ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

বকশীগঞ্জে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জিরো টলারেন্সে প্রশাসন

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নোভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জিরো টলারেন্স অবলম্বন করছেন জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কঠোর তৎপরতায় বকশীগঞ্জ পৌর শহরসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো এখন প্রায়ই ফাঁকা। ফলে প্রায়ই জনশূন্য হয়ে পড়েছে পৌর শহর।

২৬ মার্চ থেকে প্রশাসনের সতর্কতা আরো বেড়ে গেছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্নিগ্ধা দাস, বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ও তার থানার পুলিশ সদস্যরা রাস্তায় নেমে পড়েছেন। মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টি করতে শহর-নগর ফাঁকা করে দেওয়া হচ্ছে।

মানুষের সচেতনতা বাড়াতে প্রতিটি ইউনিয়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে। রাস্তায় বের হলেই কারণ জিজ্ঞাসাসহ নানাভাবে মানুষকে বুঝানো হচ্ছে। করোনা প্রতিরোধে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করার কথা বলা হচ্ছে। দুই তিন জন এক সাথে হলেই ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার সকল যানচলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও পুলিশ ঝুঁকি নিয়েও তাদের কর্তব্য পালন করতে দেখা গেছে। প্রয়োজন ছাড়া কাউকেই শহরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

২৭ মার্চ বকশীগঞ্জ শহরের সকল বিপণীবিতানগুলো বন্ধ ছিল। শহর ছিল প্রায় ফাঁকা। প্রশাসনের ভয়ে কেউ বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না।

প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতির কারণে কোথাও কোন গণজমায়েত হওয়ার সুযোগ পান নি কেউ। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে অনেকেই আবার স্বেচ্ছায় বাড়িতে অবস্থান করছেন। তবে শুধু শহরেই নয় গ্রামের বিভিন্ন বাজারগুলোতেও প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন অনেকেই ।

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

বকশীগঞ্জে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জিরো টলারেন্সে প্রশাসন

আপডেট সময় ০৮:৪০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২০

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নোভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জিরো টলারেন্স অবলম্বন করছেন জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কঠোর তৎপরতায় বকশীগঞ্জ পৌর শহরসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো এখন প্রায়ই ফাঁকা। ফলে প্রায়ই জনশূন্য হয়ে পড়েছে পৌর শহর।

২৬ মার্চ থেকে প্রশাসনের সতর্কতা আরো বেড়ে গেছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্নিগ্ধা দাস, বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ও তার থানার পুলিশ সদস্যরা রাস্তায় নেমে পড়েছেন। মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টি করতে শহর-নগর ফাঁকা করে দেওয়া হচ্ছে।

মানুষের সচেতনতা বাড়াতে প্রতিটি ইউনিয়নে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে। রাস্তায় বের হলেই কারণ জিজ্ঞাসাসহ নানাভাবে মানুষকে বুঝানো হচ্ছে। করোনা প্রতিরোধে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করার কথা বলা হচ্ছে। দুই তিন জন এক সাথে হলেই ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হচ্ছে। দূরপাল্লার সকল যানচলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ও পুলিশ ঝুঁকি নিয়েও তাদের কর্তব্য পালন করতে দেখা গেছে। প্রয়োজন ছাড়া কাউকেই শহরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

২৭ মার্চ বকশীগঞ্জ শহরের সকল বিপণীবিতানগুলো বন্ধ ছিল। শহর ছিল প্রায় ফাঁকা। প্রশাসনের ভয়ে কেউ বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না।

প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতির কারণে কোথাও কোন গণজমায়েত হওয়ার সুযোগ পান নি কেউ। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে অনেকেই আবার স্বেচ্ছায় বাড়িতে অবস্থান করছেন। তবে শুধু শহরেই নয় গ্রামের বিভিন্ন বাজারগুলোতেও প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন অনেকেই ।