জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাটে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োগ করেছে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ। কোরবানির পশুর হাটে বসানো হয়েছে পুলিশের সহায়তা কেন্দ্র। এ কারণে ইজারাদার, ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। এরই অংশ হিসাবে সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়েছে।
৩ জুন, মঙ্গলবার বিকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নঈম মিয়ার বাজারের গরুর হাটে জামালপুর জেলা পুলিশের পক্ষে সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। জনসচেতনতামূলক সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ করেন জেলা পুলিশের দেওয়ানগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম ও বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ। এ সময় কোরবানির পশুর হাটে আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা দেন পুলিশের এই দুই কর্মকর্তা।

নঈম মিয়ার বাজার গরুর হাটের ইজারাদার মহসিন আলী রিপন জানান, এবারের ঈদ উপলক্ষে দূরদূরান্ত থেকে গরুর পাইকাররা নঈম মিয়ার হাটে এসেছেন। তারা প্রতি হাটেই গরু কিনে ঢাকায় পাঠাচ্ছেন। তাদের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ অগ্রনি ভূমিকা পালন করছে। পুলিশের একটি টিম গরুর হাটে কাজ করছে।
এদিকে গরুর হাটে পুলিশি নিরাপত্তায় ক্রেতা-বিক্রেতা, ব্যবসায়ী ও খামারিদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। গরুর পাইকার আব্দুল ছামাদ জানান, এই হাটে নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের কোন সমস্যা নেই। পুলিশের উপস্থিতির কারণে প্রতারক চক্র সুবিধা করতে পারছে না। তিনি পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ এ প্রতিবেদককে বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা, জাল টাকা রোধ, প্রতারক চক্র হতে সচেতন করতে থানা পুলিশ প্রতিটা গরুর হাটে দায়িত্ব পালন করছে। কোন ক্রেতা বিক্রেতা যেন ভোগান্তিতে না পড়েন এবং নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন সেজন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আমাদের টিম জননিরাপত্তায় কাজ করছে। তারপরও সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু : নিজস্ব প্রতিবেদক, বকশীগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম 



















