ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার বিচার ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদরাসাশিক্ষার্থী কন্যাশিশু নিখোঁজ ঈদযাত্রায় রেলে বাড়তি চাপের মধ্যেও শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই : রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন, কৃষক গ্রেপ্তার বর্তমান সরকার একটি উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র গঠনে কাজ করছে : শামীম তালুকদার উপাত্ত ছাড়া যে কোনো তথ্য কেবলই ব্যক্তিগত অভিমত : তথ্যমন্ত্রী জামালপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী নজরুল মেলা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

জয়ের সেঞ্চুরিতে শেষ টেস্ট ড্র করলো বাংলাদেশ ‘এ’ দল

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ের সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ অনানুষ্ঠানিক টেস্ট ড্র করলো বাংলাদেশ ‘এ’ দল। প্রথম টেস্ট বৃষ্টিতে ড্র হবার পর দ্বিতীয়টি ৩ উইকেটে জিতেছিলো সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এতে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট জিততে ৪৬১ রানের টার্গেট পেয়েছিলো বাংলাদেশ। জবাবে তৃতীয় দিন শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ছিল বিনা উইকেটে ৪৭ রান। ম্যাচ জিততে চতুর্থ ও শেষ দিন ১০ উইকেট হাতে নিয়ে আরও ৪১৪ রান করতে হতো বাংলাদেশকে।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ২৮ ও জাকির হাসান ১৪ রান নিয়ে চতুর্থ দিন খেলতে নামেন। দলের স্কোর বড় করে শতরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন জয় ও জাকির। কিন্তু ৩২তম ওভারে দলীয় ৯৩ রানে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার কেভিন সিনক্লেয়ারের বলে ব্যক্তিগত ৪৩ রানে আউট হন ৯৫ বল খেলে ৬টি চার মারা জাকির।

তিন নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে আরও একবার ব্যর্থ হন নামা সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মোমিনুল হক। প্রথম ইনিংসের মত এবারও ৫ রানে আউট হন তিনি।

১০৭ রানে ২ উইকেট পতনের পর অধিনায়ক সাইফ হাসানের সাথে বড় জুটির চেষ্টা করেন জয়। ৫৩ রান যোগ করার পর বিচ্ছিন্ন হন তারা। ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৯ বলে ৩৮ রান করেন সাইফ।

এরপর চতুর্থ উইকেটে ইয়াসির আলিকে নিয়ে শতরানের জুটি গড়েন জয়। এই জুটিতেই সেঞ্চুরির দেখা পান প্রথম ইনিংসে ৯ রান করা জয়। বাউন্ডারি মেরে ২২৩ বলে সেঞ্চুরি পূর্ন করেন জয়।

জয়ের শতকের পর হাফ-সেঞ্চুরি করে দিনের শেষ বেলায় চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে আউট হন ইয়াসির। ৬টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৮৫ বলে ৬৭ রান করেন ইয়াসির। চতুর্থ উইকেটে জয়-ইয়াসিরের ১১৭ রানের জুটিতে ম্যাচটি নিশ্চিত ড্র’র দিকে এগিয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত শাহাদাত হোসেন-জয়ের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচটি ড্র’তে শেষ হয়। ৯১ ওভারে ৪ উইকেটে ৩০৬ রান করে বাংলাদেশ। ১৪টি চারে ২৬৮ বলে ১১৪ রানে অপরাজিত থাকেন জয়। ৩৯ বলে অপরাজিত ২০ রান করেন শাহাদাত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিনক্লেয়ার ৩ উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন জয়।

দুই ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪৪৫ ও ৫ উইকেটে ২২০ রান করেছিলো। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ২০৫ রান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

জয়ের সেঞ্চুরিতে শেষ টেস্ট ড্র করলো বাংলাদেশ ‘এ’ দল

আপডেট সময় ০৬:৪১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুন ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ের সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ অনানুষ্ঠানিক টেস্ট ড্র করলো বাংলাদেশ ‘এ’ দল। প্রথম টেস্ট বৃষ্টিতে ড্র হবার পর দ্বিতীয়টি ৩ উইকেটে জিতেছিলো সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এতে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট জিততে ৪৬১ রানের টার্গেট পেয়েছিলো বাংলাদেশ। জবাবে তৃতীয় দিন শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ছিল বিনা উইকেটে ৪৭ রান। ম্যাচ জিততে চতুর্থ ও শেষ দিন ১০ উইকেট হাতে নিয়ে আরও ৪১৪ রান করতে হতো বাংলাদেশকে।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ২৮ ও জাকির হাসান ১৪ রান নিয়ে চতুর্থ দিন খেলতে নামেন। দলের স্কোর বড় করে শতরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন জয় ও জাকির। কিন্তু ৩২তম ওভারে দলীয় ৯৩ রানে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার কেভিন সিনক্লেয়ারের বলে ব্যক্তিগত ৪৩ রানে আউট হন ৯৫ বল খেলে ৬টি চার মারা জাকির।

তিন নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে আরও একবার ব্যর্থ হন নামা সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মোমিনুল হক। প্রথম ইনিংসের মত এবারও ৫ রানে আউট হন তিনি।

১০৭ রানে ২ উইকেট পতনের পর অধিনায়ক সাইফ হাসানের সাথে বড় জুটির চেষ্টা করেন জয়। ৫৩ রান যোগ করার পর বিচ্ছিন্ন হন তারা। ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৯ বলে ৩৮ রান করেন সাইফ।

এরপর চতুর্থ উইকেটে ইয়াসির আলিকে নিয়ে শতরানের জুটি গড়েন জয়। এই জুটিতেই সেঞ্চুরির দেখা পান প্রথম ইনিংসে ৯ রান করা জয়। বাউন্ডারি মেরে ২২৩ বলে সেঞ্চুরি পূর্ন করেন জয়।

জয়ের শতকের পর হাফ-সেঞ্চুরি করে দিনের শেষ বেলায় চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে আউট হন ইয়াসির। ৬টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৮৫ বলে ৬৭ রান করেন ইয়াসির। চতুর্থ উইকেটে জয়-ইয়াসিরের ১১৭ রানের জুটিতে ম্যাচটি নিশ্চিত ড্র’র দিকে এগিয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত শাহাদাত হোসেন-জয়ের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচটি ড্র’তে শেষ হয়। ৯১ ওভারে ৪ উইকেটে ৩০৬ রান করে বাংলাদেশ। ১৪টি চারে ২৬৮ বলে ১১৪ রানে অপরাজিত থাকেন জয়। ৩৯ বলে অপরাজিত ২০ রান করেন শাহাদাত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিনক্লেয়ার ৩ উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন জয়।

দুই ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪৪৫ ও ৫ উইকেটে ২২০ রান করেছিলো। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ২০৫ রান।