ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

শরিফপুরে মসজিদ কমিটির দ্বন্দ্বে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে মসজিদ কমিটির দ্বন্দ্বের জেরে মুক্তার হোসেন মুক্তা (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও শাবল দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ৩ আগস্ট বিকেলে জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের কপালীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, শরিফপুর ইউনিয়নের কপালীপাড়া জামে মসজিদ পরিচালনার পুরাতন কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের দাবি উঠলেও কমিটির বর্তমান সভাপতি আব্দুল মজিদ আকন্দ কমিটি গঠন নিয়ে সময় ক্ষেপণ করছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। ৩ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে কপালীপাড়া গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল ঝগড়া বাঁধে। ঝগড়ার একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজনরা মুক্তার হোসেন মুক্তা নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে এবং শাবল দিয়ে ঘাই মারলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

মুক্তার হোসেন স্থানীয় মো. ফরহাদ আলীর ছেলে এবং তিনি জামালপুর শহরের একটি ওষুধের দোকানের কর্মচারী ছিলেন। খবর পেয়ে জামালপুর সদর থানা পুলিশ মুক্তার হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় ওই গ্রামে বিবাদমান দুটি পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংঘর্ষ এড়াতে ওই গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেমুজ্জামান এ প্রতিবেদককে জানান, মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহত মুক্তার হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে মামলা দায়ের করে এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

শরিফপুরে মসজিদ কমিটির দ্বন্দ্বে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৯:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২০
প্রতীকী ছবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে মসজিদ কমিটির দ্বন্দ্বের জেরে মুক্তার হোসেন মুক্তা (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও শাবল দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ৩ আগস্ট বিকেলে জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের কপালীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, শরিফপুর ইউনিয়নের কপালীপাড়া জামে মসজিদ পরিচালনার পুরাতন কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের দাবি উঠলেও কমিটির বর্তমান সভাপতি আব্দুল মজিদ আকন্দ কমিটি গঠন নিয়ে সময় ক্ষেপণ করছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। ৩ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে কপালীপাড়া গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল ঝগড়া বাঁধে। ঝগড়ার একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজনরা মুক্তার হোসেন মুক্তা নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে এবং শাবল দিয়ে ঘাই মারলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

মুক্তার হোসেন স্থানীয় মো. ফরহাদ আলীর ছেলে এবং তিনি জামালপুর শহরের একটি ওষুধের দোকানের কর্মচারী ছিলেন। খবর পেয়ে জামালপুর সদর থানা পুলিশ মুক্তার হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় ওই গ্রামে বিবাদমান দুটি পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংঘর্ষ এড়াতে ওই গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেমুজ্জামান এ প্রতিবেদককে জানান, মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহত মুক্তার হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে মামলা দায়ের করে এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।