ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গলায় লিচুর বিচি আটকে শিশুর মৃত্যু জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

জামালপুরে নবজাতকের বিপদচিহ্ন বিষয়ক সভা

জামালপুরে নবজাতকের বিপদচিহ্ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে নবজাতকের বিপদচিহ্ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: নবজাতকের মৃত্যুঝুঁকি হ্রাসে করণীয়, বিপদচিহ্ন চিহ্নিতকরণ এবং সেবাগ্রহণের মাধ্যমে শিশু মৃত্যু হ্রাসকরণের লক্ষ্যে ১৬ জুন জামালপুরে এক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ সাফি।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বীরমুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যোর মাঝে বক্তব্য রাখেন জ্যেষ্ঠ স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার বদরুল আলম, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা খলিলুর রহমান, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সাংবাদিক জাহাঙ্গীর সেলিম, জামালপুর পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর সাইদা আক্তার, হযরত শাহজামাল (রহ.) উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আছাদুজ্জামান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা আনিছুর রহমান।

স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর লাইফস্টাইল, হেলথ এডুকেশন এন্ড প্রমোশন এর আওতায় জামালপুর স্বাস্থ্য বিভাগ আয়োজিত ও প্লে ডক্টর নামে প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সভায় ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভা সূত্রে, নবজাতকের ৬টি বিপদচিহ্ন সম্পর্কে জানা যায়, মায়ের দুধ টেনে খেতে না পারা বা না চোষা, নিস্তেজ হয়ে যাওয়া, জ¦র বা শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, খিঁচুনি হওয়া, শান্ত অবস্থায় দ্রæত শ্বাস, নাভী পাকা বা লালবর্ণ ধারণ, পেট ফুলে যাওয়া বা অনবরত বমি হওয়া, চোথ ফুলে লাল হয়ে পুঁজ পড়া।

নবজাতকের কোন একটি বিপদচিহ্ন দেখা দিলে সাথে সাথে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। নবজাতকের ওজন ২ হাজার গ্রামের কম হলে সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। কোন প্রকার কবিরাজ, গ্রাম ডাক্তার বা ঝাড়, ফোকের আশ্রয় নিলে শিশুর মৃত্য ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে এবং মৃত্যুও হতে পারে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গলায় লিচুর বিচি আটকে শিশুর মৃত্যু

জামালপুরে নবজাতকের বিপদচিহ্ন বিষয়ক সভা

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০২২
জামালপুরে নবজাতকের বিপদচিহ্ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: নবজাতকের মৃত্যুঝুঁকি হ্রাসে করণীয়, বিপদচিহ্ন চিহ্নিতকরণ এবং সেবাগ্রহণের মাধ্যমে শিশু মৃত্যু হ্রাসকরণের লক্ষ্যে ১৬ জুন জামালপুরে এক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ সাফি।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বীরমুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যোর মাঝে বক্তব্য রাখেন জ্যেষ্ঠ স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার বদরুল আলম, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা খলিলুর রহমান, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সাংবাদিক জাহাঙ্গীর সেলিম, জামালপুর পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর সাইদা আক্তার, হযরত শাহজামাল (রহ.) উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আছাদুজ্জামান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা আনিছুর রহমান।

স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর লাইফস্টাইল, হেলথ এডুকেশন এন্ড প্রমোশন এর আওতায় জামালপুর স্বাস্থ্য বিভাগ আয়োজিত ও প্লে ডক্টর নামে প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সভায় ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভা সূত্রে, নবজাতকের ৬টি বিপদচিহ্ন সম্পর্কে জানা যায়, মায়ের দুধ টেনে খেতে না পারা বা না চোষা, নিস্তেজ হয়ে যাওয়া, জ¦র বা শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, খিঁচুনি হওয়া, শান্ত অবস্থায় দ্রæত শ্বাস, নাভী পাকা বা লালবর্ণ ধারণ, পেট ফুলে যাওয়া বা অনবরত বমি হওয়া, চোথ ফুলে লাল হয়ে পুঁজ পড়া।

নবজাতকের কোন একটি বিপদচিহ্ন দেখা দিলে সাথে সাথে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। নবজাতকের ওজন ২ হাজার গ্রামের কম হলে সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। কোন প্রকার কবিরাজ, গ্রাম ডাক্তার বা ঝাড়, ফোকের আশ্রয় নিলে শিশুর মৃত্য ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে এবং মৃত্যুও হতে পারে।