নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি প্রতিরোধ ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা ও শহর যুবদল। ২৩ জুন, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে জামালপুর শহরের ফৌজদারি মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
শহর যুবদলের সদস্য সচিব জিয়াউল হক জিয়া’র সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিএস ফিরোজ মিয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফিরোজ মিয়া বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির ন্যায় আজকে ফ্যাস্টিটদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে প্রতিবাদ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। দীর্ঘ ১৭টি বছর ফ্যাসিস্টরা ক্ষমতায় থেকে লুটপাট গুম, খুন, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের রাজনীতি করেছে। তাদের মধ্যে কোন অনুশোচনা নেই।
তিনি আরও বলেন, আজকে বর্তমান সরকারের মাত্র চার মাস। এই চার মাসের মাথায় তারা অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। আজকে ফ্যাসিস্টারা যারা পলায়ন করে দেশের বাইরে গিয়ে তারা স্বর্গের রাজ্যে রয়েছে। আজকে তারা তাদের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের খোঁজ নেয় না। এই দেশে আর কোনভাবেই ফ্যাসিস্টদের আবির্ভাব হতে দেওয়া হবে না।
ফিরোজ মিয়া বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা অদ্ধবর্তী পর্যন্ত তার কৃতকর্মের জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাই নাই। তারা গুম, খুন করেও অনুতপ্ত নয়। এখন গণতান্ত্রিক উপায়ে, গণতান্ত্রিক সরকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ পরিচালিত হচ্ছে। সেই সময়ে দেশে বি-শৃঙ্খলা করার জন্য আজকে তারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সারা দেশব্যাপী কর্মসূচি দিয়েছিলেন। আমরা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে রাজপথে আছি তাদেরকে প্রতিহত করার জন্য। এই বাংলাদেশে আর স্বৈরাচারের স্থান হবে না।
জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য আব্দুল জব্বার আলী, আব্দুল মোতালেব, বর্তমান কমিটির সদস্য মো. মোস্তফা, শহর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আলতাব হোসেন মন্ডল, শ্রমিক নেতা জাহাঙ্গীর আলম, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সবুজসহ জেলা ও শহর যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অবস্থান কর্মসূচি শেষে প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ফৌজদারি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
মো. আলমগীর : নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর, বাংলারচিঠিডটকম 

















