ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল পাঁচ বছরে মাদারগঞ্জে এক লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা বিএনপির সরিষাবাড়ীতে মাদক জুয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু জামালপুরে মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী সোহেল রানা খানের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জমজমাট আয়োজনে ‘জামালপুর জেলা সমিতি অব নর্থ আমেরিকা ইনক’র অভিষেক অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে চরাঞ্চলের ২৩০ পরিবার পেল হাঁস-মুরগি জামালপুরে জেসমিন প্রকল্পের সেরা চর্চা বিষয়ক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

মাদারগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু, বাবার দাবি হত্যা 

মাদারগঞ্জ : গৃহবধূ ইসমত আরার মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম  

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় ইসমত আরা (২৫) নামে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে আত্মহত্যার দাবি করা হলেও নিহতের পরিবার একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করছেন।

২২ এপ্রিল, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুনারীতলা ইউনিয়নের গুনারীতলা পশ্চিমপাড়া এলাকায় নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ইসমত আরাকে পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ বিকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মর্গে পাঠায়।

নিহত ইসমত আরা ওই এলাকার নূর ইসলামের স্ত্রী এবং মাদারগঞ্জ পৌরসভার বালিজুড়ী নামাপাড়া এলাকার ইউনুস আলীর মেয়ে। এ ঘটনা পর স্বামী নূর ইসলাম পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত-আট বছর আগে পারিবারিকভাবে নুর ইসলামের সঙ্গে ইসমত আরার বিয়ে হয়। বছরখানেক সুখে সংসার কাটার পর এই দম্পতির কোলজুড়ে ফুটফুটে একটি মেয়ে সন্তান আসে। পরবর্তীতে নূর ইসলাম প্রবাসে যান এবং কিছুদিন মধ্যেই দেশে ফিরে আসেন। এরপর থেকেই দাম্পত্য জীবনে অশান্তি শুরু হয়। ইসমত আরা ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

নিহতের বাবা ইউনুস আলী অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মেহেজাবীন রশিদ তিন্নী এ প্রতিবেদককে বলেন,  গৃহবধূর গলায় দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ফাঁসিতে ঝুলে মারা গেছেন। অথবা তাকে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশকে জানানো হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মরদেহ নিয়ে যায় বলেও জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী

মাদারগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু, বাবার দাবি হত্যা 

আপডেট সময় ১০:১৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় ইসমত আরা (২৫) নামে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে আত্মহত্যার দাবি করা হলেও নিহতের পরিবার একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করছেন।

২২ এপ্রিল, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুনারীতলা ইউনিয়নের গুনারীতলা পশ্চিমপাড়া এলাকায় নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ইসমত আরাকে পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ বিকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মর্গে পাঠায়।

নিহত ইসমত আরা ওই এলাকার নূর ইসলামের স্ত্রী এবং মাদারগঞ্জ পৌরসভার বালিজুড়ী নামাপাড়া এলাকার ইউনুস আলীর মেয়ে। এ ঘটনা পর স্বামী নূর ইসলাম পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত-আট বছর আগে পারিবারিকভাবে নুর ইসলামের সঙ্গে ইসমত আরার বিয়ে হয়। বছরখানেক সুখে সংসার কাটার পর এই দম্পতির কোলজুড়ে ফুটফুটে একটি মেয়ে সন্তান আসে। পরবর্তীতে নূর ইসলাম প্রবাসে যান এবং কিছুদিন মধ্যেই দেশে ফিরে আসেন। এরপর থেকেই দাম্পত্য জীবনে অশান্তি শুরু হয়। ইসমত আরা ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

নিহতের বাবা ইউনুস আলী অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মেহেজাবীন রশিদ তিন্নী এ প্রতিবেদককে বলেন,  গৃহবধূর গলায় দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ফাঁসিতে ঝুলে মারা গেছেন। অথবা তাকে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশকে জানানো হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মরদেহ নিয়ে যায় বলেও জানান তিনি।