ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

আলহাজ জুটমিল শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে স্মারকলিপি

আলহাজ জুট মিল চালুর দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

আলহাজ জুট মিল চালুর দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী ॥
জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌর এলাকার অর্ধশত বছরের প্রাচীন আলহাজ জুটমিল বন্ধের দ্বিতীয় দিনেও শ্রমিক বিক্ষোভ হয়েছে। মিলটি পুনরায় চালু ও শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে ২২ জুলাই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সহস্রাধিক শ্রমিক মিলের ফটক থেকে পৌরসভার প্রধান কয়েকটি সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে।

পরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মোড়ে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক শ্রমিকলীগ ও আলহাজ জুটমিল সিবিএ’র সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুলহাস উদ্দিন, সহসভাপতি সোহেল রানা, কার্যকরী সদস্য বিপ্লব মিয়া প্রমুখ।

প্রতিবাদ সভা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

সিবিএ’র সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান জানান, ‘শ্রম আইন লঙ্ঘন করে কর্তৃপক্ষ পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বকেয়া পরিশোধ ও নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করেই মিলটি বন্ধ করেছে। অথচ শ্রমিক-কর্মচারীদের এখনো প্রায় ৭০ লাখ টাকা বকেয়া। মিলের ওপর নির্ভরশীল শ্রমিক-কর্মচারীরা এখন হতাশ। আগামী সাতদিনের মধ্যে মিল চালু ও বকেয়া পরিশোধের দাবিতে বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। দাবি আদায় না হলে পর্যন্ত প্রতিদিন আন্দোলন কর্মসূচি চলবে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে সিবিএ’র পক্ষ থেকে স্মারকলিপির একটি অনুলিপি পেয়েছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের নজরদারী রয়েছে।’

উল্লেখ্য, প্রায় ৮০ কোটি টাকা লোকসান ও ১৫ কোটি টাকা ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ২০ জুলাই মধ্যরাতে আলহাজ জুট মিল বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়। পৌরসভার মাইজবাড়ি-দিয়ারকৃষ্ণাই এলাকায় ১৯৬৭ সালে মিলটি স্থাপনের শুরু থেকেই দৈনিক গড়ে প্রায় ১৫ মে. টন বস্তা, ব্যাগ ও কার্পেটের সুতা প্রস্তুত করা হতো। কর্মরত ছিল প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী।

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

আলহাজ জুটমিল শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের দাবিতে স্মারকলিপি

আপডেট সময় ০৮:২০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮
আলহাজ জুট মিল চালুর দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী ॥
জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌর এলাকার অর্ধশত বছরের প্রাচীন আলহাজ জুটমিল বন্ধের দ্বিতীয় দিনেও শ্রমিক বিক্ষোভ হয়েছে। মিলটি পুনরায় চালু ও শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে ২২ জুলাই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সহস্রাধিক শ্রমিক মিলের ফটক থেকে পৌরসভার প্রধান কয়েকটি সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে।

পরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মোড়ে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক শ্রমিকলীগ ও আলহাজ জুটমিল সিবিএ’র সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুলহাস উদ্দিন, সহসভাপতি সোহেল রানা, কার্যকরী সদস্য বিপ্লব মিয়া প্রমুখ।

প্রতিবাদ সভা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

সিবিএ’র সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান জানান, ‘শ্রম আইন লঙ্ঘন করে কর্তৃপক্ষ পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বকেয়া পরিশোধ ও নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করেই মিলটি বন্ধ করেছে। অথচ শ্রমিক-কর্মচারীদের এখনো প্রায় ৭০ লাখ টাকা বকেয়া। মিলের ওপর নির্ভরশীল শ্রমিক-কর্মচারীরা এখন হতাশ। আগামী সাতদিনের মধ্যে মিল চালু ও বকেয়া পরিশোধের দাবিতে বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। দাবি আদায় না হলে পর্যন্ত প্রতিদিন আন্দোলন কর্মসূচি চলবে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে সিবিএ’র পক্ষ থেকে স্মারকলিপির একটি অনুলিপি পেয়েছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের নজরদারী রয়েছে।’

উল্লেখ্য, প্রায় ৮০ কোটি টাকা লোকসান ও ১৫ কোটি টাকা ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ২০ জুলাই মধ্যরাতে আলহাজ জুট মিল বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়। পৌরসভার মাইজবাড়ি-দিয়ারকৃষ্ণাই এলাকায় ১৯৬৭ সালে মিলটি স্থাপনের শুরু থেকেই দৈনিক গড়ে প্রায় ১৫ মে. টন বস্তা, ব্যাগ ও কার্পেটের সুতা প্রস্তুত করা হতো। কর্মরত ছিল প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী।