ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব জোরদার হয়েছে : হুমায়ুন ইলিশ ধরতে পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের ভিড় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ১ লাখ এতিম শিক্ষার্থীকে সহায়তা দেয়া হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল গারো পাহাড়ে অর্ধলক্ষাধিক পুণ্যার্থীর আলোর মিছিল ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সব জেলায় খাদ্যের মান পরীক্ষাগার স্থাপনে জাইকার সহযোগিতা প্রয়োজন : জনপ্রশাসন উপদেষ্টা চার দিনের সফর শেষে টোকিও ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগামী সপ্তাহের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের

মাদারগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু, বাবার দাবি হত্যা 

মাদারগঞ্জ : গৃহবধূ ইসমত আরার মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম  

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় ইসমত আরা (২৫) নামে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে আত্মহত্যার দাবি করা হলেও নিহতের পরিবার একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করছেন।

২২ এপ্রিল, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুনারীতলা ইউনিয়নের গুনারীতলা পশ্চিমপাড়া এলাকায় নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ইসমত আরাকে পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ বিকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মর্গে পাঠায়।

নিহত ইসমত আরা ওই এলাকার নূর ইসলামের স্ত্রী এবং মাদারগঞ্জ পৌরসভার বালিজুড়ী নামাপাড়া এলাকার ইউনুস আলীর মেয়ে। এ ঘটনা পর স্বামী নূর ইসলাম পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত-আট বছর আগে পারিবারিকভাবে নুর ইসলামের সঙ্গে ইসমত আরার বিয়ে হয়। বছরখানেক সুখে সংসার কাটার পর এই দম্পতির কোলজুড়ে ফুটফুটে একটি মেয়ে সন্তান আসে। পরবর্তীতে নূর ইসলাম প্রবাসে যান এবং কিছুদিন মধ্যেই দেশে ফিরে আসেন। এরপর থেকেই দাম্পত্য জীবনে অশান্তি শুরু হয়। ইসমত আরা ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

নিহতের বাবা ইউনুস আলী অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মেহেজাবীন রশিদ তিন্নী এ প্রতিবেদককে বলেন,  গৃহবধূর গলায় দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ফাঁসিতে ঝুলে মারা গেছেন। অথবা তাকে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশকে জানানো হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মরদেহ নিয়ে যায় বলেও জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব জোরদার হয়েছে : হুমায়ুন

মাদারগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু, বাবার দাবি হত্যা 

আপডেট সময় ১০:১৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় ইসমত আরা (২৫) নামে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে আত্মহত্যার দাবি করা হলেও নিহতের পরিবার একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করছেন।

২২ এপ্রিল, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুনারীতলা ইউনিয়নের গুনারীতলা পশ্চিমপাড়া এলাকায় নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ইসমত আরাকে পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ বিকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মর্গে পাঠায়।

নিহত ইসমত আরা ওই এলাকার নূর ইসলামের স্ত্রী এবং মাদারগঞ্জ পৌরসভার বালিজুড়ী নামাপাড়া এলাকার ইউনুস আলীর মেয়ে। এ ঘটনা পর স্বামী নূর ইসলাম পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত-আট বছর আগে পারিবারিকভাবে নুর ইসলামের সঙ্গে ইসমত আরার বিয়ে হয়। বছরখানেক সুখে সংসার কাটার পর এই দম্পতির কোলজুড়ে ফুটফুটে একটি মেয়ে সন্তান আসে। পরবর্তীতে নূর ইসলাম প্রবাসে যান এবং কিছুদিন মধ্যেই দেশে ফিরে আসেন। এরপর থেকেই দাম্পত্য জীবনে অশান্তি শুরু হয়। ইসমত আরা ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

নিহতের বাবা ইউনুস আলী অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মেহেজাবীন রশিদ তিন্নী এ প্রতিবেদককে বলেন,  গৃহবধূর গলায় দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ফাঁসিতে ঝুলে মারা গেছেন। অথবা তাকে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশকে জানানো হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মরদেহ নিয়ে যায় বলেও জানান তিনি।