি শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করবেন। ২৮ জুলাই হোয়াইট হাইস একথা জানায়।

ত্রিদেশীয় এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘তিন দেশের প্রেসিডেন্ট তাদের ত্রি-পাক্ষিক সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায় উদযাপন করবেন। কারণ, তারা তাদের বন্ধুত্বের দৃঢ় বন্ধন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের মধ্যে শক্তিশালী জোটকে আরো পুনর্নিশ্চিত করবে।’

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ‘ওয়াশিংটন ডিসির কাছে গ্রামীণ মেরিল্যান্ডে ক্যাম্প ডেভিড প্রেসিডেন্সিয়াল অবকাশ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই শীর্ষ সম্মেলনে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগর এবং তার বাইরে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করার একটি সুযোগ হবে।’

তারা উত্তর কোরিয়ার ‘নিরবচ্ছিন্ন হুমকি’ মোকাবেলা করবে এবং ‘বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য একটি ত্রিপাক্ষিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অগ্রসর হবে। একটি নিয়ম-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার প্রচার করবে এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি জোরদার করবে।’

বাইডেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকে বছরের পর বছর ধরে চলা উত্তেজনা কাটিয়ে ওঠার এবং পরমাণু শক্তিধর উত্তর কোরিয়ার চলমান ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষেণ এবং পরাশক্তি চীনের সাথে সংঘর্ষের ভয়ের মুখে একসাথে কাজ করার অগ্রাধিকার দিয়েছেন। পিয়ংইয়ং এবং সিউলের মধ্যে সম্পর্ক তাদের সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে, দু’দেশের মধ্যে কূটনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন কৌশলগত পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ অস্ত্রের বিকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রতিক্রিয়ায়, ইউন দক্ষিণ কোরিয়াকে দীর্ঘস্থায়ী মিত্র ওয়াশিংটনের কাছাকাছি টেনে এনেছে এবং প্রাক্তন ঔপনিবেশিক শক্তি জাপানের সাথে বৈরিতাকে কবর দিতে চেয়েছে।