ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শেরপুর ও শ্রীবরদীতে নৌকার জয়

গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুর ও শ্রীবরদী পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী যথাক্রমে গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন ও মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২৯ হাজার ৬৩৬ ভোট পান লিটন। অন্যদিকে ৬ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া।

১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচন কোন অপ্রতিকর ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়। ভোট গ্রহণ চলে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এরপরই গণনা শুরু হয় ।

নির্বাচনী মাঠ সুশৃংখল রাখতে শেরপুর পৌরসভায় ৩৫টি ভোট কেন্দ্রের জন্য র‌্যাবের তিনটি টিম, তিন প্লাটুন বিজিবি, পর্যাপ্ত পুলিশ, ৯ জন নির্বাহী হাকিম ও একজন বিচারিক হাকিম দায়িত্ব পালন করেন।

মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া

অপরদিকে শ্রীবরদী পৌরসভায় ৯টি ভোট কেন্দ্রে ২৪ জন র‌্যাব, দুই প্লাটুন বিজিবি, ৯ জন নির্বাহী হাকিম ও একজন বিচারিক হাকিম দায়িত্বে ছিলেন।

প্রসঙ্গত, শেরপুর পৌরসভায় ৭ জন মেয়র, ৪৯ জন কাউন্সিলর ও ১৮ জন প্রার্থী সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আর শ্রীবরদী পৌরসভায় ৪ জন মেয়র, ৩২ জন কাউন্সিলর ও ১৬ জন প্রার্থী সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

শেরপুর পৌরসভায় মোট ভোটার ৭৫ হাজার ৭৩৮ জন এবং শ্রীবরদী পৌরসভায় মোট ২০ হাজার ৯০৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামালপুরে জামায়াতের গণমিছিল

শেরপুর ও শ্রীবরদীতে নৌকার জয়

আপডেট সময় ১০:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১
গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুর ও শ্রীবরদী পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী যথাক্রমে গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন ও মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২৯ হাজার ৬৩৬ ভোট পান লিটন। অন্যদিকে ৬ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া।

১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচন কোন অপ্রতিকর ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়। ভোট গ্রহণ চলে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এরপরই গণনা শুরু হয় ।

নির্বাচনী মাঠ সুশৃংখল রাখতে শেরপুর পৌরসভায় ৩৫টি ভোট কেন্দ্রের জন্য র‌্যাবের তিনটি টিম, তিন প্লাটুন বিজিবি, পর্যাপ্ত পুলিশ, ৯ জন নির্বাহী হাকিম ও একজন বিচারিক হাকিম দায়িত্ব পালন করেন।

মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া

অপরদিকে শ্রীবরদী পৌরসভায় ৯টি ভোট কেন্দ্রে ২৪ জন র‌্যাব, দুই প্লাটুন বিজিবি, ৯ জন নির্বাহী হাকিম ও একজন বিচারিক হাকিম দায়িত্বে ছিলেন।

প্রসঙ্গত, শেরপুর পৌরসভায় ৭ জন মেয়র, ৪৯ জন কাউন্সিলর ও ১৮ জন প্রার্থী সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আর শ্রীবরদী পৌরসভায় ৪ জন মেয়র, ৩২ জন কাউন্সিলর ও ১৬ জন প্রার্থী সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

শেরপুর পৌরসভায় মোট ভোটার ৭৫ হাজার ৭৩৮ জন এবং শ্রীবরদী পৌরসভায় মোট ২০ হাজার ৯০৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।