ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী পুড়িয়ে হত্যা : আসামির মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ : আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড জামালপুরে বাল্যবিবাহ-শিশুশ্রম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে এপির মতবিনিময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বারী মণ্ডল আর নেই, তাঁর প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন জামালপুরে অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়ার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ সংসদ সদস্য শামীম তালুকদারের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু

যুদ্ধকালীন হারুন হাবীবের আলোকচিত্র স্থান পেল জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে

আলোকচিত্রী হারুন হাবীবের তোলা আলোকচিত্রের একাংশ। ছবি: জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

আলোকচিত্রী হারুন হাবীবের তোলা আলোকচিত্রের একাংশ। ছবি: জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের গ্যালারিসজ্জা ও প্রদর্শনী কাজে মুক্তিযুদ্ধের অমূল্য স্মারক প্রদানে এগিয়ে এসেছেন বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব। জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৬৯ সালের উত্তাল গণআন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র হারুন হাবীব মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে একই সাথে রাইফেল, কলম ও ক্যামেরা হাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রণাঙ্গনে স্বক্রিয় ভূমিকা রাখেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের ‘সাপ্তাহিক জয়বাংলা’ পত্রিকা ও ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’ এর যুদ্ধ সংবাদদাতা হারুন হাবীব সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধকালে তাঁর ধারণকৃত বহুসংখ্যক ঐতিহাসিক আলোকচিত্র (স্ক্যানকপি) মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে প্রদান করেন। এই আলোকচিত্রগুলি জামালপুর ও শেরপুর অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধকালীন অমূল্য দলিল। এ ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত তাঁর নিজস্ব কম্বল মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে প্রদান করেন।

আলোকচিত্রী হারুন হাবীবের তোলা আলোকচিত্রের একাংশ। ছবি: জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে প্রদর্শনের জন্য মুক্তিযুদ্ধের আরও বহু সংখ্যক দলিল ও স্মারক প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে জামালপুরবাসী, বিশেষত ১১ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক দলিলপত্র, স্মারক ও শহীদদের ব্যবহৃত স্মৃতিচিহ্ন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ১৯৭১ এর চিঠিপত্র এবং আলোকচিত্র প্রদানের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।

জামালপুর জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র দয়াময়ী মোড়ে ‘শেখ হাসিনা সাংস্কৃতিক পল্লী নির্মাণ’ প্রকল্পের অধীনে নির্মিত হয়েছে জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘর জামালপুর, শেরপুর অঞ্চলের ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টরের আঞ্চলিক যুদ্ধ কর্মকাণ্ডের ঐতিহাসিক ঘটনাধারা তুলে ধরতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। জাদুঘরটির প্রদর্শনী ও গ্যালারিসজ্জায় নিয়োজিত আছে ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া

যুদ্ধকালীন হারুন হাবীবের আলোকচিত্র স্থান পেল জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে

আপডেট সময় ১১:৪৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
আলোকচিত্রী হারুন হাবীবের তোলা আলোকচিত্রের একাংশ। ছবি: জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের গ্যালারিসজ্জা ও প্রদর্শনী কাজে মুক্তিযুদ্ধের অমূল্য স্মারক প্রদানে এগিয়ে এসেছেন বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব। জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯৬৯ সালের উত্তাল গণআন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র হারুন হাবীব মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে একই সাথে রাইফেল, কলম ও ক্যামেরা হাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রণাঙ্গনে স্বক্রিয় ভূমিকা রাখেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের ‘সাপ্তাহিক জয়বাংলা’ পত্রিকা ও ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’ এর যুদ্ধ সংবাদদাতা হারুন হাবীব সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধকালে তাঁর ধারণকৃত বহুসংখ্যক ঐতিহাসিক আলোকচিত্র (স্ক্যানকপি) মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে প্রদান করেন। এই আলোকচিত্রগুলি জামালপুর ও শেরপুর অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধকালীন অমূল্য দলিল। এ ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত তাঁর নিজস্ব কম্বল মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে প্রদান করেন।

আলোকচিত্রী হারুন হাবীবের তোলা আলোকচিত্রের একাংশ। ছবি: জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে প্রদর্শনের জন্য মুক্তিযুদ্ধের আরও বহু সংখ্যক দলিল ও স্মারক প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে জামালপুরবাসী, বিশেষত ১১ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক দলিলপত্র, স্মারক ও শহীদদের ব্যবহৃত স্মৃতিচিহ্ন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ১৯৭১ এর চিঠিপত্র এবং আলোকচিত্র প্রদানের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।

জামালপুর জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র দয়াময়ী মোড়ে ‘শেখ হাসিনা সাংস্কৃতিক পল্লী নির্মাণ’ প্রকল্পের অধীনে নির্মিত হয়েছে জামালপুর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘর জামালপুর, শেরপুর অঞ্চলের ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের ১১ নম্বর সেক্টরের আঞ্চলিক যুদ্ধ কর্মকাণ্ডের ঐতিহাসিক ঘটনাধারা তুলে ধরতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। জাদুঘরটির প্রদর্শনী ও গ্যালারিসজ্জায় নিয়োজিত আছে ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।