ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬ ডিসেম্বর শ্রীবরদী মুক্ত দিবস

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: ১৯৭১ সালের এই দিনে (৬ ডিসেম্বর) হানাদার মুক্ত হয় শেরপুরের শ্রীবরদী। মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী শ্রীবরদী, ভায়াডাঙ্গা, ঝগড়ারচর ও কুরুয়াতে ক্যাম্প স্থাপন করেন। তবে মিত্র বাহিনীর তীব্র আক্রমণে টিকতে না পেরে হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসর রাজাকার ও আলবদর বাহিনীর সদস্যরা শ্রীবরদী ছাড়তে বাধ্য হয়।

শ্রীবরদী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কার্যালয়ের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ সালেহ বলেন, ৪ ডিসেম্বর ধানুয়া কামালপুরে মিত্র বাহিনীর আক্রমণে হেরে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা শ্রীবরদীর দিকে অবস্থান নিলে ১১ নং সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল আবু তাহেরের নেতৃত্বে মিত্র বাহিনী প্রবল আক্রমণ চালান। ৬ ডিসেম্বর ভোরে মিত্র বাহিনীর আক্রমণে ক্যাম্প ছেড়ে হানাদার বাহিনী শ্রীবরদীর লংগরপাড়া হয়ে শেরপুরের দিকে পিছু হটে। ওইদিনই তারা জামালপুরে অবস্থান নেয়।

সূত্র জানায়, মুক্ত শ্রীবরদীতে স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ান মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক মুন্সি (বীর প্রতীক বার) ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রেজ্জাক।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৬ ডিসেম্বর শ্রীবরদী মুক্ত দিবস

আপডেট সময় ০৮:৩২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২২

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: ১৯৭১ সালের এই দিনে (৬ ডিসেম্বর) হানাদার মুক্ত হয় শেরপুরের শ্রীবরদী। মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনী শ্রীবরদী, ভায়াডাঙ্গা, ঝগড়ারচর ও কুরুয়াতে ক্যাম্প স্থাপন করেন। তবে মিত্র বাহিনীর তীব্র আক্রমণে টিকতে না পেরে হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসর রাজাকার ও আলবদর বাহিনীর সদস্যরা শ্রীবরদী ছাড়তে বাধ্য হয়।

শ্রীবরদী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কার্যালয়ের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ সালেহ বলেন, ৪ ডিসেম্বর ধানুয়া কামালপুরে মিত্র বাহিনীর আক্রমণে হেরে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা শ্রীবরদীর দিকে অবস্থান নিলে ১১ নং সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল আবু তাহেরের নেতৃত্বে মিত্র বাহিনী প্রবল আক্রমণ চালান। ৬ ডিসেম্বর ভোরে মিত্র বাহিনীর আক্রমণে ক্যাম্প ছেড়ে হানাদার বাহিনী শ্রীবরদীর লংগরপাড়া হয়ে শেরপুরের দিকে পিছু হটে। ওইদিনই তারা জামালপুরে অবস্থান নেয়।

সূত্র জানায়, মুক্ত শ্রীবরদীতে স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ান মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক মুন্সি (বীর প্রতীক বার) ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রেজ্জাক।