ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক : প্রধানমন্ত্রী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যােগে জামালপুরে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শেরপুরে আন্তর্জাতিক পোডিয়াট্রি দিবস পালিত প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বকশীগঞ্জে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উদযাপিত সরিষাবাড়ীতে দিনমজুর দম্পতির ৪টি ষাঁড় পুড়ে ছাই, সর্বস্বান্ত পরিবার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ইসলামপুরে সিরাজগঞ্জে ৮৫২ মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সম্মাননা দিল খাজা মোজাম্মেল হক (র.) ফাউন্ডেশন খেলাধুলায় জাতীয় গণ্ডি পেরিয়ে নারীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দেবে : প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এয়ারবাসের উড়োজাহাজ দ্রুত সরবরাহের আহ্বান বিমানমন্ত্রীর

সরিষাবাড়ীতে দিনমজুর দম্পতির ৪টি ষাঁড় পুড়ে ছাই, সর্বস্বান্ত পরিবার

সরিষাবাড়ী : অগ্নিকাণ্ডে দিনমজুর দম্পতি চাঁন মিয়া ও ছমী বেগমের চারটি ষাঁড় গরু পুড়ে ভস্মীভূত হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চাঁন মিয়া ও ছমী বেগম নামের এক দিনমজুর দম্পতির চারটি ষাঁড় গরু পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় ছয় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি অসচ্ছল ও নিস্ব হয়ে পড়া পরিবারটির।

৮ অক্টোবর, ​বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের রসপাল কুল ঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

​ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনমজুর চাঁন মিয়া ও তার স্ত্রী ছমী বেগম অত্যন্ত কষ্টের মধ্য দিয়ে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। চরাঞ্চল থেকে ঘাস কেটে এনে পরম মায়ে লালন-পালন করছিলেন চারটি ষাঁড়। প্রতিদিনের মত গোয়ালঘরে মশার কয়েল জ্বালানো ছিল। পাশেই রাখা ছিল রান্নার খড়ি। ভোরে মশার কয়েল থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেও চারটি ষাঁড় রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

​আগুন নেভাতে গিয়ে ছমী বেগমের হাত অগ্নিদগ্ধ হয়। তবে নিজের শারীরিক আঘাত ও যন্ত্রণার চেয়েও কষ্টার্জিত সব হারিয়ে তিনি এখন কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পিংনা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া এই প্রতিবেদককে বলেন, পরিবারটি খুবই অসহায় ও দরিদ্র। অন্যের বাড়িতে ও দিনমজুরি করে জমানো পুঁজিতে গরুগুলো বড় করেছিলেন। এই দুর্ঘটনায় পরিবারটি একেবারেই পথে বসে গেছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত এই অসহায় পরিবারটিকে আর্থিক ও মানবিক সহায়তা প্রদান করা জরুরি।

এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শওকত জামিল এই প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি জেনেছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আবেদন দিলে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ওই পরিবারটিকে সহায়তা করা যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক : প্রধানমন্ত্রী

সরিষাবাড়ীতে দিনমজুর দম্পতির ৪টি ষাঁড় পুড়ে ছাই, সর্বস্বান্ত পরিবার

আপডেট সময় ১০:১০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চাঁন মিয়া ও ছমী বেগম নামের এক দিনমজুর দম্পতির চারটি ষাঁড় গরু পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় ছয় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি অসচ্ছল ও নিস্ব হয়ে পড়া পরিবারটির।

৮ অক্টোবর, ​বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের রসপাল কুল ঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

​ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনমজুর চাঁন মিয়া ও তার স্ত্রী ছমী বেগম অত্যন্ত কষ্টের মধ্য দিয়ে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। চরাঞ্চল থেকে ঘাস কেটে এনে পরম মায়ে লালন-পালন করছিলেন চারটি ষাঁড়। প্রতিদিনের মত গোয়ালঘরে মশার কয়েল জ্বালানো ছিল। পাশেই রাখা ছিল রান্নার খড়ি। ভোরে মশার কয়েল থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেও চারটি ষাঁড় রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

​আগুন নেভাতে গিয়ে ছমী বেগমের হাত অগ্নিদগ্ধ হয়। তবে নিজের শারীরিক আঘাত ও যন্ত্রণার চেয়েও কষ্টার্জিত সব হারিয়ে তিনি এখন কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পিংনা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া এই প্রতিবেদককে বলেন, পরিবারটি খুবই অসহায় ও দরিদ্র। অন্যের বাড়িতে ও দিনমজুরি করে জমানো পুঁজিতে গরুগুলো বড় করেছিলেন। এই দুর্ঘটনায় পরিবারটি একেবারেই পথে বসে গেছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত এই অসহায় পরিবারটিকে আর্থিক ও মানবিক সহায়তা প্রদান করা জরুরি।

এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শওকত জামিল এই প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি জেনেছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আবেদন দিলে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ওই পরিবারটিকে সহায়তা করা যাবে।