ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪ বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার আহ্বান ল্যানসেটের দুর্নীতি ও দাবানল মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে শেরপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ জামালপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ নিরাপদ সড়কের জন্য রোড-শো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

ইংরেজিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ট্রাম্পের মনোনয়ন

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১ মার্চ শনিবার ইংরেজিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে মনোনীত করেছেন। তিনি বলেন, এটি সারাবিশ্ব থেকে আগত অভিবাসীদের দেশ হিসেবে পরিচিত দেশটিতে সংহতি আনবে। ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

হোয়াইট হাউস প্রকাশিত ট্রাম্পের একটি নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, অনেক দিন আগে থেকেই ইংরেজিকে দেশের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

আদেশে বলা হয়, ‘একটি ঐক্যবদ্ধ ও সুসংহত সমাজের মূলে রয়েছে, জাতীয়ভাবে মনোনীত একটি ভাষা। একটি সুনির্দিষ্ট ভাষায় স্বাধীনভাবে ভাব বিনিময়ের মাধ্যমে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা জাতীয় মূল্যবোধকে শক্তিশালী করবে এবং আরও সুসংহত ও দক্ষ সমাজ গঠন করবে।’

এই আদেশটি ১৯৯০-এর দশকে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের আমলে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ রদ করেছে, যেখানে ফেডারেল সংস্থা এবং ফেডারেল তহবিল প্রাপ্ত সংস্থাগুলিকে অ-ইংরেজি ভাষাভাষীদের সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নতুন আদেশে বলা হয়, ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষায় কতটা সাহায্য প্রদান করা হবে তা নির্ধারণের জন্য সংস্থাগুলো এখনো নমনীয় থাকবে।

নির্বাহী আদেশে আরো বলা হয়, ‘এই আদেশের কোনো কিছুই কোনো সংস্থার পরিষেবাগুলোতে কোনো পরিবর্তনের নির্দেশ দেয় না।’

এতে আরো বলা হয়, সংস্থা প্রধানদের ‘তাদের নিজ নিজ সংস্থার লক্ষ্য পূরণ এবং আমেরিকান জনগণকে দক্ষতার সাথে সরকারি পরিষেবা প্রদানের জন্য কী প্রয়োজন তা নির্ধারণ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।’

ট্রাম্প তার ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম সপ্তাহেই দেশটিতে তার ডানপন্থী স্ট্যাম্প লাগানোর জন্য একগুচ্ছ নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন। তার অনেক আদেশকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।

যদিও হোয়াইট হাউস স্বীকার করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫০টিরও বেশি ভাষায় কথা বলা হয়, তবে আদেশে বলা হয়েছে, ইংরেজি ‘আমাদের প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই’ জাতির ভাষা, এবং ‘আমাদের জাতির ঐতিহাসিক পরিচালনা দলিল।’ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এবং সংবিধান অন্তর্ভুক্ত সবই ইংরেজিতে লেখা হয়েছে।’

দেশটিতে ইংরেজি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাষা। তবে ২০১৯ সালের মার্কিন সরকারের পরিসংখ্যান অনুসারে, প্রায় ৬ কোটি ৮০ লাখ মানুষ বাড়িতে ইংরেজি ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় কথা বলে। অনুমান করা হয় আমেরিকার ৪ কোটির বেশি মানুষ বাড়িতে স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলে।

চীনা ও ভিয়েতনামীসহ অন্যান্য অভিবাসী গোষ্ঠী ছাড়াও, জটিল মার্কিন ভাষাগত ভূদৃশ্যে বেশ কয়েকটি স্থানীয় আমেরিকান ভাষা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪

ইংরেজিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ট্রাম্পের মনোনয়ন

আপডেট সময় ০৮:৫৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১ মার্চ শনিবার ইংরেজিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে মনোনীত করেছেন। তিনি বলেন, এটি সারাবিশ্ব থেকে আগত অভিবাসীদের দেশ হিসেবে পরিচিত দেশটিতে সংহতি আনবে। ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

হোয়াইট হাউস প্রকাশিত ট্রাম্পের একটি নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, অনেক দিন আগে থেকেই ইংরেজিকে দেশের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

আদেশে বলা হয়, ‘একটি ঐক্যবদ্ধ ও সুসংহত সমাজের মূলে রয়েছে, জাতীয়ভাবে মনোনীত একটি ভাষা। একটি সুনির্দিষ্ট ভাষায় স্বাধীনভাবে ভাব বিনিময়ের মাধ্যমে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা জাতীয় মূল্যবোধকে শক্তিশালী করবে এবং আরও সুসংহত ও দক্ষ সমাজ গঠন করবে।’

এই আদেশটি ১৯৯০-এর দশকে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের আমলে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ রদ করেছে, যেখানে ফেডারেল সংস্থা এবং ফেডারেল তহবিল প্রাপ্ত সংস্থাগুলিকে অ-ইংরেজি ভাষাভাষীদের সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নতুন আদেশে বলা হয়, ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষায় কতটা সাহায্য প্রদান করা হবে তা নির্ধারণের জন্য সংস্থাগুলো এখনো নমনীয় থাকবে।

নির্বাহী আদেশে আরো বলা হয়, ‘এই আদেশের কোনো কিছুই কোনো সংস্থার পরিষেবাগুলোতে কোনো পরিবর্তনের নির্দেশ দেয় না।’

এতে আরো বলা হয়, সংস্থা প্রধানদের ‘তাদের নিজ নিজ সংস্থার লক্ষ্য পূরণ এবং আমেরিকান জনগণকে দক্ষতার সাথে সরকারি পরিষেবা প্রদানের জন্য কী প্রয়োজন তা নির্ধারণ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।’

ট্রাম্প তার ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম সপ্তাহেই দেশটিতে তার ডানপন্থী স্ট্যাম্প লাগানোর জন্য একগুচ্ছ নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন। তার অনেক আদেশকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।

যদিও হোয়াইট হাউস স্বীকার করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫০টিরও বেশি ভাষায় কথা বলা হয়, তবে আদেশে বলা হয়েছে, ইংরেজি ‘আমাদের প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই’ জাতির ভাষা, এবং ‘আমাদের জাতির ঐতিহাসিক পরিচালনা দলিল।’ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এবং সংবিধান অন্তর্ভুক্ত সবই ইংরেজিতে লেখা হয়েছে।’

দেশটিতে ইংরেজি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাষা। তবে ২০১৯ সালের মার্কিন সরকারের পরিসংখ্যান অনুসারে, প্রায় ৬ কোটি ৮০ লাখ মানুষ বাড়িতে ইংরেজি ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় কথা বলে। অনুমান করা হয় আমেরিকার ৪ কোটির বেশি মানুষ বাড়িতে স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলে।

চীনা ও ভিয়েতনামীসহ অন্যান্য অভিবাসী গোষ্ঠী ছাড়াও, জটিল মার্কিন ভাষাগত ভূদৃশ্যে বেশ কয়েকটি স্থানীয় আমেরিকান ভাষা রয়েছে।