ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গলায় লিচুর বিচি আটকে শিশুর মৃত্যু জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

দেওয়ানগঞ্জে ১০ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ জিঞ্জিরাম নদীর ওপর ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হচ্ছে গ্রামবাসী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ জিঞ্জিরাম নদীর ওপর ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হচ্ছে গ্রামবাসী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বিল্লাল হোসেন মন্ডল, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ১০ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। উপজেলার চরআমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ গ্রাম নামক স্থানে জিঞ্জিরাম নদী পারাপারে এখনও একমাত্র ভরসা নৌকা। প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। এছাড়াও ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরেরচর কুমারেরচর বাঘারচর মুকিরচর গ্রামের জনসাধারণ পারাপার হয়ে আসছে।

৭ অক্টোবর সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা সদর থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে চরআমখাওয়া ও ডাংধরা দুই ইউনিয়নের নবীনাবাদ গ্রাম, কবিরপুর, সিলেটপাড়া, মাদারচর, চেংটিমারী, চরমাদার, হরিপুর, মাস্টারপাড়া, গোয়ালকান্দা, দুই ইউনিয়নের ১০ গ্রামের আনুমানিক ২৫ হাজার মানুষের নৌকাই একমাত্র ভরসা। যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিক যুগে এসেও স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও ছোট জিঞ্জিরাম নদীর ওপর দিয়ে পারাপারের জন্য দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ নামক স্থানে নদীর ওপর আজও কোন সেতু হয়নি। যানবাহন চলাচলের সরাসরি কোন পথ না থাকায় স্থানীয় কৃষকরা, তাদের উৎপাদিত ধানসহ কৃষিপণ্য সামগ্রী সহজভাবে বাজারজাত করতে না পারায় ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কৃষক মান্নান ও হাকিম জানান, ৫ মণ ধান বাজারে আনতে গাড়ি ও নৌকা ভাড়া ১৭০ টাকা লাগে। অথচ সেতু হলে খরচ হবে ২০/৩০ টাকা।

একজন প্রবীণ সমাজসেবক ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার সরকার বলেন, স্বাধীনতার পূর্ব থেকে এখানে নৌ- খেয়া ঘাট চলছে এবং নিশ্চিত ১০০ বছর পার হয়েছে।

এ ব্যাপারে সানন্দবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শরীর চর্চা শিক্ষক আশরাফ হোসেন বলেন, আমরা যুগ যুগ ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হয়ে আসছি। বছরের পর বছর কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্যসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ খেয়াঘাট নামক স্থানে একটি সেতু নির্মাণের।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী তোফায়েল আহম্মেদ জানান, আমি যোগদান করেছি, ওই জায়গায় যে রাস্তাটি আছে সেটির আইডি নম্বর আছে কিনা দেখতে হবে এবং ওই জায়গাটি সম্পর্কে যে ভালো বলতে পারবে, এমন একজন ব্যক্তি কার্যালয়ে আসলে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গলায় লিচুর বিচি আটকে শিশুর মৃত্যু

দেওয়ানগঞ্জে ১০ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা

আপডেট সময় ০৫:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ জিঞ্জিরাম নদীর ওপর ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হচ্ছে গ্রামবাসী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বিল্লাল হোসেন মন্ডল, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ১০ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। উপজেলার চরআমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ গ্রাম নামক স্থানে জিঞ্জিরাম নদী পারাপারে এখনও একমাত্র ভরসা নৌকা। প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। এছাড়াও ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরেরচর কুমারেরচর বাঘারচর মুকিরচর গ্রামের জনসাধারণ পারাপার হয়ে আসছে।

৭ অক্টোবর সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা সদর থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে চরআমখাওয়া ও ডাংধরা দুই ইউনিয়নের নবীনাবাদ গ্রাম, কবিরপুর, সিলেটপাড়া, মাদারচর, চেংটিমারী, চরমাদার, হরিপুর, মাস্টারপাড়া, গোয়ালকান্দা, দুই ইউনিয়নের ১০ গ্রামের আনুমানিক ২৫ হাজার মানুষের নৌকাই একমাত্র ভরসা। যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিক যুগে এসেও স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও ছোট জিঞ্জিরাম নদীর ওপর দিয়ে পারাপারের জন্য দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ নামক স্থানে নদীর ওপর আজও কোন সেতু হয়নি। যানবাহন চলাচলের সরাসরি কোন পথ না থাকায় স্থানীয় কৃষকরা, তাদের উৎপাদিত ধানসহ কৃষিপণ্য সামগ্রী সহজভাবে বাজারজাত করতে না পারায় ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কৃষক মান্নান ও হাকিম জানান, ৫ মণ ধান বাজারে আনতে গাড়ি ও নৌকা ভাড়া ১৭০ টাকা লাগে। অথচ সেতু হলে খরচ হবে ২০/৩০ টাকা।

একজন প্রবীণ সমাজসেবক ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার সরকার বলেন, স্বাধীনতার পূর্ব থেকে এখানে নৌ- খেয়া ঘাট চলছে এবং নিশ্চিত ১০০ বছর পার হয়েছে।

এ ব্যাপারে সানন্দবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শরীর চর্চা শিক্ষক আশরাফ হোসেন বলেন, আমরা যুগ যুগ ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হয়ে আসছি। বছরের পর বছর কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্যসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ খেয়াঘাট নামক স্থানে একটি সেতু নির্মাণের।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী তোফায়েল আহম্মেদ জানান, আমি যোগদান করেছি, ওই জায়গায় যে রাস্তাটি আছে সেটির আইডি নম্বর আছে কিনা দেখতে হবে এবং ওই জায়গাটি সম্পর্কে যে ভালো বলতে পারবে, এমন একজন ব্যক্তি কার্যালয়ে আসলে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।