ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশের জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে : ইকবাল হাসান মাহমুদ অনিরাপদ খাদ্যের স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে ভারতীয় কসমেটিক পণ্য উদ্ধার ইসলামপুরে বৃদ্ধ দম্পত্তি চায় নিরাপদ ঘর, দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা ইসলামপুরে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দু’জনের মৃত্যু হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের বকশীগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক হলেন সাঈদ ঝর্নায় জ্বালানি তেল না আসায় ভোগান্তিতে ইসলামপুরবাসী আওনা ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত সৌদি আরবে বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু, মদিনায় দাফন

ফেসবুকের কল্যাণে শেরপুরে রক্ষা পেল বাগডাশ

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে শেরপুরের নকলায় বিপন্ন প্রজাতির একটি বড় বাগডাশ উদ্ধার হয়েছে। আজ শনিবার (২ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার নকলা ইউপির দক্ষিণ নকলা গ্রাম থেকে জেলা বন্যপ্রাণী ব্যস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের লোকজন ওই প্রাণীটি তাদের হেফাজতে নেয়।

স্থানীয়রা বলছে, দক্ষিণ নকলা গ্রামের মৃত. সুরুজ্জামানের ছেলে ফিরোজ মিয়ার বাড়িতে শুক্রবার মাঝরাতে খাবারের সন্ধানে বাগডাশটি প্রবেশ করে। পরে এলাকাবাসী বাগডাশটি আটক করে শিকলবন্ধী করে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। এ ঘটনা আজ শনিবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ওই প্রাণীটির শিকলবন্ধী ছবি অনেকেই পোষ্ট করেন। বিষয়টি মুহুর্তের মধ্যে সুশীল সমাজের নজরে আসে। পরে তারা এমন তথ্য স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্যপ্রাণী ব্যস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের নজরে আনে।

বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মুঞ্জুরুল আলম জানান, বিষয়টি জেনে দ্রæত সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত প্রাণীটির নাম বড় বাগডাশ। তিনি বলেন, এরা ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও ছোট ছোট প্রাণী খেয়ে জীবন ধারন করে। এছাড়া ওই প্রাণীটি মানুষের তেমন কোনো ক্ষতি করে না।

রেঞ্জ কর্মকর্তা মুঞ্জুরুল আলম আরও বলেন, ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।

নকলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইসহাক আলী জানান, বিপন্ন প্রজাতির এ বন্যপ্রাণীটির বসবাস গভীর জঙ্গলে। বর্তমানে বনজঙ্গল কমে যাওয়ায় তাদের খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে। তাই খাদ্যের সন্ধানে প্রাণীটি লোকালয়ে হানা দিয়েছে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিপন্নপ্রায় বাগডাশ সংরক্ষণে সুনজর রাখতে সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ফেসবুকের কল্যাণে শেরপুরে রক্ষা পেল বাগডাশ

আপডেট সময় ১১:১১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ এপ্রিল ২০২২

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে শেরপুরের নকলায় বিপন্ন প্রজাতির একটি বড় বাগডাশ উদ্ধার হয়েছে। আজ শনিবার (২ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার নকলা ইউপির দক্ষিণ নকলা গ্রাম থেকে জেলা বন্যপ্রাণী ব্যস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের লোকজন ওই প্রাণীটি তাদের হেফাজতে নেয়।

স্থানীয়রা বলছে, দক্ষিণ নকলা গ্রামের মৃত. সুরুজ্জামানের ছেলে ফিরোজ মিয়ার বাড়িতে শুক্রবার মাঝরাতে খাবারের সন্ধানে বাগডাশটি প্রবেশ করে। পরে এলাকাবাসী বাগডাশটি আটক করে শিকলবন্ধী করে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। এ ঘটনা আজ শনিবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ওই প্রাণীটির শিকলবন্ধী ছবি অনেকেই পোষ্ট করেন। বিষয়টি মুহুর্তের মধ্যে সুশীল সমাজের নজরে আসে। পরে তারা এমন তথ্য স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্যপ্রাণী ব্যস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের নজরে আনে।

বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মুঞ্জুরুল আলম জানান, বিষয়টি জেনে দ্রæত সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত প্রাণীটির নাম বড় বাগডাশ। তিনি বলেন, এরা ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও ছোট ছোট প্রাণী খেয়ে জীবন ধারন করে। এছাড়া ওই প্রাণীটি মানুষের তেমন কোনো ক্ষতি করে না।

রেঞ্জ কর্মকর্তা মুঞ্জুরুল আলম আরও বলেন, ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।

নকলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইসহাক আলী জানান, বিপন্ন প্রজাতির এ বন্যপ্রাণীটির বসবাস গভীর জঙ্গলে। বর্তমানে বনজঙ্গল কমে যাওয়ায় তাদের খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে। তাই খাদ্যের সন্ধানে প্রাণীটি লোকালয়ে হানা দিয়েছে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিপন্নপ্রায় বাগডাশ সংরক্ষণে সুনজর রাখতে সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহাম্মেদ।