ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উৎসবমুখর পরিবেশে দ্বিধাহীন চিত্তে ভোট দিন : দেশবাসীর প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান নির্বাচনে মাঠে থাকছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য : ইসি সানাউল্লাহ নির্বাচিত হলে বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে : এমপি প্রার্থী ওয়ারেছ আলী মামুন দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ের লক্ষ্যে জামালপুরে নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত জামালপুরে যৌথবাহিনীর মহড়া নানান প্রতশ্রুতিতে চর আর বীরের ভোটারদের শেষ মুহূর্তে মন জয়ে মরিয়া প্রার্থীরা শেরপুর-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা ও স্বতন্ত্র, শেরপুর-২ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই যমুনা সারকারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু নেতা হওয়ার জন্য আসি নাই, এসেছি সেবক হতে : জামায়াত নেতা কিবরিয়া বিএনপির সমপর্যায়ে কোন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নেই : ওয়ারেছ আলী মামুন

স্বামীর মৃত্যুর ৪ ঘন্টা পর স্ত্রীও মারা গেলেন

স্বামী-স্ত্রীর লাশ বাড়ির আঙিনায় রাখা হলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিহত রফিকুর রহমান

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

করোনা আক্রান্ত স্বামীর মৃত্যুর ৪ ঘন্টা পর স্ত্রীও মারা গেলেন। শেরপুর শহরের মাধবপুর এলাকায় ৯ ডিসেম্বর মর্মান্তিক এমন ঘটনা ঘটে। কিডনী ও শ্বাসকষ্ট জটিলতায় গত ২৮ নভেম্বর রাজধানী ঢাকার কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি হন ব্যবসায়ী রফিকুর রহমান (৬৩)। সেখানে তিনি করোনা শনাক্ত হলে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে তাকে ভর্তি করা হয়। পরে ৯ ডিসেম্বর ভোর ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়। এনিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১২ জনের মৃত্যু হল।

এদিকে শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় গত ৪ দিন ধরে রফিকুর রহমানের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন (৫২) শেরপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ৮ ডিসেম্বর করোনা পরীক্ষার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ৯ ডিসেম্বর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সকাল ১০টার দিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে স্থানান্তরের জন্য তাকে অ্যাম্বুলেন্সে উঠানো হয়। এসময় স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ তাকে জানানো না হলেও অ্যাম্বুলেন্সে উঠানোর পরই তার মৃত্যু হয়।

স্বামী-স্ত্রীর লাশ বাড়ির আঙিনায় রাখা হলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

এক ছেলে এক মেয়ের জনক রফিকুর-আম্বিয়া দম্পতির মৃত্যুতে শহরজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর লাশ বাড়ির আঙিনায় রাখা হলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। দুই সন্তান, পরিবারের সদস্য, শুভাকাংখীদের কান্না আর আহাজারীতে সেখানকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

রফিকুর রহমান ছিলেন শেরপুরের সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক প্রয়াত পন্ডিত ফসিহুর রহমানের দ্বিতীয় ছেলে এবং শেরপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শরিফুর রহমানের বড় ভাই।

তাদের মৃত্যুতে হুইপ আতিউর রহমান আতিক এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীল রুমান, পৌর মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, শেরপুর প্রেসক্লাবের সকল সদস্য, সাংবাদিক বিপ্লবী রবি নিয়োগী সভাকক্ষ পরিচালনা পর্ষদ, শেরপুর টাইমস পরিবার, শেরপুর ইয়্যুথ রিপোর্টার্স ক্লাব গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

৯ ডিসেম্বর রাত ৮টায় শেরপুর শহরের তেরা বাজার জামিয়া সিদ্দিকীয়া মাদরাসা মাঠ নামাজে জানাযা শেষে চাপাতলি পৌর কবরস্থানে দু’জনের লাশ দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে তাদের পরিবারের সদস্যরা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উৎসবমুখর পরিবেশে দ্বিধাহীন চিত্তে ভোট দিন : দেশবাসীর প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

স্বামীর মৃত্যুর ৪ ঘন্টা পর স্ত্রীও মারা গেলেন

আপডেট সময় ০৬:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০
নিহত রফিকুর রহমান

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

করোনা আক্রান্ত স্বামীর মৃত্যুর ৪ ঘন্টা পর স্ত্রীও মারা গেলেন। শেরপুর শহরের মাধবপুর এলাকায় ৯ ডিসেম্বর মর্মান্তিক এমন ঘটনা ঘটে। কিডনী ও শ্বাসকষ্ট জটিলতায় গত ২৮ নভেম্বর রাজধানী ঢাকার কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি হন ব্যবসায়ী রফিকুর রহমান (৬৩)। সেখানে তিনি করোনা শনাক্ত হলে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে তাকে ভর্তি করা হয়। পরে ৯ ডিসেম্বর ভোর ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়। এনিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১২ জনের মৃত্যু হল।

এদিকে শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় গত ৪ দিন ধরে রফিকুর রহমানের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন (৫২) শেরপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ৮ ডিসেম্বর করোনা পরীক্ষার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ৯ ডিসেম্বর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সকাল ১০টার দিকে জেলা হাসপাতাল থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে স্থানান্তরের জন্য তাকে অ্যাম্বুলেন্সে উঠানো হয়। এসময় স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ তাকে জানানো না হলেও অ্যাম্বুলেন্সে উঠানোর পরই তার মৃত্যু হয়।

স্বামী-স্ত্রীর লাশ বাড়ির আঙিনায় রাখা হলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

এক ছেলে এক মেয়ের জনক রফিকুর-আম্বিয়া দম্পতির মৃত্যুতে শহরজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর লাশ বাড়ির আঙিনায় রাখা হলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। দুই সন্তান, পরিবারের সদস্য, শুভাকাংখীদের কান্না আর আহাজারীতে সেখানকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

রফিকুর রহমান ছিলেন শেরপুরের সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক প্রয়াত পন্ডিত ফসিহুর রহমানের দ্বিতীয় ছেলে এবং শেরপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শরিফুর রহমানের বড় ভাই।

তাদের মৃত্যুতে হুইপ আতিউর রহমান আতিক এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীল রুমান, পৌর মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, শেরপুর প্রেসক্লাবের সকল সদস্য, সাংবাদিক বিপ্লবী রবি নিয়োগী সভাকক্ষ পরিচালনা পর্ষদ, শেরপুর টাইমস পরিবার, শেরপুর ইয়্যুথ রিপোর্টার্স ক্লাব গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

৯ ডিসেম্বর রাত ৮টায় শেরপুর শহরের তেরা বাজার জামিয়া সিদ্দিকীয়া মাদরাসা মাঠ নামাজে জানাযা শেষে চাপাতলি পৌর কবরস্থানে দু’জনের লাশ দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে তাদের পরিবারের সদস্যরা।