ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মূলধারার গণমাধ্যমের পেশা চর্চায় অনৈতিক বাধা মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ : তথ্যমন্ত্রী মাদারগঞ্জে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী : জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যােগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী সন্ত্রাসমুক্ত হবে জঙ্গল সলিমপুর, এখনই কাউকে উচ্ছেদ করা হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিঞ্জিরাম নদে শিশু নিখোঁজ ব্রহ্মপুত্র নদে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার নরুন্দিতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে যুবক নিহত

দেওয়ানগঞ্জে ১০ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ জিঞ্জিরাম নদীর ওপর ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হচ্ছে গ্রামবাসী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ জিঞ্জিরাম নদীর ওপর ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হচ্ছে গ্রামবাসী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বিল্লাল হোসেন মন্ডল, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ১০ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। উপজেলার চরআমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ গ্রাম নামক স্থানে জিঞ্জিরাম নদী পারাপারে এখনও একমাত্র ভরসা নৌকা। প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। এছাড়াও ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরেরচর কুমারেরচর বাঘারচর মুকিরচর গ্রামের জনসাধারণ পারাপার হয়ে আসছে।

৭ অক্টোবর সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা সদর থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে চরআমখাওয়া ও ডাংধরা দুই ইউনিয়নের নবীনাবাদ গ্রাম, কবিরপুর, সিলেটপাড়া, মাদারচর, চেংটিমারী, চরমাদার, হরিপুর, মাস্টারপাড়া, গোয়ালকান্দা, দুই ইউনিয়নের ১০ গ্রামের আনুমানিক ২৫ হাজার মানুষের নৌকাই একমাত্র ভরসা। যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিক যুগে এসেও স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও ছোট জিঞ্জিরাম নদীর ওপর দিয়ে পারাপারের জন্য দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ নামক স্থানে নদীর ওপর আজও কোন সেতু হয়নি। যানবাহন চলাচলের সরাসরি কোন পথ না থাকায় স্থানীয় কৃষকরা, তাদের উৎপাদিত ধানসহ কৃষিপণ্য সামগ্রী সহজভাবে বাজারজাত করতে না পারায় ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কৃষক মান্নান ও হাকিম জানান, ৫ মণ ধান বাজারে আনতে গাড়ি ও নৌকা ভাড়া ১৭০ টাকা লাগে। অথচ সেতু হলে খরচ হবে ২০/৩০ টাকা।

একজন প্রবীণ সমাজসেবক ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার সরকার বলেন, স্বাধীনতার পূর্ব থেকে এখানে নৌ- খেয়া ঘাট চলছে এবং নিশ্চিত ১০০ বছর পার হয়েছে।

এ ব্যাপারে সানন্দবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শরীর চর্চা শিক্ষক আশরাফ হোসেন বলেন, আমরা যুগ যুগ ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হয়ে আসছি। বছরের পর বছর কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্যসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ খেয়াঘাট নামক স্থানে একটি সেতু নির্মাণের।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী তোফায়েল আহম্মেদ জানান, আমি যোগদান করেছি, ওই জায়গায় যে রাস্তাটি আছে সেটির আইডি নম্বর আছে কিনা দেখতে হবে এবং ওই জায়গাটি সম্পর্কে যে ভালো বলতে পারবে, এমন একজন ব্যক্তি কার্যালয়ে আসলে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

আপলোডকারীর তথ্য

মূলধারার গণমাধ্যমের পেশা চর্চায় অনৈতিক বাধা মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ : তথ্যমন্ত্রী

দেওয়ানগঞ্জে ১০ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা

আপডেট সময় ০৫:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অক্টোবর ২০২১
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ জিঞ্জিরাম নদীর ওপর ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হচ্ছে গ্রামবাসী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বিল্লাল হোসেন মন্ডল, দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ১০ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। উপজেলার চরআমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ গ্রাম নামক স্থানে জিঞ্জিরাম নদী পারাপারে এখনও একমাত্র ভরসা নৌকা। প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। এছাড়াও ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরেরচর কুমারেরচর বাঘারচর মুকিরচর গ্রামের জনসাধারণ পারাপার হয়ে আসছে।

৭ অক্টোবর সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা সদর থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে চরআমখাওয়া ও ডাংধরা দুই ইউনিয়নের নবীনাবাদ গ্রাম, কবিরপুর, সিলেটপাড়া, মাদারচর, চেংটিমারী, চরমাদার, হরিপুর, মাস্টারপাড়া, গোয়ালকান্দা, দুই ইউনিয়নের ১০ গ্রামের আনুমানিক ২৫ হাজার মানুষের নৌকাই একমাত্র ভরসা। যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিক যুগে এসেও স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও ছোট জিঞ্জিরাম নদীর ওপর দিয়ে পারাপারের জন্য দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ নামক স্থানে নদীর ওপর আজও কোন সেতু হয়নি। যানবাহন চলাচলের সরাসরি কোন পথ না থাকায় স্থানীয় কৃষকরা, তাদের উৎপাদিত ধানসহ কৃষিপণ্য সামগ্রী সহজভাবে বাজারজাত করতে না পারায় ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কৃষক মান্নান ও হাকিম জানান, ৫ মণ ধান বাজারে আনতে গাড়ি ও নৌকা ভাড়া ১৭০ টাকা লাগে। অথচ সেতু হলে খরচ হবে ২০/৩০ টাকা।

একজন প্রবীণ সমাজসেবক ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার সরকার বলেন, স্বাধীনতার পূর্ব থেকে এখানে নৌ- খেয়া ঘাট চলছে এবং নিশ্চিত ১০০ বছর পার হয়েছে।

এ ব্যাপারে সানন্দবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শরীর চর্চা শিক্ষক আশরাফ হোসেন বলেন, আমরা যুগ যুগ ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হয়ে আসছি। বছরের পর বছর কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্যসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি সানন্দবাড়ী নবীনাবাদ খেয়াঘাট নামক স্থানে একটি সেতু নির্মাণের।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী তোফায়েল আহম্মেদ জানান, আমি যোগদান করেছি, ওই জায়গায় যে রাস্তাটি আছে সেটির আইডি নম্বর আছে কিনা দেখতে হবে এবং ওই জায়গাটি সম্পর্কে যে ভালো বলতে পারবে, এমন একজন ব্যক্তি কার্যালয়ে আসলে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।