ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যে স্মারকগ্রন্থে আবারও জীবন্ত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মৃত্যু, দাদি আহত স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি জামায়াতে ইসলামী নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে : ওয়ারেছ আলী মামুন ইসলামপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত জামালপুরে রাজিব বাসচাপায় অটোরিকশার চার যাত্রী নিহত, আহত ২০ শিশুবান্ধব সমাজ গঠনই হোক আমাদের অঙ্গীকার : সংসদ সদস্য মামুন মাদারগঞ্জে কেমিক্যালের ড্রাম কাটতে গিয়ে বিস্ফোরণ, ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির মৃত্যু মাদারগঞ্জে কিশোরী রূপসী হত্যা : প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েনে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর অপহরণ করে ধর্ষণ, ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

দেওয়ানগঞ্জ আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন : সাধারণ সম্পাদক পদে দেওয়ান ইমরানের সম্ভাবনা

দেওয়ান মো. ইমরান

দেওয়ান মো. ইমরান

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান দেওয়ান মো. ইমরান।

আগামী ১৩ নভেম্বর সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা হওয়ায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের পরবর্তী নেতৃত্বে কারা আসছেন এ নিয়েও চলছে নানা আলোচনা।

সম্মেলনের বাকি অল্পকিছু সময়। ইতিমধ্যেই প্রার্থীরা চালাচ্ছে জোরেশোরে প্রচারণা।

জানা যায়, দেওয়ান মো. ইমরানের বাবা চুকাইবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে৷ তিনি ১৯৭২ এ চুকাইবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের রিলিফ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৭২ থেকে তার বাবা দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও সর্বশেষ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে থাকাবস্থায় বাধক্যজনিত কারণে রাজনৈতিক জীবন থেকে অবসর নেন।

তিনি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে শুরু করে সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয়ের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন।

নেতা-কর্মীরা জানান, ত্যাগী ও দুঃসময়ের নেতা হিসেবে সুপরিচিতি রয়েছে দেওয়ান মো. ইমরানের।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে পরিবারের ওপর একাধিকবার হামলাও হয়েছে। কঠিন সময়েও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসাম্প্রদায়িক ভাবধারার আদর্শের মানুষ হিসেবে অটুট তিনি। জেল-জুলুমকে নিত্যসঙ্গী করে রাজপথে নিজেকে সোচ্চার রেখেছেন। তিনি পরিচ্ছন্ন, বিশ্বাসী, পরীক্ষিত, নিবেদিত ও পরিশ্রমী নেতা হিসেবে সুপরিচিতি রয়েছে তার।

এই নেতাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দিলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থান আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে বলে মনে করছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।

ত্যাগী ও মেধাবী যুবনেতা দেওয়ান মো. ইমরান বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আমার পক্ষে রয়েছেন। তারা চাচ্ছেন- আমাকে যেন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আমাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবো। বিগত সময়ে দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করেছি। তৃণমূল থেকে দলকে অত্যন্ত সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, তৃণমূল নেতা-কর্মীই হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রাণ। তাই তৃণমূলের দুঃখ-দুর্দশার দূর করে দলকে তৃণমূল থেকেই শক্তিশালী করবো। স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য প্রতিহত করতে অগ্রভাগে থেকেছি এবং আগামীতেও থাকবো। এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবো দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের নিয়ে।

তাই আসন্ন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ক্লিন ইমেজের এই নেতাকে দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।

আপলোডকারীর তথ্য

যে স্মারকগ্রন্থে আবারও জীবন্ত তিনি

দেওয়ানগঞ্জ আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন : সাধারণ সম্পাদক পদে দেওয়ান ইমরানের সম্ভাবনা

আপডেট সময় ০৭:১৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ নভেম্বর ২০২২
দেওয়ান মো. ইমরান

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান দেওয়ান মো. ইমরান।

আগামী ১৩ নভেম্বর সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা হওয়ায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের পরবর্তী নেতৃত্বে কারা আসছেন এ নিয়েও চলছে নানা আলোচনা।

সম্মেলনের বাকি অল্পকিছু সময়। ইতিমধ্যেই প্রার্থীরা চালাচ্ছে জোরেশোরে প্রচারণা।

জানা যায়, দেওয়ান মো. ইমরানের বাবা চুকাইবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে৷ তিনি ১৯৭২ এ চুকাইবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের রিলিফ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৭২ থেকে তার বাবা দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও সর্বশেষ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে থাকাবস্থায় বাধক্যজনিত কারণে রাজনৈতিক জীবন থেকে অবসর নেন।

তিনি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে শুরু করে সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয়ের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন।

নেতা-কর্মীরা জানান, ত্যাগী ও দুঃসময়ের নেতা হিসেবে সুপরিচিতি রয়েছে দেওয়ান মো. ইমরানের।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে পরিবারের ওপর একাধিকবার হামলাও হয়েছে। কঠিন সময়েও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসাম্প্রদায়িক ভাবধারার আদর্শের মানুষ হিসেবে অটুট তিনি। জেল-জুলুমকে নিত্যসঙ্গী করে রাজপথে নিজেকে সোচ্চার রেখেছেন। তিনি পরিচ্ছন্ন, বিশ্বাসী, পরীক্ষিত, নিবেদিত ও পরিশ্রমী নেতা হিসেবে সুপরিচিতি রয়েছে তার।

এই নেতাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দিলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থান আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে বলে মনে করছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।

ত্যাগী ও মেধাবী যুবনেতা দেওয়ান মো. ইমরান বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আমার পক্ষে রয়েছেন। তারা চাচ্ছেন- আমাকে যেন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আমাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবো। বিগত সময়ে দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করেছি। তৃণমূল থেকে দলকে অত্যন্ত সুসংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, তৃণমূল নেতা-কর্মীই হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রাণ। তাই তৃণমূলের দুঃখ-দুর্দশার দূর করে দলকে তৃণমূল থেকেই শক্তিশালী করবো। স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য প্রতিহত করতে অগ্রভাগে থেকেছি এবং আগামীতেও থাকবো। এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবো দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের নিয়ে।

তাই আসন্ন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ক্লিন ইমেজের এই নেতাকে দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।