ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা জামালপুরে ১১ শিশুর মুখে হাসি ফোটাল অরফান গিভ শেরপুরে পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান : একজনকে কারাদন্ড যুবদলনেতা সোহেল রানার উদ্যোগে মশক নিধন, সড়কবাতি সংযোজন এইচএসসি : ইসলামপুরে জিপিএ-৫ মাত্র পাঁচজন, ফলাফল শূন্য এক কলেজে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন মন্ত্রিসভায় সাভার-আশুলিয়ায় কারখানায় ফিরতে শুরু করেছেন শ্রমিকরা, মজুরি বোর্ড গঠনে স্বস্তি
জুলাই বিপ্লবে হত্যাকাণ্ড

কবর থেকে রিপনের মরদেহ তুলতে আপত্তি, ফিরে গেলেন ম্যাজিস্ট্রেট!

জামালপুর : নিহত রিপন মিয়ার গ্রামের বাড়িতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা ও পুলিশের এসআই খাইরুল ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রিপন মিয়ার মরদেহ উত্তোলনে পরিবারের আপত্তির কারণে ফিরে গেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বকশীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খাইরুল ইসলাম৷ ২২ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় বাট্টাজোড় ইউনিয়নের পানাতিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকার উত্তরায় জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বকশীগঞ্জ উপজেলার চরকাউরিয়া সীমারপাড় এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে রিপন মিয়া। তখন তাকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়। ওই ঘটনায় ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিহত রিপন মিয়ার বড় ভাই সরকার আকতার হোসেন। ওই মামলার এক আদেশে ২৯ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট রিপন মিয়ার মরদেহ কবর থেকে তুলে আইনসহায়ক পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খাইরুল ইসলাম ২২ এপ্রিল বিকালে আদালতের নির্দেশে কবর থেকে মরদেহ তুলতে বাট্টাজোড় ইউনিয়নের পানাতিয়া গ্রামে যান।

এ সময় নিহত রিপন মিয়ার বড় ভাই ও মামলাটির বাদী সরকার আকতার হোসেন কবর থেকে তার ভাইয়ের মরদেহ তুলতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আপত্তি জানান। কবর থেকে মরদেহ তোলার জন্য রিপন মিয়ার পরিবারের সম্মতি না পেয়ে মরদেহ না তুলেই ফিরে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

জামালপুর : নিহত রিপন মিয়ার গ্রামের বাড়িতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা ও পুলিশের এসআই খাইরুল ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মামলার বাদী সরকার আকতার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, রিপন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার প্রমাণ আছে। তার মরদেহ কবর থেকে তোলার ব্যাপারে আমাকে আগে থেকে কিছুই বলা হয়নি। তাই আপত্তি জানিয়েছি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই খাইরুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, জুলাই বিপ্লবে নিহতের পর রিপন মিয়াকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়। তাই আদালতে কবর থেকে তার মরদেহ তোলার আবেদন করি। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৯ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট রিপন মিয়ার মরদেহ কবর থেকে তোলার নির্দেশ দেন। এরই প্রেক্ষিতে আমরা মরদেহ তুলতে আসি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা এ প্রতিবেদককে বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে আমরা রিপন মিয়ার মরদেহ কবর থেকে তুলতে এসেছিলাম। কিন্তু রিপনের বড় ভাই ও মামলার বাদী সরকার আকতার হোসেন মরদেহ কবর থেকে তুলতে বাধা দেন। এ বিষয়ে আদালতের পরবর্তী নির্দেশের পর কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

জুলাই বিপ্লবে হত্যাকাণ্ড

কবর থেকে রিপনের মরদেহ তুলতে আপত্তি, ফিরে গেলেন ম্যাজিস্ট্রেট!

আপডেট সময় ০৯:০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রিপন মিয়ার মরদেহ উত্তোলনে পরিবারের আপত্তির কারণে ফিরে গেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বকশীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খাইরুল ইসলাম৷ ২২ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় বাট্টাজোড় ইউনিয়নের পানাতিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকার উত্তরায় জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বকশীগঞ্জ উপজেলার চরকাউরিয়া সীমারপাড় এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে রিপন মিয়া। তখন তাকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়। ওই ঘটনায় ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিহত রিপন মিয়ার বড় ভাই সরকার আকতার হোসেন। ওই মামলার এক আদেশে ২৯ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট রিপন মিয়ার মরদেহ কবর থেকে তুলে আইনসহায়ক পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খাইরুল ইসলাম ২২ এপ্রিল বিকালে আদালতের নির্দেশে কবর থেকে মরদেহ তুলতে বাট্টাজোড় ইউনিয়নের পানাতিয়া গ্রামে যান।

এ সময় নিহত রিপন মিয়ার বড় ভাই ও মামলাটির বাদী সরকার আকতার হোসেন কবর থেকে তার ভাইয়ের মরদেহ তুলতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আপত্তি জানান। কবর থেকে মরদেহ তোলার জন্য রিপন মিয়ার পরিবারের সম্মতি না পেয়ে মরদেহ না তুলেই ফিরে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

জামালপুর : নিহত রিপন মিয়ার গ্রামের বাড়িতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা ও পুলিশের এসআই খাইরুল ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মামলার বাদী সরকার আকতার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, রিপন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার প্রমাণ আছে। তার মরদেহ কবর থেকে তোলার ব্যাপারে আমাকে আগে থেকে কিছুই বলা হয়নি। তাই আপত্তি জানিয়েছি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই খাইরুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, জুলাই বিপ্লবে নিহতের পর রিপন মিয়াকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়। তাই আদালতে কবর থেকে তার মরদেহ তোলার আবেদন করি। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৯ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট রিপন মিয়ার মরদেহ কবর থেকে তোলার নির্দেশ দেন। এরই প্রেক্ষিতে আমরা মরদেহ তুলতে আসি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা এ প্রতিবেদককে বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে আমরা রিপন মিয়ার মরদেহ কবর থেকে তুলতে এসেছিলাম। কিন্তু রিপনের বড় ভাই ও মামলার বাদী সরকার আকতার হোসেন মরদেহ কবর থেকে তুলতে বাধা দেন। এ বিষয়ে আদালতের পরবর্তী নির্দেশের পর কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।