ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে ৬৪ জেলায় : তথ্য প্রতিমন্ত্রী পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান মিল্লাতের জাতীয় পর্যায়ে ১৮ দিবসসহ অন্যান্য দিবস পালনে সরকারের নতুন নির্দেশনা ইসলামপুরে আলাই বিলে শিশু নিখোঁজ মাদারগঞ্জে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ১৬ মাসের শিশু রাতুলের নকলায় মুক্তিযোদ্ধার ভাতা নিয়ে বিরোধ, দ্বিতীয় স্ত্রী আদালতে ইসলামপুরে ছাত্রলীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে ছাত্রদলের মশাল মিছিল ফিনল্যান্ডের যুবক ও চা বিক্রেতার মেয়ের অনন্য প্রেম : ধর্ম বদলে শুভ পরিণয় প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং হাতি সম্পদকে ব্যবহার করে এ অঞ্চলে বৃহৎ আকারে পর্যটন শিল্প গড়ে উঠতে পারে : বনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের জমি ও ঘর পেল জামালপুর সদরের ১২৯ ভূমিহীন পরিবার

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায় অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে জামালপুর সদরের গৃহহীনদের মাঝে জমি ও ঘরের মালিকানার দলিলপত্র তুলে দেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায় অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে জামালপুর সদরের গৃহহীনদের মাঝে জমি ও ঘরের মালিকানার দলিলপত্র তুলে দেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ‘মাইনসের বাসাবাড়িতে কাম কইরা খাই। আমার স্বামী ফজল মারা যান ১৯৮৮ সালের বন্যার সময়। আমার এক ছেলে এক মেয়ে। মেয়েডারে বিয়া দিছি। এক ছেলে, ছেলের বউ আর তিন নাতি নিয়া অনেক কষ্টে ছিলাম। অনেক কষ্ট কইরা থাকছি এতোদিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমারে পাকা ঘর দিল। নায়নাতি নিয়া শান্তি মুতন থাকবের পামু। আল্লাহ মেলা রহমত করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য জীবনভরা দোয়া করমু।’

২২ মার্চ সকালে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের সেমিপাকা টিনশেড একটি ঘরের দলিলপত্র হাতে পেয়ে জামালপুর পৌরসভার কম্পপুর এলাকার ভূমি ও গৃহহীন বিধবা ফুলেছা (৬০) এভাবেই তার আবেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একটি মানুষও যেন ভূমিহীন ও গৃহহীন না থাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই নির্দেশনা মোতাবেক সারাদেশে এই কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের প্রয়াসে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ মার্চ সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে লাইভ সম্প্রচারে অংশ নিয়ে চতুর্থ পর্যায়ে সারাদেশে ৩৯ হাজার ৩৬৫টি পরিবারের মাঝে জমি ও ঘর প্রদান করেন। একই সাথে তিনি ১৫৯টি উপজেলাকে গৃহহীন ও ভূমিহীনমুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরপরই জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায় জামালপুর সদরের ১২৯টি গৃহহীন পরিবারের হাতে ঘরের মালিকানার দলিলপত্র তুলে দেন।

এর মধ্যে জামালপুর পৌরসভার পাথালিয়া নাওভাঙা গ্রামে ১১১টি, মেষ্টা ইউনিয়নের ১২টি ও শ্রীপুর ইউনিয়নে ছয়টি পরিবারকে জমি ও ঘর দেওয়া হয়েছে। একই সাথে মাদারগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ ও মেলান্দহ উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

চতুর্থ পর্যায়ে এই প্রকল্পের ঘর প্রদান শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাফ্ফর হোসেন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ঘর প্রদান অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটুস লরেন্স চিরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইফুল ইসলাম, জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবুল হোসেন, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বরকত উল্লাহ, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান, জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ আতিকুর রহমান ছানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়াত আলী, জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ জলিল, উপকারভোগী মাজেদা বেগম ও সমাজ আলী প্রমুখ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের জমি ও ঘর পেল জামালপুর সদরের ১২৯ ভূমিহীন পরিবার

আপডেট সময় ০৯:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায় অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে জামালপুর সদরের গৃহহীনদের মাঝে জমি ও ঘরের মালিকানার দলিলপত্র তুলে দেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ‘মাইনসের বাসাবাড়িতে কাম কইরা খাই। আমার স্বামী ফজল মারা যান ১৯৮৮ সালের বন্যার সময়। আমার এক ছেলে এক মেয়ে। মেয়েডারে বিয়া দিছি। এক ছেলে, ছেলের বউ আর তিন নাতি নিয়া অনেক কষ্টে ছিলাম। অনেক কষ্ট কইরা থাকছি এতোদিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমারে পাকা ঘর দিল। নায়নাতি নিয়া শান্তি মুতন থাকবের পামু। আল্লাহ মেলা রহমত করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য জীবনভরা দোয়া করমু।’

২২ মার্চ সকালে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের সেমিপাকা টিনশেড একটি ঘরের দলিলপত্র হাতে পেয়ে জামালপুর পৌরসভার কম্পপুর এলাকার ভূমি ও গৃহহীন বিধবা ফুলেছা (৬০) এভাবেই তার আবেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একটি মানুষও যেন ভূমিহীন ও গৃহহীন না থাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই নির্দেশনা মোতাবেক সারাদেশে এই কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের প্রয়াসে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ মার্চ সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে লাইভ সম্প্রচারে অংশ নিয়ে চতুর্থ পর্যায়ে সারাদেশে ৩৯ হাজার ৩৬৫টি পরিবারের মাঝে জমি ও ঘর প্রদান করেন। একই সাথে তিনি ১৫৯টি উপজেলাকে গৃহহীন ও ভূমিহীনমুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরপরই জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায় জামালপুর সদরের ১২৯টি গৃহহীন পরিবারের হাতে ঘরের মালিকানার দলিলপত্র তুলে দেন।

এর মধ্যে জামালপুর পৌরসভার পাথালিয়া নাওভাঙা গ্রামে ১১১টি, মেষ্টা ইউনিয়নের ১২টি ও শ্রীপুর ইউনিয়নে ছয়টি পরিবারকে জমি ও ঘর দেওয়া হয়েছে। একই সাথে মাদারগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ ও মেলান্দহ উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

চতুর্থ পর্যায়ে এই প্রকল্পের ঘর প্রদান শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাফ্ফর হোসেন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ঘর প্রদান অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটুস লরেন্স চিরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইফুল ইসলাম, জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবুল হোসেন, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বরকত উল্লাহ, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান, জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ আতিকুর রহমান ছানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়াত আলী, জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ জলিল, উপকারভোগী মাজেদা বেগম ও সমাজ আলী প্রমুখ।