ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি শিশু বক্করের চোখের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী ডিবির অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে কষ্টি পাথরসদৃশ বস্তু জব্দ, আটক ১১ যমুনায় ফের ইউরিয়া উৎপাদন শুরু জামালপুরে শরৎকালীন টেনিস টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত এপেক সম্মেলনের আগে কিমের দরজায় কড়া নাড়ছেন ট্রাম্প বন্যার পানিতে ডুবতে থাকা গাড়ি থেকে চালককে উদ্ধার করলেন অস্ট্রেলীয় টিভি সাংবাদিক কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ডে ৪ সেনা নিহত, আহত ৩৯ এআইয়ের মাধ্যমে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত, বিশ্বজুড়ে বন্ধ বহু ওয়েবসাইট সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী

মেলান্দহে শাহ কামালের মাজার এলাকা থেকে দুই অপহরণকারী গ্রেপ্তার

দুরমুট মাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার অপহরণকারী শাহ জাহান সাজু ও সুজন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

দুরমুট মাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার অপহরণকারী শাহ জাহান সাজু ও সুজন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুরের মেলান্দহ থেকে দুই অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে মেলান্দহ থানা পুলিশ। ৮ মে রাতে উপজেলার দুরমুট শাহ কামালের মাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় মামলা করেছেন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, কুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া আব্দুল গফুর মন্ডলের ছেলে শাহ জাহান সাজু (৪৫) ও একই ইউনিয়নের পিরিজপুর গ্রামের মৃত বাদল মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া (৩৫)। পুলিশ জানায়, আটক শাহ জাহান সাজুর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

জানা গেছে, ৮ মে রাত ৮টার দিকে জেলার দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার চরকালিকাপুর গ্রামের হানিফ উদ্দিনের ছেলে আনিছুর রহমান মেলান্দহে শাহ কামালের মাজারে বৈশাখী ওরশ মেলায় আসেন। অপহরণকারীরা তাকে ডেকে নিয়ে একটি গাড়িতে উঠিয়ে নির্জন স্থানে যায় ও পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় তারা। আনিছুর টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর ও তার কাছ থেকে মোবাইল ফোনসেট ও নগদ সাত হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

রাত গভীর হলে আনিছুরের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার স্বজনরা তাকে বিভিন্ন উপায়ে খোঁজাখুঁজি করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তাদের পরিবারের সন্দেহ বাড়ে। পরে উপায় না পেয়ে আনিছুরের স্ত্রীর বড় ভাই জাহিদ হাসান ৯৯৯ এ ফোন দেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযানে নামে মেলান্দহ থানা পুলিশ।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেনের দিক নির্দেশনায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ এনামুল হক সিদ্দিকী ও একদল চৌকষ অভিযানিক দল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে অপহরণের শিকার আনিছুর রহমানকে উদ্ধার করে। সেই সাথে দুই অপহরণকারীকে আটক করে।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অপহরণের শিকার আনিছুর রহমানকে উদ্ধার ও দুই অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি

মেলান্দহে শাহ কামালের মাজার এলাকা থেকে দুই অপহরণকারী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৭:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩
দুরমুট মাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার অপহরণকারী শাহ জাহান সাজু ও সুজন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুরের মেলান্দহ থেকে দুই অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে মেলান্দহ থানা পুলিশ। ৮ মে রাতে উপজেলার দুরমুট শাহ কামালের মাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় মামলা করেছেন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, কুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া আব্দুল গফুর মন্ডলের ছেলে শাহ জাহান সাজু (৪৫) ও একই ইউনিয়নের পিরিজপুর গ্রামের মৃত বাদল মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া (৩৫)। পুলিশ জানায়, আটক শাহ জাহান সাজুর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

জানা গেছে, ৮ মে রাত ৮টার দিকে জেলার দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার চরকালিকাপুর গ্রামের হানিফ উদ্দিনের ছেলে আনিছুর রহমান মেলান্দহে শাহ কামালের মাজারে বৈশাখী ওরশ মেলায় আসেন। অপহরণকারীরা তাকে ডেকে নিয়ে একটি গাড়িতে উঠিয়ে নির্জন স্থানে যায় ও পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় তারা। আনিছুর টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর ও তার কাছ থেকে মোবাইল ফোনসেট ও নগদ সাত হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

রাত গভীর হলে আনিছুরের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার স্বজনরা তাকে বিভিন্ন উপায়ে খোঁজাখুঁজি করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তাদের পরিবারের সন্দেহ বাড়ে। পরে উপায় না পেয়ে আনিছুরের স্ত্রীর বড় ভাই জাহিদ হাসান ৯৯৯ এ ফোন দেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযানে নামে মেলান্দহ থানা পুলিশ।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেনের দিক নির্দেশনায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ এনামুল হক সিদ্দিকী ও একদল চৌকষ অভিযানিক দল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযান চালিয়ে অপহরণের শিকার আনিছুর রহমানকে উদ্ধার করে। সেই সাথে দুই অপহরণকারীকে আটক করে।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অপহরণের শিকার আনিছুর রহমানকে উদ্ধার ও দুই অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়েছে।