ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
যমুনার বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুট

দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী

দেওয়ানগঞ্জ : বাহাদুরাবাদ-বালাসী দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে মানববন্ধন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ নৌঘাট থেকে গাইবান্ধার বালাসী ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীর ওপর দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৭ জুন, বুধবার দুপুরে বাহাদুরাবাদ নৌ টার্মিনালের সামনে ‘দেওয়ানগঞ্জবাসী’র ব্যানারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এক সময় বাহাদুরাবাদ-বালাসি ঘাট ছিল উত্তরাঞ্চলের হৃৎস্পন্দন। বাহাদুরাবাদ ঘাট দিয়ে নিয়মিত মানুষ ও পণ্য পারাপার হত। তাই দেওয়ানগঞ্জবাসীর এখন একটাই দাবি, বাহাদুরাবাদ ঘাট থেকে গাইবান্ধার বালাসি ঘাট পর্যন্ত ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণ করতে হবে। বিগত সরকার ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয় করে বাহাদুরাবাদ ঘাটে আধুনিক ফেরিঘাট টার্মিনাল নির্মাণ করেছে। সেখানে বিশাল টার্মিনাল ভবন, ব্যারাক ও টোল প্লাজাসহ অবকাঠামোর কোন কমতি নেই।

কিন্তু ঘাটটিতে নেই কোন ফেরি, নেই যাত্রী। নদীতে নাব্যতা সংকট ও চর জেগে উঠায় ফেরি চলাচল কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যেখানে শত শত কোটি টাকা ব্যয় করে একটি অচল ফেরিঘাট নির্মাণ করা যায়। সেখানে জনস্বার্থে একটি পরিকল্পিত ও টেকসই সেতু নির্মাণ কেন সম্ভব নয়, এমন প্রশ্ন তোলেন আন্দোলনকারীরা।

পৌর বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার সোহেল বলেন, বাহাদুরাবাদ-বালাসী নৌ-রুটে সেতু নির্মিত হলে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরাঞ্চলের অন্তত আটটি জেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এতে ঢাকায় যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার কমে যাবে। ফলে পণ্য পরিবহনের সময় ও খরচ যেমন বাঁচবে, তেমনি তৈরি হবে নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা।

দেওয়ানগঞ্জ : বাহাদুরাবাদ-বালাসী দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে মানববন্ধন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, সড়ক সেতুর পাশাপাশি এখানে একটি রেলসেতু নির্মাণ করা গেলে এই করিডোর উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর উপর বিদ্যমান অতিরিক্ত চাপও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।

উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম লাবলুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ খান রাসেল, যুবদলের আহাবয়ক মনজু হোসেন, চুকাইবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম, ঘাট ইজারাদার শাহ আলম প্রমুখ। মানববন্ধনে আলোচনা সভার সঞ্চালকের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ হাবিব পলিন।

এই কর্মসূচিতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত মানুষ অংশ নেন।

আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

যমুনার বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুট

দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী

আপডেট সময় ১১:০৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ নৌঘাট থেকে গাইবান্ধার বালাসী ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীর ওপর দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৭ জুন, বুধবার দুপুরে বাহাদুরাবাদ নৌ টার্মিনালের সামনে ‘দেওয়ানগঞ্জবাসী’র ব্যানারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এক সময় বাহাদুরাবাদ-বালাসি ঘাট ছিল উত্তরাঞ্চলের হৃৎস্পন্দন। বাহাদুরাবাদ ঘাট দিয়ে নিয়মিত মানুষ ও পণ্য পারাপার হত। তাই দেওয়ানগঞ্জবাসীর এখন একটাই দাবি, বাহাদুরাবাদ ঘাট থেকে গাইবান্ধার বালাসি ঘাট পর্যন্ত ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণ করতে হবে। বিগত সরকার ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয় করে বাহাদুরাবাদ ঘাটে আধুনিক ফেরিঘাট টার্মিনাল নির্মাণ করেছে। সেখানে বিশাল টার্মিনাল ভবন, ব্যারাক ও টোল প্লাজাসহ অবকাঠামোর কোন কমতি নেই।

কিন্তু ঘাটটিতে নেই কোন ফেরি, নেই যাত্রী। নদীতে নাব্যতা সংকট ও চর জেগে উঠায় ফেরি চলাচল কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যেখানে শত শত কোটি টাকা ব্যয় করে একটি অচল ফেরিঘাট নির্মাণ করা যায়। সেখানে জনস্বার্থে একটি পরিকল্পিত ও টেকসই সেতু নির্মাণ কেন সম্ভব নয়, এমন প্রশ্ন তোলেন আন্দোলনকারীরা।

পৌর বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার সোহেল বলেন, বাহাদুরাবাদ-বালাসী নৌ-রুটে সেতু নির্মিত হলে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরাঞ্চলের অন্তত আটটি জেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এতে ঢাকায় যাতায়াতের দূরত্ব প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার কমে যাবে। ফলে পণ্য পরিবহনের সময় ও খরচ যেমন বাঁচবে, তেমনি তৈরি হবে নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা।

দেওয়ানগঞ্জ : বাহাদুরাবাদ-বালাসী দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে মানববন্ধন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, সড়ক সেতুর পাশাপাশি এখানে একটি রেলসেতু নির্মাণ করা গেলে এই করিডোর উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর উপর বিদ্যমান অতিরিক্ত চাপও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।

উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম লাবলুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ খান রাসেল, যুবদলের আহাবয়ক মনজু হোসেন, চুকাইবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম, ঘাট ইজারাদার শাহ আলম প্রমুখ। মানববন্ধনে আলোচনা সভার সঞ্চালকের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ হাবিব পলিন।

এই কর্মসূচিতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত মানুষ অংশ নেন।