ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভিউ প্রতিযোগিতার নামে অপসাংবাদিকতা বন্ধের আহ্বান আতিকুর রহমান রুমনের মূলধারার গণমাধ্যমের পেশা চর্চায় অনৈতিক বাধা মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ : তথ্যমন্ত্রী মাদারগঞ্জে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী : জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যােগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী সন্ত্রাসমুক্ত হবে জঙ্গল সলিমপুর, এখনই কাউকে উচ্ছেদ করা হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিঞ্জিরাম নদে শিশু নিখোঁজ ব্রহ্মপুত্র নদে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার নরুন্দিতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলার ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২৫ জনের যাবজ্জীবন

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : পাবনা ঈশ্বরদী রেলওয়ে স্টেশনে তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ২৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ১৩ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

৩ জুলাই পাবনার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোস্তম আলী এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেয়র মকলেছুর রহমান বাবলু, পাবনা জেলা বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম আকতারুজ্জামান, ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু, ঈশ্বরদী পৌর যুবদলের সভাপতি মোস্তফা নূরে আলম শ্যামল, বিএনপি নেতা মাহবুবুল রহমান পলাশ, শামছুল আলম, শহীদুল ইসলাম অটল, রেজাউল করিম শাহীন ও আশিকুর রহমান।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি পিপি আকতারুজ্জামান মুক্তা বলেন, ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাবার পথে ঈশ্বরদী স্টেশনে যাত্রাবিরতি কালে বিএনপির নেতাকর্মীরা ট্রেনে ও তার কামরায় গুলিবর্ষণ করে। এ ঘটনায় ওই সময়ে জিআরপি পুলিশের ওসি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৭ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুলিশ মামলাটি পুনঃতদন্ত করে। তদন্ত শেষে এ মামলায় ঈশ্বরদীর শীর্ষ স্থানীয় বিএনপি. যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ ৫২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

মামলাটি দায়ের হওয়ার পরের বছর এই মামলায় পুলিশ কোনো সাক্ষী না পেয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। কিন্তু আদালত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ না করে অধিকতর তদন্তের জন্য মামলাটি সিআইডিতে স্থানান্তর করেন। পরে সিআইডি তদন্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

এই মামলায় অভিযোগপত্র ভুক্ত আসামিদের মধ্যে চলতি বছরের ৩০ জুন আদালতে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের ৩০ জন নেতাকর্মী হাজিরা দিতে গেলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

২ জুলাই এই মামলার আরও দুই আসামী ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান ওরফে বাবলু এবং বিএনপি নেতা আব্দুল হাকিম টেনু আদালতে আত্মসমর্পন করে। অন্যদিকে পুলিশ ওইদিন রাতেই এই মামলার আরেকজন আসামিকে গ্রেফতার করে।

এই মামলায় এ পর্যন্ত ৩৩ জন আসামী জেল হাজতে রয়েছে। এছাড়া পলাতক রয়েছে ১৪ জন এবং মারা গেছে ৫ জন। সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

ভিউ প্রতিযোগিতার নামে অপসাংবাদিকতা বন্ধের আহ্বান আতিকুর রহমান রুমনের

শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলার ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২৫ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৭:০৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : পাবনা ঈশ্বরদী রেলওয়ে স্টেশনে তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ২৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ১৩ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

৩ জুলাই পাবনার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোস্তম আলী এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেয়র মকলেছুর রহমান বাবলু, পাবনা জেলা বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম আকতারুজ্জামান, ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু, ঈশ্বরদী পৌর যুবদলের সভাপতি মোস্তফা নূরে আলম শ্যামল, বিএনপি নেতা মাহবুবুল রহমান পলাশ, শামছুল আলম, শহীদুল ইসলাম অটল, রেজাউল করিম শাহীন ও আশিকুর রহমান।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি পিপি আকতারুজ্জামান মুক্তা বলেন, ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাবার পথে ঈশ্বরদী স্টেশনে যাত্রাবিরতি কালে বিএনপির নেতাকর্মীরা ট্রেনে ও তার কামরায় গুলিবর্ষণ করে। এ ঘটনায় ওই সময়ে জিআরপি পুলিশের ওসি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৭ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুলিশ মামলাটি পুনঃতদন্ত করে। তদন্ত শেষে এ মামলায় ঈশ্বরদীর শীর্ষ স্থানীয় বিএনপি. যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ ৫২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

মামলাটি দায়ের হওয়ার পরের বছর এই মামলায় পুলিশ কোনো সাক্ষী না পেয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। কিন্তু আদালত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ না করে অধিকতর তদন্তের জন্য মামলাটি সিআইডিতে স্থানান্তর করেন। পরে সিআইডি তদন্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

এই মামলায় অভিযোগপত্র ভুক্ত আসামিদের মধ্যে চলতি বছরের ৩০ জুন আদালতে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের ৩০ জন নেতাকর্মী হাজিরা দিতে গেলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

২ জুলাই এই মামলার আরও দুই আসামী ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান ওরফে বাবলু এবং বিএনপি নেতা আব্দুল হাকিম টেনু আদালতে আত্মসমর্পন করে। অন্যদিকে পুলিশ ওইদিন রাতেই এই মামলার আরেকজন আসামিকে গ্রেফতার করে।

এই মামলায় এ পর্যন্ত ৩৩ জন আসামী জেল হাজতে রয়েছে। এছাড়া পলাতক রয়েছে ১৪ জন এবং মারা গেছে ৫ জন। সূত্র : বাসস