ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ১১ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাজনীতি ভোগের জন্য নয়, এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী নিখোঁজ শিশু সাদের সন্ধানের দাবিতে মানববন্ধন বকশীগঞ্জে বসতঘর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই : শামা নকলায় চলন্ত বাসে যাত্রী তোলা নিয়ে মারামারি, পথচারী নিহত যৌতুক : স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

সড়ক দুর্ঘটনায় ইসলামপুরের উপসহকারী প্রকৌশলী নিহত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখী সংঘর্ষে এলজিইডির ইসলামপুর উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশিদ (৬০) নিহত হয়েছেন। ২৬ মে সন্ধ্যায় জামালপুর-ইসলামপুর সড়কের মেলান্দহের বুরুঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশিদ ২৬ মে সন্ধ্যায় তার কর্মস্থল ইসলামপুর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে মোটরসাইকেলে জামালপুর শহরে নয়াপাড়ার বাসায় ফিরছিলেন। পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জামালপুর-ইসলামপুর সড়কের মেলান্দহের বুরুঙ্গা এলাকায় তিনযাত্রীবহনকারী দ্রুতগামী একটি মোটরসাইকেলের সাথে সংঘর্ষে হারুন অর রশিদ গুরুতর আহত হন। সংঘর্ষে অন্য মোটরসাইকেলের যাত্রী তিন যুবকও গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে জামালপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আল্লামা ইকবাল আহতদের মধ্যে হারুন অর রশিদকে মৃত ঘোষণা করেন।

গুরুতর আহত তিন যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দি গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে আব্দুল্লাহ (২০), জামাল উদ্দিনের ছেলে সৌরভ (১৮) এবং মো. মঞ্জুর ছেলে হৃদয় (১৯)।

এদিকে একজন প্রকৌশলীর মৃত্যুর কথা শুনে জামালপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হাসপাতালে ছুটে যান। তারা কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করেন। নিহত উপসহকারী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ গত ফেব্রুয়ারি মাসে চাকরি থেকে অবসরকালীন ছুটিতে থাকলেও নিয়মিত অফিসে যেতেন। তিনি জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার পাটাদহ গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল ইসলাম খান এ দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মোটরসাইকেল দুটি জব্দ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কেউ থানায় অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে মামলা দায়ের করা হবে।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সড়ক দুর্ঘটনায় ইসলামপুরের উপসহকারী প্রকৌশলী নিহত

আপডেট সময় ১০:০৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০১৯

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখী সংঘর্ষে এলজিইডির ইসলামপুর উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশিদ (৬০) নিহত হয়েছেন। ২৬ মে সন্ধ্যায় জামালপুর-ইসলামপুর সড়কের মেলান্দহের বুরুঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশিদ ২৬ মে সন্ধ্যায় তার কর্মস্থল ইসলামপুর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে মোটরসাইকেলে জামালপুর শহরে নয়াপাড়ার বাসায় ফিরছিলেন। পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জামালপুর-ইসলামপুর সড়কের মেলান্দহের বুরুঙ্গা এলাকায় তিনযাত্রীবহনকারী দ্রুতগামী একটি মোটরসাইকেলের সাথে সংঘর্ষে হারুন অর রশিদ গুরুতর আহত হন। সংঘর্ষে অন্য মোটরসাইকেলের যাত্রী তিন যুবকও গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে জামালপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আল্লামা ইকবাল আহতদের মধ্যে হারুন অর রশিদকে মৃত ঘোষণা করেন।

গুরুতর আহত তিন যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দি গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে আব্দুল্লাহ (২০), জামাল উদ্দিনের ছেলে সৌরভ (১৮) এবং মো. মঞ্জুর ছেলে হৃদয় (১৯)।

এদিকে একজন প্রকৌশলীর মৃত্যুর কথা শুনে জামালপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হাসপাতালে ছুটে যান। তারা কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করেন। নিহত উপসহকারী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ গত ফেব্রুয়ারি মাসে চাকরি থেকে অবসরকালীন ছুটিতে থাকলেও নিয়মিত অফিসে যেতেন। তিনি জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার পাটাদহ গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল ইসলাম খান এ দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মোটরসাইকেল দুটি জব্দ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কেউ থানায় অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে মামলা দায়ের করা হবে।’