ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার মানোন্নয়নে ছাড় নয়, কঠোর অবস্থানে সরকার : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী জামালপুরে হস্তশিল্পের সম্ভাবনায় প্রশিক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু ইউপি নির্বাচন : বকশীগঞ্জে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জলাশয় খাসপুকুরে ৩০৭ কেজি পোনা অবমুক্ত জামালপুর এপির বার্ষিক শিখন সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে নারী এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে ৩ মাসের কারাদণ্ড শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলায় পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান

বাংলাদেশ-ভারত কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে সেনাপ্রধানদের আলোচনা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : বাংলাদেশ ও ভারতের সেনাপ্রধানরা ২৭ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে আন্তঃকার্যকারিতা, প্রশিক্ষণ, সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা এবং সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও শক্তিশালীকরণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ তার ভারতীয় প্রতিপক্ষ জেনারেল মনোজ পান্ডের সঙ্গে বৈঠককালে দিল্লিতে এই আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ভারতের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বের সাথে দেখা করতে আজ ভারতে তিন দিনের সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। এসময় তিনি ভারত-বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

জেনারেল আহমেদ জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার সফর শুরু করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, সফররত জেনারেলকে সাউথ ব্লক লনে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

জেনারেল আহমেদ চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার, ভাইস চিফ অফ এয়ার স্টাফ এয়ার মার্শাল এপি সিং, প্রতিরক্ষা সচিব ও পররাষ্ট্র সচিবের সাথেও সাক্ষাৎ করেন।

ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স প্রোডাকশন (ডিডিপি) ও আর্মি ডিজাইন ব্যুরো কর্তৃক ভারতীয় দেশীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন ইকো-সিস্টেম সম্পর্কেও তাকে ব্রিফ করা হয়।

সফরকালে উভয় দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতার জন্য সেন্টার ফর ইউনাইটেড নেশনস পিসকিপিং (সিইউএনপিকে), ভারত এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ পিস সাপোর্ট অপারেশনস ট্রেনিং (বিপসট)-এর মধ্যে একটি ‘বাস্তবায়ন ব্যবস্থা’ স্বাক্ষরিত হয়।

সফররত বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ২৯ এপ্রিল চেন্নাইয়ের অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমিতে পাসিং আউট প্যারেডের পর্যালোচনাকারী কর্মকর্তা।

তিনি অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি জাদুঘর পরিদর্শন এবং পাসিং আউট কোর্সের ক্যাডেটদের সাথে মতবিনিময় করবেন।

ভারত ও বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সহযোগিতা ও সমর্থনের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার ভাগাভাগি করে নেয়।

প্রতিরক্ষা পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্যে রয়েছে, সার্ভিস চিফদের পর্যায়ে উচ্চ-স্তরের বিনিময়, প্রতিরক্ষা সচিবদের দিয়ে উদ্বোধনী বার্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ, ত্রি-সেবা এবং পরিষেবা-নির্দিষ্ট স্টাফ আলোচনা।

ঢাকা ও কলকাতায় বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রতি বছর ডিসেম্বরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা এবং ভারতীয় যোদ্ধাদের যাওয়া-আসার মাধ্যমে পরিদর্শন হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশ-ভারত কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে সেনাপ্রধানদের আলোচনা

আপডেট সময় ০৯:৪৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : বাংলাদেশ ও ভারতের সেনাপ্রধানরা ২৭ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে আন্তঃকার্যকারিতা, প্রশিক্ষণ, সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা এবং সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও শক্তিশালীকরণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ তার ভারতীয় প্রতিপক্ষ জেনারেল মনোজ পান্ডের সঙ্গে বৈঠককালে দিল্লিতে এই আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ভারতের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বের সাথে দেখা করতে আজ ভারতে তিন দিনের সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। এসময় তিনি ভারত-বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

জেনারেল আহমেদ জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার সফর শুরু করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, সফররত জেনারেলকে সাউথ ব্লক লনে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

জেনারেল আহমেদ চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার, ভাইস চিফ অফ এয়ার স্টাফ এয়ার মার্শাল এপি সিং, প্রতিরক্ষা সচিব ও পররাষ্ট্র সচিবের সাথেও সাক্ষাৎ করেন।

ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স প্রোডাকশন (ডিডিপি) ও আর্মি ডিজাইন ব্যুরো কর্তৃক ভারতীয় দেশীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন ইকো-সিস্টেম সম্পর্কেও তাকে ব্রিফ করা হয়।

সফরকালে উভয় দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতার জন্য সেন্টার ফর ইউনাইটেড নেশনস পিসকিপিং (সিইউএনপিকে), ভারত এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ পিস সাপোর্ট অপারেশনস ট্রেনিং (বিপসট)-এর মধ্যে একটি ‘বাস্তবায়ন ব্যবস্থা’ স্বাক্ষরিত হয়।

সফররত বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ২৯ এপ্রিল চেন্নাইয়ের অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমিতে পাসিং আউট প্যারেডের পর্যালোচনাকারী কর্মকর্তা।

তিনি অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি জাদুঘর পরিদর্শন এবং পাসিং আউট কোর্সের ক্যাডেটদের সাথে মতবিনিময় করবেন।

ভারত ও বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সহযোগিতা ও সমর্থনের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার ভাগাভাগি করে নেয়।

প্রতিরক্ষা পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্যে রয়েছে, সার্ভিস চিফদের পর্যায়ে উচ্চ-স্তরের বিনিময়, প্রতিরক্ষা সচিবদের দিয়ে উদ্বোধনী বার্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ, ত্রি-সেবা এবং পরিষেবা-নির্দিষ্ট স্টাফ আলোচনা।

ঢাকা ও কলকাতায় বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রতি বছর ডিসেম্বরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা এবং ভারতীয় যোদ্ধাদের যাওয়া-আসার মাধ্যমে পরিদর্শন হয়।