ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদকের সাথে জড়িত বিএনপি নেতা-কর্মীদের সর্বপ্রথম গ্রেপ্তার করুন : ওয়ারেছ আলী মামুন জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল পাঁচ বছরে মাদারগঞ্জে এক লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা বিএনপির সরিষাবাড়ীতে মাদক জুয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু জামালপুরে মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী সোহেল রানা খানের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জমজমাট আয়োজনে ‘জামালপুর জেলা সমিতি অব নর্থ আমেরিকা ইনক’র অভিষেক অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে চরাঞ্চলের ২৩০ পরিবার পেল হাঁস-মুরগি

বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতায় ৩৫ ওভারে শেষ প্রথম দিন

বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতার কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিন মাত্র ৩৫ ওভার খেলা হলো। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন শেষে ৩ উইকেটে ১০৭ রান করেছে বাংলাদেশ।

কানপুরের গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ১৯৬৪ সালের পর কানপুরের এই ভেন্যুতে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্বান্ত নিলো কোন দল।

প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে সাবধানী শুরু করেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার জাকির হাসান ও সাদমান ইসলাম। প্রথম ৮ ওভারে ২৬ রান তুলেন তারা।

নবম ওভারে প্রথমবারের মত আক্রমণে এসে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন ভারতের পেসার আকাশ দীপ। অফ স্টাম্পের বাইরে আকাশের তৃতীয় ডেলিভারিটি খেলতে গিয়ে গালিতে যশ্বসী জয়সওয়ালকে ক্যাচ দেন জাকির। ২৪ বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন তিনি।

বাংলাদেশের ওপেনারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বল খেলে খালি হাতে সাজঘরে ফেরার রেকর্ড গড়েছেন জাকির। আগের রেকর্ডটি ছিলো ইমরুল কায়েসের। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ১৬ বলে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন ইমরুল। আর সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ বল খেলে খালি হাতে ফেরার তালিকায় চতুর্থস্থানে জায়গা করে নিয়েছেন জাকির। এক্ষেত্রে সবার উপরে আছেন সাবেক পেসার মঞ্জুরুল ইসলাম। ২০০২ সালে কলম্বোয় শ্রীলংকার বিপক্ষে ৪১ বল খেলেও কোন রান করতে পারেননি মঞ্জুরুল।

জাকিরের পর সাদমানকেও ফেরান আকাশ। ৪টি চারে ২৪ রান করা সাদমানকে লেগ বিফোর আউট করেন এই ডান-হাতি পেসার।

২৯ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর দলের হাল ধরেন মোমিনুল ও অধিনায়ক শান্ত। ইনিংসের ১৭তম ওভারে দলের রান ৫০এ নেন তারা।

মোমিনুল-শান্তর দৃঢ়তায় ২৬ ওভারে ২ উইকেটে ৭৪ রান তুলে মধ্যাহ্ন-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

বিরতি থেকে ফেরার পর তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ভারতের স্পিনার রবীচন্দ্রন অশ্বিনের বলে লেগ বিফোর আউট হন শান্ত। ৬টি বাউন্ডারিতে ৫৭ বলে ৩১ রান করেন টাইগার দলনেতা।

দলীয় ৮০ রানে শান্তর বিদায়ের পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মোমিনুল ও মুশফিকুর রহিম। ৩৪তম ওভারে দলের রান ১শতে নেন দু’জনে।

৩৫তম ওভারের পর বৃষ্টিতে বন্ধ হয় খেলা। পরবর্তীতে বৃষ্টির সাথে চারপাশ অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় প্রথম দিনের খেলার সমাপ্তি টানেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা।

৭টি চারে মোমিনুল ৪০ এবং ১টি বাউন্ডারিতে মুশফিকুর রহিম ৬ রানে অপরাজিত আছেন।

ভারতের আকাশ ৩৪ রানে ২ এবং অশ্বিন ২২ রানে ১ উইকেট নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকের সাথে জড়িত বিএনপি নেতা-কর্মীদের সর্বপ্রথম গ্রেপ্তার করুন : ওয়ারেছ আলী মামুন

বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতায় ৩৫ ওভারে শেষ প্রথম দিন

আপডেট সময় ০৬:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতার কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিন মাত্র ৩৫ ওভার খেলা হলো। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন শেষে ৩ উইকেটে ১০৭ রান করেছে বাংলাদেশ।

কানপুরের গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ১৯৬৪ সালের পর কানপুরের এই ভেন্যুতে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্বান্ত নিলো কোন দল।

প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে সাবধানী শুরু করেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার জাকির হাসান ও সাদমান ইসলাম। প্রথম ৮ ওভারে ২৬ রান তুলেন তারা।

নবম ওভারে প্রথমবারের মত আক্রমণে এসে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন ভারতের পেসার আকাশ দীপ। অফ স্টাম্পের বাইরে আকাশের তৃতীয় ডেলিভারিটি খেলতে গিয়ে গালিতে যশ্বসী জয়সওয়ালকে ক্যাচ দেন জাকির। ২৪ বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন তিনি।

বাংলাদেশের ওপেনারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বল খেলে খালি হাতে সাজঘরে ফেরার রেকর্ড গড়েছেন জাকির। আগের রেকর্ডটি ছিলো ইমরুল কায়েসের। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ১৬ বলে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন ইমরুল। আর সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ বল খেলে খালি হাতে ফেরার তালিকায় চতুর্থস্থানে জায়গা করে নিয়েছেন জাকির। এক্ষেত্রে সবার উপরে আছেন সাবেক পেসার মঞ্জুরুল ইসলাম। ২০০২ সালে কলম্বোয় শ্রীলংকার বিপক্ষে ৪১ বল খেলেও কোন রান করতে পারেননি মঞ্জুরুল।

জাকিরের পর সাদমানকেও ফেরান আকাশ। ৪টি চারে ২৪ রান করা সাদমানকে লেগ বিফোর আউট করেন এই ডান-হাতি পেসার।

২৯ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর দলের হাল ধরেন মোমিনুল ও অধিনায়ক শান্ত। ইনিংসের ১৭তম ওভারে দলের রান ৫০এ নেন তারা।

মোমিনুল-শান্তর দৃঢ়তায় ২৬ ওভারে ২ উইকেটে ৭৪ রান তুলে মধ্যাহ্ন-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

বিরতি থেকে ফেরার পর তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ভারতের স্পিনার রবীচন্দ্রন অশ্বিনের বলে লেগ বিফোর আউট হন শান্ত। ৬টি বাউন্ডারিতে ৫৭ বলে ৩১ রান করেন টাইগার দলনেতা।

দলীয় ৮০ রানে শান্তর বিদায়ের পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মোমিনুল ও মুশফিকুর রহিম। ৩৪তম ওভারে দলের রান ১শতে নেন দু’জনে।

৩৫তম ওভারের পর বৃষ্টিতে বন্ধ হয় খেলা। পরবর্তীতে বৃষ্টির সাথে চারপাশ অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় প্রথম দিনের খেলার সমাপ্তি টানেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা।

৭টি চারে মোমিনুল ৪০ এবং ১টি বাউন্ডারিতে মুশফিকুর রহিম ৬ রানে অপরাজিত আছেন।

ভারতের আকাশ ৩৪ রানে ২ এবং অশ্বিন ২২ রানে ১ উইকেট নেন।