ঢাকা ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নরুন্দিতে গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ

জামালপুর সদর উপজেলার নরুন্দি ইউনিয়নের তারাগঞ্জ বাজার এলাকায় অঞ্জনা বেগম (২৭) নামের একজন গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অঞ্জনা বেগমের স্বামী সোলায়মান, শ্বশুর আক্তার হোসেনসহ পরিবারের লোকজন তাকে গলাটিপে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন অঞ্জনা বেগমের বাবা নজরুল ইসলাম। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে।

২৬ আগস্ট, মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অঞ্জনা বেগমের স্বামী সোলায়মানকে আটক করেছে পুলিশ। তবে অঞ্জনা বেগমের শ্বশুর ট্রাকচালক আক্তার হোসেন পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৭ আগস্ট, বুধবার সকালে এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। ঘটনাস্থলে ছুটে যান নিহতের বাবা-মা। পরে তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। নিহত অঞ্জনা বেগম সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের অনন্তবাড়ি গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে। ১০ বছর আগে তারাগঞ্জ বাজার এলাকার ট্রাকচালক আক্তার হোসেনের ছেলে সোলায়মানের সাথে বিয়ে হয় অঞ্জনা বেগমের।

বিয়ের পর তাদের তিন ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। দুই মাস আগে তিন ছেলের মধ্যে একজন পানিতে ডুবে মারা যায়। অঞ্জনা বেগমের স্বামীও ট্রাকচালক। পেশাগত কারণে তিনি প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকেন। ২৬ আগস্ট তিনি নিজ বাড়িতে আসেন।

অঞ্জনা বেগমের বাবা নজরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে জামাই সোলায়মান ও তার শ্বশুর আক্তার হোসেন মিলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। আমি আমার মেয়েকে হত্যার বিচার চাই।

এ বিষয়ে নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সজীব হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জামালপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ঘটনার আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

নরুন্দিতে গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৩৪:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

জামালপুর সদর উপজেলার নরুন্দি ইউনিয়নের তারাগঞ্জ বাজার এলাকায় অঞ্জনা বেগম (২৭) নামের একজন গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অঞ্জনা বেগমের স্বামী সোলায়মান, শ্বশুর আক্তার হোসেনসহ পরিবারের লোকজন তাকে গলাটিপে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন অঞ্জনা বেগমের বাবা নজরুল ইসলাম। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে।

২৬ আগস্ট, মঙ্গলবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অঞ্জনা বেগমের স্বামী সোলায়মানকে আটক করেছে পুলিশ। তবে অঞ্জনা বেগমের শ্বশুর ট্রাকচালক আক্তার হোসেন পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৭ আগস্ট, বুধবার সকালে এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। ঘটনাস্থলে ছুটে যান নিহতের বাবা-মা। পরে তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। নিহত অঞ্জনা বেগম সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের অনন্তবাড়ি গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে। ১০ বছর আগে তারাগঞ্জ বাজার এলাকার ট্রাকচালক আক্তার হোসেনের ছেলে সোলায়মানের সাথে বিয়ে হয় অঞ্জনা বেগমের।

বিয়ের পর তাদের তিন ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। দুই মাস আগে তিন ছেলের মধ্যে একজন পানিতে ডুবে মারা যায়। অঞ্জনা বেগমের স্বামীও ট্রাকচালক। পেশাগত কারণে তিনি প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকেন। ২৬ আগস্ট তিনি নিজ বাড়িতে আসেন।

অঞ্জনা বেগমের বাবা নজরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে জামাই সোলায়মান ও তার শ্বশুর আক্তার হোসেন মিলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। আমি আমার মেয়েকে হত্যার বিচার চাই।

এ বিষয়ে নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সজীব হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জামালপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ঘটনার আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।