ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ শান্তি-সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করুক : প্রধানমন্ত্রী সরকারি খরচায় অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮৫ মামলা নিষ্পত্তি ১৩ জেলায় স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক পদে ১৩ উপসচিবকে পদায়ন ইসলামপুরে পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলন, দামে খুশি কৃষক মাদারগঞ্জে একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত নকলায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রাব্বেনুর চৌধুরী, শুভেচ্ছা বিনিময়, আর্থিক সহায়তা প্রদান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টকারীদের বাংলাদেশে ঠাঁই নেই : মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল সরিষাবাড়ীতে পূজা মন্ডপে অসুস্থ হয়ে মন্দির কমিটির নেতার মৃত্যু নকলায় দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন, বস্ত্র ও আর্থিক সহায়তা দিলেন এমপি ফাহিম চৌধুরী

৪৮ দিন পর নির্ভয়ে রাতে ঘুমালো গাজাবাসী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের মধ্যে যুদ্ধ। দীর্ঘ সময় পর ফিলিস্তিনের গাজায় এখন চার দিনের যুদ্ধবিরতি চলছে। এরই মধ্যে চলছে বন্দি বিনিময়। গাজা উপত্যকায় হামলা বন্ধ রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ পরিপ্রেক্ষিতে ৪৮ দিন পর গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে নির্ভয়ে ঘুমাতে পেরেছে গাজাবাসী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

২৫ নভেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চল খান ইউনিসে অবস্থান করছেন আল-জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘সাময়িক যুদ্ধবিরতি কিছুটা স্বস্তি এনেছে। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ফিলিস্তিনিরা সাত সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো মৃত্যুর ভয় ছাড়া রাত কাটিয়েছে বা ঘুমিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘুমের মধ্যে ইসরায়েলি বোমার আঘাতে প্রাণ হারানোর ভয় তাদের তাড়া করে ফেরেনি।’

হানি মাহমুদ বলেন, ‘কিন্তু গাজাবাসী এখনো মনে করছে, এই যুদ্ধবিরতি পূর্ণাঙ্গ নয়। সাময়িক বিরতির পর ইসরায়েলি বাহিনী আবারো তাদের ওপর হামলা চালাবে। আমরা সেই ১৭ লাখ মানুষের কথা বলছি যারা কিনা গাজার উত্তরাঞ্চল থেকে কেন্দ্রীয় বা দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস ও রাফা শহরে চলে এসেছে। জীবন বাঁচাতে অবরুদ্ধ উপত্যকায় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছে তারা। কেউই নিজ বাড়িতে ফিরতে পারছে না।’

তিনি আরও বলেন, গাজাবাসীর মাঝে একটি হতাশা ও ক্ষোভ কাজ করছে। তাদের মনে প্রশ্ন, নিরাপদে বাড়ি ফেরার সুযোগ দেওয়ার শর্তটি কেন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে যুক্ত করা হয়নি? এ জন্য তারা হতাশ।

এদিকে, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রথম দিনে ২৫ জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। এর মধ্যে ১২ জন থাইল্যান্ডের বন্দি ছিলেন বলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন। বাকি ১৩ জন ইসরায়েলি জিম্মি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ শান্তি-সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করুক : প্রধানমন্ত্রী

৪৮ দিন পর নির্ভয়ে রাতে ঘুমালো গাজাবাসী

আপডেট সময় ০২:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের মধ্যে যুদ্ধ। দীর্ঘ সময় পর ফিলিস্তিনের গাজায় এখন চার দিনের যুদ্ধবিরতি চলছে। এরই মধ্যে চলছে বন্দি বিনিময়। গাজা উপত্যকায় হামলা বন্ধ রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ পরিপ্রেক্ষিতে ৪৮ দিন পর গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে নির্ভয়ে ঘুমাতে পেরেছে গাজাবাসী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

২৫ নভেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চল খান ইউনিসে অবস্থান করছেন আল-জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘সাময়িক যুদ্ধবিরতি কিছুটা স্বস্তি এনেছে। যুদ্ধ বিধ্বস্ত ফিলিস্তিনিরা সাত সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো মৃত্যুর ভয় ছাড়া রাত কাটিয়েছে বা ঘুমিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘুমের মধ্যে ইসরায়েলি বোমার আঘাতে প্রাণ হারানোর ভয় তাদের তাড়া করে ফেরেনি।’

হানি মাহমুদ বলেন, ‘কিন্তু গাজাবাসী এখনো মনে করছে, এই যুদ্ধবিরতি পূর্ণাঙ্গ নয়। সাময়িক বিরতির পর ইসরায়েলি বাহিনী আবারো তাদের ওপর হামলা চালাবে। আমরা সেই ১৭ লাখ মানুষের কথা বলছি যারা কিনা গাজার উত্তরাঞ্চল থেকে কেন্দ্রীয় বা দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস ও রাফা শহরে চলে এসেছে। জীবন বাঁচাতে অবরুদ্ধ উপত্যকায় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছে তারা। কেউই নিজ বাড়িতে ফিরতে পারছে না।’

তিনি আরও বলেন, গাজাবাসীর মাঝে একটি হতাশা ও ক্ষোভ কাজ করছে। তাদের মনে প্রশ্ন, নিরাপদে বাড়ি ফেরার সুযোগ দেওয়ার শর্তটি কেন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে যুক্ত করা হয়নি? এ জন্য তারা হতাশ।

এদিকে, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রথম দিনে ২৫ জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। এর মধ্যে ১২ জন থাইল্যান্ডের বন্দি ছিলেন বলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন। বাকি ১৩ জন ইসরায়েলি জিম্মি।