ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে বজ্রপাত রোধ ও পরিবেশ রক্ষায় তিন শতাধিক তালবীজ রোপণ হৃদয়ের রেকর্ডগড়া ডাবল সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত বকশীগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাংবাদিক লায়নের পিতার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান ৭৫ কোটি টাকা নিয়ে উধাও দুই এনজিও

হাজরাবাড়ীর প্রথম মেয়র সামছুজ্জামান, আদ্রা ফুলকোচায়ও নৌকার বিজয়

মুত্তাছিম বিল্লাহ্, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী পৌরসভা এবং আদ্রা ও ফুলকোচা ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন ২ নভেম্বর শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাজরাবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনে চার হাজার ৩৫৬ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সামছুজ্জামান মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনজুরুল ইসলাম মনজু জগ প্রতীকে পেয়েছেন দুই হাজার ৬৪৯ ভোট। একই দিনে দুটি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। নির্বচানের সবগুলো কেন্দ্রেই ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটাভুটি হয়।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর গঠিত হওয়া হাজরাবাড়ী পৌরসভার প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো ২ নভেম্বর। পৌরসভার নয়টি কেন্দ্র ও কেন্দ্রগুলোর প্রতিটি ভোটকক্ষে ভোটের কার্যক্রম সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সামছুজ্জামান নৌকা প্রতীকে চার হাজার ৩৫৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনজুরুল ইসলাম জগ প্রতীকে পেয়েছেন দুই হাজার ছয়শত উনপঞ্চাশ ভোট। নির্বাচনে মেয়র পদে চারজন, সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১৬ জন কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এদিকে উপজেলার আদ্রা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম নৌকা প্রতীকে সাত হাজার ৭৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রকিবুল ইসলাম মোটর সাইকেল প্রতীকে তিন হাজার ৬৫৫ ভোট পান। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীসহ চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। একই সাথে সংরক্ষিত তিনটি ওয়ার্ডের নারী সদস্য পদে ১১ জন এবং নয়টি সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য পদে ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

উপজেলার ফুলকোচা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মামুনুর রশিদ নৌকা প্রতীকে পাঁচ হাজার ৯০০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. কামাল উদ্দিন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন এক হাজার ৯৬৮ ভোট। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীসহ চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে সংরক্ষিত তিনটি ওয়ার্ডের নারী সদস্য পদে ১২ জন এবং নয়টি সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য পদে ৩৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ার মাহমুদ বাংলারচিঠিডটকমকে জানান, হাজরাবাড়ী পৌরসভা এবং আদ্রা ও ফুলকোচা ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে ইভিএম এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে কেনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরো জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার সদস্য মোতায়েনসহ ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোট দিতে পারে এজন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব রকমের প্রস্তুতি ছিল।

আপলোডকারীর তথ্য

কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

হাজরাবাড়ীর প্রথম মেয়র সামছুজ্জামান, আদ্রা ফুলকোচায়ও নৌকার বিজয়

আপডেট সময় ০৬:৫৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২

মুত্তাছিম বিল্লাহ্, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী পৌরসভা এবং আদ্রা ও ফুলকোচা ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন ২ নভেম্বর শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাজরাবাড়ী পৌরসভা নির্বাচনে চার হাজার ৩৫৬ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সামছুজ্জামান মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনজুরুল ইসলাম মনজু জগ প্রতীকে পেয়েছেন দুই হাজার ৬৪৯ ভোট। একই দিনে দুটি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। নির্বচানের সবগুলো কেন্দ্রেই ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটাভুটি হয়।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর গঠিত হওয়া হাজরাবাড়ী পৌরসভার প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো ২ নভেম্বর। পৌরসভার নয়টি কেন্দ্র ও কেন্দ্রগুলোর প্রতিটি ভোটকক্ষে ভোটের কার্যক্রম সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সামছুজ্জামান নৌকা প্রতীকে চার হাজার ৩৫৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনজুরুল ইসলাম জগ প্রতীকে পেয়েছেন দুই হাজার ছয়শত উনপঞ্চাশ ভোট। নির্বাচনে মেয়র পদে চারজন, সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১৬ জন কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এদিকে উপজেলার আদ্রা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম নৌকা প্রতীকে সাত হাজার ৭৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতীদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রকিবুল ইসলাম মোটর সাইকেল প্রতীকে তিন হাজার ৬৫৫ ভোট পান। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীসহ চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। একই সাথে সংরক্ষিত তিনটি ওয়ার্ডের নারী সদস্য পদে ১১ জন এবং নয়টি সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য পদে ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

উপজেলার ফুলকোচা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মামুনুর রশিদ নৌকা প্রতীকে পাঁচ হাজার ৯০০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. কামাল উদ্দিন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন এক হাজার ৯৬৮ ভোট। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীসহ চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে সংরক্ষিত তিনটি ওয়ার্ডের নারী সদস্য পদে ১২ জন এবং নয়টি সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য পদে ৩৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ার মাহমুদ বাংলারচিঠিডটকমকে জানান, হাজরাবাড়ী পৌরসভা এবং আদ্রা ও ফুলকোচা ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে ইভিএম এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে কেনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরো জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার সদস্য মোতায়েনসহ ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোট দিতে পারে এজন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব রকমের প্রস্তুতি ছিল।