ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

শেরপুরে পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান : একজনকে কারাদন্ড

শেরপুর : অভিযানে উদ্ধার করা বক ও বেগুনি কালেম প্রকৃতিতে অবমুক্ত করেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

পাখি শিকার বন্ধে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুর, শেরপুর বার্ড ক্লাব এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন এর উদ্যোগে শেরপুর সদর উপজেলার ধলা ও কামারিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

অভিযান চলাকালে আটটি হালাসহ (শিকারের সরঞ্জাম) ১৪টি ফাঁদ ও শিকারী বকসহ ১২টি বক এবং ছয়টি বেগুনি কালেম উদ্ধার করা হয়। পরে বিকালে বক ও বেগুনি কালেমগুলো প্রকৃতিতে অবমুক্ত করেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

৩ নভেম্বর, মঙ্গলবার ভোর ছয়টা থেকে প্রায় চার ঘন্টা এই অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় কামারিয়া ইউনিয়নের আলীনাপাড়া গ্রামের পাখি শিকারী নেজামুলকে (৪৮) ওই গ্রাম থেকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও একশত টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডিত করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত আসামি নেজামুলকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান। এ ছাড়াও পাখির সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে এলাকাবাসীর মধ্যে লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনার সময় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন্ এর নির্বাহী পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমান মনি, স্বেচ্ছাসেবকসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশের বন্ধু এবং মানবিক জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় পাখি অন্যতম অনুসঙ্গ। তাই পরিযায়ী ও দেশীয় পাখি রক্ষায় আমাদের সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। পাখি শিকার বন্ধে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে।

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

শেরপুরে পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান : একজনকে কারাদন্ড

আপডেট সময় ০৮:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

পাখি শিকার বন্ধে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুর, শেরপুর বার্ড ক্লাব এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন এর উদ্যোগে শেরপুর সদর উপজেলার ধলা ও কামারিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

অভিযান চলাকালে আটটি হালাসহ (শিকারের সরঞ্জাম) ১৪টি ফাঁদ ও শিকারী বকসহ ১২টি বক এবং ছয়টি বেগুনি কালেম উদ্ধার করা হয়। পরে বিকালে বক ও বেগুনি কালেমগুলো প্রকৃতিতে অবমুক্ত করেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

৩ নভেম্বর, মঙ্গলবার ভোর ছয়টা থেকে প্রায় চার ঘন্টা এই অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় কামারিয়া ইউনিয়নের আলীনাপাড়া গ্রামের পাখি শিকারী নেজামুলকে (৪৮) ওই গ্রাম থেকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও একশত টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডিত করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত আসামি নেজামুলকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান। এ ছাড়াও পাখির সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে এলাকাবাসীর মধ্যে লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনার সময় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন্ এর নির্বাহী পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমান মনি, স্বেচ্ছাসেবকসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশের বন্ধু এবং মানবিক জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় পাখি অন্যতম অনুসঙ্গ। তাই পরিযায়ী ও দেশীয় পাখি রক্ষায় আমাদের সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। পাখি শিকার বন্ধে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে।