ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল পাঁচ বছরে মাদারগঞ্জে এক লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা বিএনপির সরিষাবাড়ীতে মাদক জুয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু জামালপুরে মেয়র পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী সোহেল রানা খানের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জমজমাট আয়োজনে ‘জামালপুর জেলা সমিতি অব নর্থ আমেরিকা ইনক’র অভিষেক অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে চরাঞ্চলের ২৩০ পরিবার পেল হাঁস-মুরগি জামালপুরে জেসমিন প্রকল্পের সেরা চর্চা বিষয়ক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কন্যা শিশুদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য : প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কন্যা শিশুদের যথাযথ শিক্ষা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

৪ অক্টোবর ‘জাতীয় কন্যা শিশু দিবস-২০২২’ উপলক্ষ্যে ৩ অক্টোবর দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সময়ের অঙ্গীকার, কন্যা শিশুর অধিকার’- এই প্রতিপাদ্যকে উপজীব্য করে দেশব্যাপী ‘জাতীয় কন্যা শিশু দিবস-২০২২’ উদযাপন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের সকল কন্যা শিশুকে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও স্নেহাশীষ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোখ্য অংশ হচ্ছে কন্যা শিশু। আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কন্যা শিশুদের যথাযথ শিক্ষা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। আমার বিশ্বাস- কন্যা শিশুদের বিকশিত হওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে, তারা যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হয়ে উঠবে এবং সরকারের রুপকল্প বাস্তবায়নে তথা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে গত পৌনে ১৪ বছর ধরে সরকার পরিচালনা করে আসছে। এসজিডি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নারী ও কন্যা শিশুদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। কন্যা শিশুদের কল্যাণে অবৈতনিক শিক্ষার প্রচলন, উপবৃত্তি প্রবর্তন, বিনামূল্যে বই বিতরণ, নারী শিক্ষকদের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। আমাদের সরকার জাতীয় শিশুনীতি-২০১১ ও জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ প্রণয়ন করেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন (দমন) আইন-২০০০ এ নতুন ধারা সংযোজন এবং বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের গৃহীত এসব পদক্ষেপের ফলে বাল্যবিবাহ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। বিদ্যালয়ে ছাত্রী ভর্তির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনেও মেয়েরা সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছে। অতিসম্প্রতি সাফ ফুটবলে বাংলাদেশ নারী ফুটবল টিম চ্যাম্পিয়ন হয়ে পুরো জাতিকে গর্বিত করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় কন্যা শিশু দিবস -২০২২’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কন্যা শিশুদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৫১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কন্যা শিশুদের যথাযথ শিক্ষা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

৪ অক্টোবর ‘জাতীয় কন্যা শিশু দিবস-২০২২’ উপলক্ষ্যে ৩ অক্টোবর দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সময়ের অঙ্গীকার, কন্যা শিশুর অধিকার’- এই প্রতিপাদ্যকে উপজীব্য করে দেশব্যাপী ‘জাতীয় কন্যা শিশু দিবস-২০২২’ উদযাপন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের সকল কন্যা শিশুকে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও স্নেহাশীষ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোখ্য অংশ হচ্ছে কন্যা শিশু। আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কন্যা শিশুদের যথাযথ শিক্ষা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। আমার বিশ্বাস- কন্যা শিশুদের বিকশিত হওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে, তারা যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হয়ে উঠবে এবং সরকারের রুপকল্প বাস্তবায়নে তথা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে গত পৌনে ১৪ বছর ধরে সরকার পরিচালনা করে আসছে। এসজিডি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নারী ও কন্যা শিশুদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। কন্যা শিশুদের কল্যাণে অবৈতনিক শিক্ষার প্রচলন, উপবৃত্তি প্রবর্তন, বিনামূল্যে বই বিতরণ, নারী শিক্ষকদের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। আমাদের সরকার জাতীয় শিশুনীতি-২০১১ ও জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ প্রণয়ন করেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন (দমন) আইন-২০০০ এ নতুন ধারা সংযোজন এবং বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের গৃহীত এসব পদক্ষেপের ফলে বাল্যবিবাহ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। বিদ্যালয়ে ছাত্রী ভর্তির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনেও মেয়েরা সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছে। অতিসম্প্রতি সাফ ফুটবলে বাংলাদেশ নারী ফুটবল টিম চ্যাম্পিয়ন হয়ে পুরো জাতিকে গর্বিত করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় কন্যা শিশু দিবস -২০২২’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।