ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে বজ্রপাত রোধ ও পরিবেশ রক্ষায় তিন শতাধিক তালবীজ রোপণ হৃদয়ের রেকর্ডগড়া ডাবল সেঞ্চুরিতে তৃতীয় দিন বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত বকশীগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাংবাদিক লায়নের পিতার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান ৭৫ কোটি টাকা নিয়ে উধাও দুই এনজিও

বকশীগঞ্জে ছাত্রী যৌননিপীড়নকারী সেই শিক্ষককে আদালতে সোপর্দ

বকশীগঞ্জে ছাত্রী উত্যক্তকারী শিক্ষক মো. আরিফুর রহমান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জে ছাত্রী উত্যক্তকারী শিক্ষক মো. আরিফুর রহমান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌননিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক মো. আরিফুর রহমানের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ১৮ এপ্রিল রাতে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ১৯ এপ্রিল তাকে জামালপুর মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, শিক্ষক আরিফুর রহমান বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোর ইউনিয়নের পশ্চিম বাট্টাজোর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। উপজেলার ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক তিনি। তিনি বিবাহিত হলেও ওই বিদ্যালয়ের পেছনেই স্থানীয় টিক্কা মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে একাই ওই বাসায় থাকতেন এবং শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াতেন।

শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর ওপর তার কুনজর পড়ে। প্রাইভেট পড়ার সময় প্রলোভন দেখানো, তার ব্যক্তিগত কক্ষে যেতে বলা এবং ব্যাচে পড়া শেষে তাকে একা আরো পড়ানোর কথা বলে কিছুক্ষণ থাকতে বলাসহ নানাভাবে তাকে যৌননিপীড়ন করে আসছিলেন শিক্ষক আরিফুর রহমান। সর্বশেষ পহেলা বৈশাখ তিনি ওই ছাত্রীর মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়ে উত্যক্ত করেন। এতে করে ওই শিক্ষার্থী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

উত্যক্ত করার বিষয়টি ওই ছাত্রী তার বাবা-মায়ের কাছে খুলে বলে। এ ঘটনায় ১৮ এপ্রিল ওই বিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে শিক্ষক আরিফুর রহমানকে অপসারণসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ ওই দিন বিকেলে তাকে আটক করে।

এদিকে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফরহাদ হোসেন বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘ছাত্রীকে যৌননিপীড়নের অভিযোগে আটক শিক্ষক আরিফুর রহমানের বিষয়ে ২০ এপ্রিল বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভা ডাকা হয়েছে। ওই সভায় তার বিরুদ্ধে করণীয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহবুব আলম বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘ওই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে আটক শিক্ষক আরিফুর রহমানের বিরুদ্ধে যৌননিপীড়নের অভিযোগ এনে ছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামি আরিফুর রহমানকে ১৯ এপ্রিল সকালে জামালপুরের মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

বকশীগঞ্জে ছাত্রী যৌননিপীড়নকারী সেই শিক্ষককে আদালতে সোপর্দ

আপডেট সময় ০৮:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯
বকশীগঞ্জে ছাত্রী উত্যক্তকারী শিক্ষক মো. আরিফুর রহমান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌননিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক মো. আরিফুর রহমানের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ১৮ এপ্রিল রাতে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ১৯ এপ্রিল তাকে জামালপুর মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, শিক্ষক আরিফুর রহমান বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোর ইউনিয়নের পশ্চিম বাট্টাজোর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। উপজেলার ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক তিনি। তিনি বিবাহিত হলেও ওই বিদ্যালয়ের পেছনেই স্থানীয় টিক্কা মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে একাই ওই বাসায় থাকতেন এবং শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াতেন।

শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর ওপর তার কুনজর পড়ে। প্রাইভেট পড়ার সময় প্রলোভন দেখানো, তার ব্যক্তিগত কক্ষে যেতে বলা এবং ব্যাচে পড়া শেষে তাকে একা আরো পড়ানোর কথা বলে কিছুক্ষণ থাকতে বলাসহ নানাভাবে তাকে যৌননিপীড়ন করে আসছিলেন শিক্ষক আরিফুর রহমান। সর্বশেষ পহেলা বৈশাখ তিনি ওই ছাত্রীর মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়ে উত্যক্ত করেন। এতে করে ওই শিক্ষার্থী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

উত্যক্ত করার বিষয়টি ওই ছাত্রী তার বাবা-মায়ের কাছে খুলে বলে। এ ঘটনায় ১৮ এপ্রিল ওই বিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে শিক্ষক আরিফুর রহমানকে অপসারণসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ ওই দিন বিকেলে তাকে আটক করে।

এদিকে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফরহাদ হোসেন বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘ছাত্রীকে যৌননিপীড়নের অভিযোগে আটক শিক্ষক আরিফুর রহমানের বিষয়ে ২০ এপ্রিল বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভা ডাকা হয়েছে। ওই সভায় তার বিরুদ্ধে করণীয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহবুব আলম বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘ওই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে আটক শিক্ষক আরিফুর রহমানের বিরুদ্ধে যৌননিপীড়নের অভিযোগ এনে ছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামি আরিফুর রহমানকে ১৯ এপ্রিল সকালে জামালপুরের মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।