ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ৬ অক্টোবর সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত যানবাহন চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জামালপুরে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা সরিষাবাড়ীতে অনলাইন জুয়ার ‘সম্রাট’ সবুজ গ্রেপ্তার দুর্গাপূজা : মাদারগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নকলায় পূজা মণ্ডপে জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি ডেঙ্গু প্রতিরোধে নকলায় মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেরপুরে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ছাত্রদল নেতার উপর হামলা : বিচার দাবি

জননিরাপত্তাকে আস্থার জায়গায় নিতেই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা

জননিরাপত্তাকে মানুষের আস্থার জায়গায় নিতেই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান।

তিনি বলেন, ‘মানুষ যাতে আরও জনবান্ধব পরিবেশে চলাচল করতে পারে, নিরাপদ বোধ করে, মানুষের মধ্যে যাতে নিরাপত্তা সম্পর্কিত আস্থা থাকে-এজন্যই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা (নির্বাহী ক্ষমতা) দেয়া হয়েছে।’

জনপ্রশাসন সচিব ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ‘সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতা’ প্রদান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

মোখলেস উর রহমান বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে সব পর্যায়ের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একই সঙ্গে, একই ছাতার নিচে কাজ করছে। এই মেসেজটার জন্যই এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনীকে মাত্র ৬০ দিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়ার হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার মনে করেছে বিস্তৃত পর্যায়ে মাঠের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের সেনাবাহিনী কাজ করছে। সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতা দেয়া হলে জনগণ আরও নিরাপদ বোধ করবে।’

প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা আছে, এক্ষেত্রে কোনও দ্বন্দ্ব তৈরি করবে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব বলেন, ‘প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কাজের সাথে সাংঘর্ষিক হবে না। এটা কোনও ক্যাডারের ক্ষমতা না, এটা রাষ্ট্রের ক্ষমতা। এক রাষ্ট্র, এক জনগণ, এক সরকার। জনস্বার্থে আপনি কাজ করেন, আমি কাজ করি। সেনাবাহিনীকে এই ক্ষমতা দেওয়া ভালো ফল দেবে।’

এর আগে মঙ্গলবার ‘দ্য কোড অব ক্রিমিন্যাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী দুই মাসের (৬০দিন) জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা সারাদেশে প্রয়োগ করতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

জননিরাপত্তাকে আস্থার জায়গায় নিতেই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা

আপডেট সময় ০৭:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

জননিরাপত্তাকে মানুষের আস্থার জায়গায় নিতেই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান।

তিনি বলেন, ‘মানুষ যাতে আরও জনবান্ধব পরিবেশে চলাচল করতে পারে, নিরাপদ বোধ করে, মানুষের মধ্যে যাতে নিরাপত্তা সম্পর্কিত আস্থা থাকে-এজন্যই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা (নির্বাহী ক্ষমতা) দেয়া হয়েছে।’

জনপ্রশাসন সচিব ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ‘সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতা’ প্রদান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

মোখলেস উর রহমান বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে সব পর্যায়ের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একই সঙ্গে, একই ছাতার নিচে কাজ করছে। এই মেসেজটার জন্যই এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনীকে মাত্র ৬০ দিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়ার হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার মনে করেছে বিস্তৃত পর্যায়ে মাঠের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের সেনাবাহিনী কাজ করছে। সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতা দেয়া হলে জনগণ আরও নিরাপদ বোধ করবে।’

প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা আছে, এক্ষেত্রে কোনও দ্বন্দ্ব তৈরি করবে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব বলেন, ‘প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কাজের সাথে সাংঘর্ষিক হবে না। এটা কোনও ক্যাডারের ক্ষমতা না, এটা রাষ্ট্রের ক্ষমতা। এক রাষ্ট্র, এক জনগণ, এক সরকার। জনস্বার্থে আপনি কাজ করেন, আমি কাজ করি। সেনাবাহিনীকে এই ক্ষমতা দেওয়া ভালো ফল দেবে।’

এর আগে মঙ্গলবার ‘দ্য কোড অব ক্রিমিন্যাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী দুই মাসের (৬০দিন) জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা সারাদেশে প্রয়োগ করতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।