ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল পাঁচ বছরে মাদারগঞ্জে এক লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা বিএনপির সরিষাবাড়ীতে মাদক জুয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু জামালপুরে মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী সোহেল রানা খানের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জমজমাট আয়োজনে ‘জামালপুর জেলা সমিতি অব নর্থ আমেরিকা ইনক’র অভিষেক অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে চরাঞ্চলের ২৩০ পরিবার পেল হাঁস-মুরগি জামালপুরে জেসমিন প্রকল্পের সেরা চর্চা বিষয়ক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকালে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সে মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

জামালপুর : জাতীয় সংসদ ভবন। ছবি : সংগৃহীত

সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার বিকালে নতুন মন্ত্রিসভার শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা আজ বিকেলে বাসস-কে জানান, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে।

তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দুই দিন পর ১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার থেকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং সংসদ সচিবালয়।

বঙ্গভবন সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম সিরাজ মিয়া শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন।অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কাজ করছে।

নিয়ম অনুসারে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) শপথ গ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপির সংসদীয় বোর্ডের একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে তাদের সংসদীয় নেতা নির্বাচন করা হবে।

এরপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করবেন এবং তাকে জানাবেন যে সংসদে দলটির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের জন্য আবেদন করবেন।

রাষ্ট্রপতি সংসদ নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন, যিনি পরবর্তীতে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নির্বাচন করবেন। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করাবেন। এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন।

সংবিধান অনুসারে, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ করতে হয়। শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির গেজেট প্রকাশ করেছে।

এই নির্বাচনে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে। অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছে।

রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি সাধারণত বঙ্গভবনে নতুন সরকারকে শপথ পাঠ করান। সূত্র : বাসস

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী

১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকালে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সে মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ১০:১৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার বিকালে নতুন মন্ত্রিসভার শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা আজ বিকেলে বাসস-কে জানান, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে।

তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দুই দিন পর ১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার থেকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং সংসদ সচিবালয়।

বঙ্গভবন সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম সিরাজ মিয়া শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন।অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কাজ করছে।

নিয়ম অনুসারে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) শপথ গ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপির সংসদীয় বোর্ডের একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে তাদের সংসদীয় নেতা নির্বাচন করা হবে।

এরপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করবেন এবং তাকে জানাবেন যে সংসদে দলটির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের জন্য আবেদন করবেন।

রাষ্ট্রপতি সংসদ নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন, যিনি পরবর্তীতে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নির্বাচন করবেন। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করাবেন। এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন।

সংবিধান অনুসারে, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ করতে হয়। শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির গেজেট প্রকাশ করেছে।

এই নির্বাচনে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে। অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছে।

রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি সাধারণত বঙ্গভবনে নতুন সরকারকে শপথ পাঠ করান। সূত্র : বাসস