ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

সুন্দরবনে প্রবেশে ১ জুন থেকে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমেলের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া সুন্দরবনের প্রাণপ্রকৃতি ঘুরে দাঁড়াতে, বন্যপ্রাণী ও মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে তিনমাসের জন্য জেলে-বনজীবীসহ দেশ-বিদেশের সব পর্যটকের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ১ জুন শনিবার থেকে আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

সুন্দরবনের বন্যপ্রাণি ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানস (আইআরএমপি) এর সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে প্রতি বছর এই নিষেধজ্ঞা জারি করেছে বন বিভাগ। ৩৬ ঘন্টার অধিক সময় ধরে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া এবার জেলেদের পাশিাপাশি বনজীবীসহ সব পর্যটকের সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে তিন মাস বন্ধ থাকবে সুন্দরবন প্রবেশের সব পাশ-পারমিট। সুন্দরবন বিভাগের পারমিট নিয়ে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে আবার জেলে-বনজীবীসহ সব ধরনের পর্যটকরা বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা (ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইড) ম্যানগ্রোভ এই বনে প্রবেশ করতে পারবে।

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক(সিএফ) মিহির দুমার দো জানান, জুন, জুলাই ও আগস্ট মাস হচ্ছে মৎস্য প্রজননের জন্য উপযুক্ত মৌসুম। এই সময় সাধারণত সব মাছে ডিম ছাড়ে। তাই ২০১৯ সাল থেকে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণি ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানস’র (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী প্রতিবছরের মতো এবছরও ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টম্বর পর্যন্ত তিনমাস মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকবে।

এছাড়াও এই সময়টি সুন্দরবনের বন্যপ্রাণিদেরও প্রজনন মৌসুম। এজন্য সুন্দরবন প্রবেশে তিনমাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর ফলে সুন্দরবনে এ তিন মাস নিরাপদে মৎস্য প্রজনন ঘটে থাকে। এবছর অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমেলের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া সুন্দরবনের প্রাণপ্রকৃতি ঘুরে দাঁড়াতে জেলেদের পাশাপাশি তিনমাস বনজীবীসহ দেশ-বিদেশের পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে করে ঘূর্ণিঘড়ের সুন্দরবনের বন্যপ্রাণিসহ গাছপালার যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

সুন্দরবনে প্রবেশে ১ জুন থেকে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ১০:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমেলের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া সুন্দরবনের প্রাণপ্রকৃতি ঘুরে দাঁড়াতে, বন্যপ্রাণী ও মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে তিনমাসের জন্য জেলে-বনজীবীসহ দেশ-বিদেশের সব পর্যটকের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ১ জুন শনিবার থেকে আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

সুন্দরবনের বন্যপ্রাণি ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানস (আইআরএমপি) এর সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে প্রতি বছর এই নিষেধজ্ঞা জারি করেছে বন বিভাগ। ৩৬ ঘন্টার অধিক সময় ধরে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া এবার জেলেদের পাশিাপাশি বনজীবীসহ সব পর্যটকের সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে তিন মাস বন্ধ থাকবে সুন্দরবন প্রবেশের সব পাশ-পারমিট। সুন্দরবন বিভাগের পারমিট নিয়ে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে আবার জেলে-বনজীবীসহ সব ধরনের পর্যটকরা বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা (ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইড) ম্যানগ্রোভ এই বনে প্রবেশ করতে পারবে।

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক(সিএফ) মিহির দুমার দো জানান, জুন, জুলাই ও আগস্ট মাস হচ্ছে মৎস্য প্রজননের জন্য উপযুক্ত মৌসুম। এই সময় সাধারণত সব মাছে ডিম ছাড়ে। তাই ২০১৯ সাল থেকে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণি ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানস’র (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী প্রতিবছরের মতো এবছরও ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টম্বর পর্যন্ত তিনমাস মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকবে।

এছাড়াও এই সময়টি সুন্দরবনের বন্যপ্রাণিদেরও প্রজনন মৌসুম। এজন্য সুন্দরবন প্রবেশে তিনমাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর ফলে সুন্দরবনে এ তিন মাস নিরাপদে মৎস্য প্রজনন ঘটে থাকে। এবছর অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমেলের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়া সুন্দরবনের প্রাণপ্রকৃতি ঘুরে দাঁড়াতে জেলেদের পাশাপাশি তিনমাস বনজীবীসহ দেশ-বিদেশের পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে করে ঘূর্ণিঘড়ের সুন্দরবনের বন্যপ্রাণিসহ গাছপালার যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।