ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

বাংলাদেশে শিমুল ফুল ফোটা উৎসবের সূচনা হল সরিষাবাড়ীতে

সরিষাবাড়ী : শিমুল ফুল ফোটা উৎসবে বক্তব্য রাখেন সহকারী অধ্যাপক মো. হাসমত আলী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

‘শিমুল ফোটা উৎসব পালন করি, দেশীয় সংস্কৃতি লালন করি’ এই লক্ষ্য নিয়ে দেশে প্রথমবারের মত জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় অনুষ্ঠিত হল শিমুল ফোটা উৎসব। ২৩ ফেব্রুয়ারি রবিবার দুপুরে উপজেলার আওনা ইউনিয়নের দৌলতপুর এলাকায় তানজিম পল্লীতে নানা আয়োজনে এ উৎসব উদযাপন করা হয়।

তানজিম পল্লীর প্রজাপতি পার্ক ও দ্বিজেন শর্মা উদ্ভিদ উদ্যানের প্রতিষ্ঠাতা ও আলহাজ ফরহাদ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. হাসমত আলী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান তালুকদার কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, পিংনা সুজাত আলী কলেজের প্রভাষক আফরোজা বুলবুল, পোগলদিঘা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক এম এম মিজানুর রহমান, শিক্ষিকা আজিবুন নেছা অনি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ফাগুনের এক অনবদ্য সৌন্দর্য্যের প্রতীক শিমুল ফুল। শিমুলের সৌন্দর্যে মন বিমোহিত হয় ছোট থেকে বড় সব বয়সী মানুষের। বর্তমানে আমাদের দেশে শিমুল গাছের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। তাই এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সবাইকে সচেতন করাও এর উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে আমাদের দেশীয় শিমুল ফুল ও দেশীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া অতিথিরা দেশীয় শিমুল ফুল নিয়ে এ উৎসবের আয়োজনে খুশি হয়েছেন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক মো. হাসমত আলী বলেন, শিমুল, জারুল, কদম ফুল সৌন্দর্য্যের দিক দিয়ে পৃথিবীর যে কোন ফুল থেকে পিছিয়ে নেই। এই শিমুল ফোটা উৎসবের মাধ্যমে আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিকে লালন করব। এখন থেকে প্রতি বছরই সারাদেশব্যাপী এই শিমুল ফোটা উৎসব আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হবে। সেই সাথে সারাদেশব্যাপী বেশি করে শিমুল গাছ রোপণের প্রচেষ্টা নেয়া হবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কবি, সাংবাদিকসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে শিমুল ফুল ফোটা উৎসবের সূচনা হল সরিষাবাড়ীতে

আপডেট সময় ০৯:৩৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

‘শিমুল ফোটা উৎসব পালন করি, দেশীয় সংস্কৃতি লালন করি’ এই লক্ষ্য নিয়ে দেশে প্রথমবারের মত জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় অনুষ্ঠিত হল শিমুল ফোটা উৎসব। ২৩ ফেব্রুয়ারি রবিবার দুপুরে উপজেলার আওনা ইউনিয়নের দৌলতপুর এলাকায় তানজিম পল্লীতে নানা আয়োজনে এ উৎসব উদযাপন করা হয়।

তানজিম পল্লীর প্রজাপতি পার্ক ও দ্বিজেন শর্মা উদ্ভিদ উদ্যানের প্রতিষ্ঠাতা ও আলহাজ ফরহাদ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. হাসমত আলী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান তালুকদার কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, পিংনা সুজাত আলী কলেজের প্রভাষক আফরোজা বুলবুল, পোগলদিঘা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক এম এম মিজানুর রহমান, শিক্ষিকা আজিবুন নেছা অনি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ফাগুনের এক অনবদ্য সৌন্দর্য্যের প্রতীক শিমুল ফুল। শিমুলের সৌন্দর্যে মন বিমোহিত হয় ছোট থেকে বড় সব বয়সী মানুষের। বর্তমানে আমাদের দেশে শিমুল গাছের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। তাই এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সবাইকে সচেতন করাও এর উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে আমাদের দেশীয় শিমুল ফুল ও দেশীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া অতিথিরা দেশীয় শিমুল ফুল নিয়ে এ উৎসবের আয়োজনে খুশি হয়েছেন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক মো. হাসমত আলী বলেন, শিমুল, জারুল, কদম ফুল সৌন্দর্য্যের দিক দিয়ে পৃথিবীর যে কোন ফুল থেকে পিছিয়ে নেই। এই শিমুল ফোটা উৎসবের মাধ্যমে আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিকে লালন করব। এখন থেকে প্রতি বছরই সারাদেশব্যাপী এই শিমুল ফোটা উৎসব আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হবে। সেই সাথে সারাদেশব্যাপী বেশি করে শিমুল গাছ রোপণের প্রচেষ্টা নেয়া হবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কবি, সাংবাদিকসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষ অংশ নেন।