ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী স্কুলজীবনে শিক্ষকদের স্মৃতি : শাহ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ছাগল পেল ১২০ পরিবার মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় : মির্জা ফখরুল রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পর্কে জনগণের সঠিক ধারণা নির্ভর করে গণমাধ্যমের ওপর : তথ্যমন্ত্রী কাজী নজরুল আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৩৫৭ টাকা অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল বেটিং ও ম্যাচ ফিক্সিং ঠেকাতে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ পাস সঙ্গীত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে অনন্য সেতুবন্ধ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

শান্তিবাগে রাস্তার জমি নিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী মো. সিরাজুল ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী মো. সিরাজুল ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুর শহরের শান্তিবাগে ৩০ বছরের চলাচলের রাস্তাকে অবৈধ দাবি করে আসছেন ব্যবসায়ী মতিউর রহমান স্বপন। এ নিয়ে তার চাঁদাবাজি ও হয়রানির প্রতিবাদে জামালপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিজেদের ছেড়ে দেওয়া জমিতে রাস্তাটির দাবিদার সিরাজুল ইসলামসহ পাঁচজন ভুক্তভোগী। ২৮ নভেম্বর দুপুরে জামালপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, আজিজুল হক মন্টু, আব্দুর রউফ, আব্দুল মান্নান, আইয়ূব ইসলাম এবং আমি শান্তিবাগ এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। আমরা বিভিন্ন সময়ে আরওআর রেকর্ডিয় মালিক (খতিয়ান নং ২১৭, দাগ নং ৬২৫৮, মৌজা: সিংহজানী) ইজ্জত আলীর ছেলেদের কাছ থেকে খরিদ মূলে প্রাপ্ত হয়ে আলাদা আলাদা নামজারি খতিয়ান খুলে নিজ নিজ জমিতে বাসা বাড়ি নির্মাণ করে ৩০ বছর ধরে বসবাস করে আসছি।

পরবর্তীতে মৃত ইজ্জত আলীর ওয়ারিশদের নামে বিআরএস পর্চা প্রকাশিত হলে আমরা প্রত্যেকে আলাদা আলাদা নামজারি ও খতিয়ান খুলে ভূমি উন্নয়ন কর নিয়মিতভাবে পরিশোধ করে আসছি। কিন্তু প্রতিপক্ষ মতিউর রহমান ২ শতাংশ জমি ক্রয় করে ১.৮৮ শতাংশ জমির ওপর পাঁকা ভবন নির্মাণ করার সময় থেকেই আমাদের ওপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন করছে। দিনদিন তার নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি বলেন, সিরাজুল ইসলাম, আজিজুল হক ও আব্দুর রউফ তাদের ক্রয়কৃত জমি থেকে যথাক্রমে ০.২৮, ০.২৫ এবং ০.২০ শতাংশ জমি ছেড়ে দেওয়া যৌথ মালিকানাধীন দীর্ঘ ৩০ বছরের চলাচলের রাস্তাকে মতিউর রহমান নিজের বলে অবৈধ দাবি করছেন। বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমা দিয়ে হয়রানি করে আসছেন। আমার ভবনের পানি নিষ্কাশনের পাইপ চলাচলের রাস্তাটির মাটির নিচ দিয়ে স্থাপন করতে গেলে মতিউর রহমান বাধা দেন। এ ব্যাপারে পৌরসভায় অভিযোগ করা হলে প্যানেল মেয়র-১, সার্ভেয়ার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মিলে সকল পক্ষকে নিয়ে একটি সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হয়। ওই বৈঠকে সিরাজুল ইসলামের ভবনের পানি নিষ্কাশনের পাইপ চলাচলের রাস্তার মাটির নিচে দিয়ে স্থাপন ও রাষ্ট্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়।

কিন্তু মতিউর রহমান পৌরসভার সিদ্ধান্তকে অমান্য করে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্র্রেট বরাবর চলাচলের রাস্তার ওপর ১৪৪ ধারার মামলা দায়ের করেন। আদালত ইউএলএও ও সার্ভেয়ারের তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি ৬ নভেম্বর খারিজ করে দেন। পরবর্তীতে ৮ নভেম্বর জামালপুরের সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে রাস্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আরও একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত বিবাদী পক্ষের লিখিত জবাব পর্যালোচনা ও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি না মঞ্জুর করে দেন। কিন্তু মতিউর রহমান এবারও আদালতের আদেশকে অগ্রাহ্য করে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মহড়া দেওয়া শুরু করে এবং ওই চলাচলের রাস্তা কাউকেই ব্যবহার করতে দেবেন না বলে হুমকি দেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গত ২৪ নভেম্বর বেলা ১১টার দিকে সিরাজুল ইসলাম তার ভবনের পানি নিষ্কাশনের পাইপ স্থাপন করতে যান। এ সময় মতিউর রহমান তার পরিবারের সকল সদস্য ও অজ্ঞাত ১০/১২ জন লোক নিয়ে সিরাজুল ইসলামের কাজে বাধা দিয়ে স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। বিষয়টি জামালপুর সদর থানার ওসিকে জানানো হয়। খবর পেয়ে সিরাজুল ইসলামের পরিবারকে আক্রমণ থেকে উদ্ধার করেন তিনি। উভয় পক্ষকে থানায় নিয়ে তিনি দুইদিনের মধ্যে বিরোধ মীমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু মতিউর রহমান তা অগ্রাহ্য করে আবারো বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন। গত ২৬ নভেম্বর সিরাজুল ইসলামসহ চারজনকে আসামি করে বিজ্ঞ আমলি আদালত বরাবর একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় কয়েকজন আসামি ঢাকায় তাদের কর্মস্থলে সপরিবারের বসবাস করেন। ওই ঘটনার সাথে তাদের কোনই সম্পৃক্ততা নেই।

সিরাজুল ইসলাম আরও বলেন, প্রতিপক্ষ মতিউর রহমান তার নিজের তিনতলা ভবন বিল্ডিং কোড না মেনে নির্মাণ করেছেন। তার ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি ও রিজার্ভ ট্যাঙ্কের পানি পাইপের মাধ্যমে আজিজুল হকের গেটের সামনে ও উঠানে ফেলা হচ্ছে। এছাড়াও চলাচলের রাস্তায় গাছ লাগিয়ে ও সাবমারসিবল পাম্প স্থাপন করে রাস্তাকে সংকীর্ণ করে ফেলেছে। চলাচলের রাস্তায় আব্দুর রউফের জমি থাকা সত্ত্বেও তার বিল্ডিংয়ের সিঁড়ি রাস্তার দিকে দিতে দেয়নি। মতিউর রহমানের ছাদ আব্দুল মান্নানের বিল্ডিংয়ের ছাদের ওপর পর্যন্ত নিয়েছে। আইয়ুবের বিল্ডিং নির্মাণের সময় মিথ্যা অভিযোগ করে তার কাছ থেকে প্রায় ১৩ লাখ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে মতিউর রহমান। বর্তমানে ভুক্তভোগী সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মতিউর রহমানের চাঁদাবাজি, অত্যাচার ও নিপীড়নমূলক তৎপরতা হতে মুক্তি পেতে সরকার, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

শান্তিবাগে রাস্তার জমি নিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ১২:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী মো. সিরাজুল ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুর শহরের শান্তিবাগে ৩০ বছরের চলাচলের রাস্তাকে অবৈধ দাবি করে আসছেন ব্যবসায়ী মতিউর রহমান স্বপন। এ নিয়ে তার চাঁদাবাজি ও হয়রানির প্রতিবাদে জামালপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিজেদের ছেড়ে দেওয়া জমিতে রাস্তাটির দাবিদার সিরাজুল ইসলামসহ পাঁচজন ভুক্তভোগী। ২৮ নভেম্বর দুপুরে জামালপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, আজিজুল হক মন্টু, আব্দুর রউফ, আব্দুল মান্নান, আইয়ূব ইসলাম এবং আমি শান্তিবাগ এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। আমরা বিভিন্ন সময়ে আরওআর রেকর্ডিয় মালিক (খতিয়ান নং ২১৭, দাগ নং ৬২৫৮, মৌজা: সিংহজানী) ইজ্জত আলীর ছেলেদের কাছ থেকে খরিদ মূলে প্রাপ্ত হয়ে আলাদা আলাদা নামজারি খতিয়ান খুলে নিজ নিজ জমিতে বাসা বাড়ি নির্মাণ করে ৩০ বছর ধরে বসবাস করে আসছি।

পরবর্তীতে মৃত ইজ্জত আলীর ওয়ারিশদের নামে বিআরএস পর্চা প্রকাশিত হলে আমরা প্রত্যেকে আলাদা আলাদা নামজারি ও খতিয়ান খুলে ভূমি উন্নয়ন কর নিয়মিতভাবে পরিশোধ করে আসছি। কিন্তু প্রতিপক্ষ মতিউর রহমান ২ শতাংশ জমি ক্রয় করে ১.৮৮ শতাংশ জমির ওপর পাঁকা ভবন নির্মাণ করার সময় থেকেই আমাদের ওপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন করছে। দিনদিন তার নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি বলেন, সিরাজুল ইসলাম, আজিজুল হক ও আব্দুর রউফ তাদের ক্রয়কৃত জমি থেকে যথাক্রমে ০.২৮, ০.২৫ এবং ০.২০ শতাংশ জমি ছেড়ে দেওয়া যৌথ মালিকানাধীন দীর্ঘ ৩০ বছরের চলাচলের রাস্তাকে মতিউর রহমান নিজের বলে অবৈধ দাবি করছেন। বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমা দিয়ে হয়রানি করে আসছেন। আমার ভবনের পানি নিষ্কাশনের পাইপ চলাচলের রাস্তাটির মাটির নিচ দিয়ে স্থাপন করতে গেলে মতিউর রহমান বাধা দেন। এ ব্যাপারে পৌরসভায় অভিযোগ করা হলে প্যানেল মেয়র-১, সার্ভেয়ার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মিলে সকল পক্ষকে নিয়ে একটি সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হয়। ওই বৈঠকে সিরাজুল ইসলামের ভবনের পানি নিষ্কাশনের পাইপ চলাচলের রাস্তার মাটির নিচে দিয়ে স্থাপন ও রাষ্ট্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়।

কিন্তু মতিউর রহমান পৌরসভার সিদ্ধান্তকে অমান্য করে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্র্রেট বরাবর চলাচলের রাস্তার ওপর ১৪৪ ধারার মামলা দায়ের করেন। আদালত ইউএলএও ও সার্ভেয়ারের তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি ৬ নভেম্বর খারিজ করে দেন। পরবর্তীতে ৮ নভেম্বর জামালপুরের সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে রাস্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আরও একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত বিবাদী পক্ষের লিখিত জবাব পর্যালোচনা ও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি না মঞ্জুর করে দেন। কিন্তু মতিউর রহমান এবারও আদালতের আদেশকে অগ্রাহ্য করে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মহড়া দেওয়া শুরু করে এবং ওই চলাচলের রাস্তা কাউকেই ব্যবহার করতে দেবেন না বলে হুমকি দেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গত ২৪ নভেম্বর বেলা ১১টার দিকে সিরাজুল ইসলাম তার ভবনের পানি নিষ্কাশনের পাইপ স্থাপন করতে যান। এ সময় মতিউর রহমান তার পরিবারের সকল সদস্য ও অজ্ঞাত ১০/১২ জন লোক নিয়ে সিরাজুল ইসলামের কাজে বাধা দিয়ে স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। বিষয়টি জামালপুর সদর থানার ওসিকে জানানো হয়। খবর পেয়ে সিরাজুল ইসলামের পরিবারকে আক্রমণ থেকে উদ্ধার করেন তিনি। উভয় পক্ষকে থানায় নিয়ে তিনি দুইদিনের মধ্যে বিরোধ মীমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু মতিউর রহমান তা অগ্রাহ্য করে আবারো বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন। গত ২৬ নভেম্বর সিরাজুল ইসলামসহ চারজনকে আসামি করে বিজ্ঞ আমলি আদালত বরাবর একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় কয়েকজন আসামি ঢাকায় তাদের কর্মস্থলে সপরিবারের বসবাস করেন। ওই ঘটনার সাথে তাদের কোনই সম্পৃক্ততা নেই।

সিরাজুল ইসলাম আরও বলেন, প্রতিপক্ষ মতিউর রহমান তার নিজের তিনতলা ভবন বিল্ডিং কোড না মেনে নির্মাণ করেছেন। তার ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি ও রিজার্ভ ট্যাঙ্কের পানি পাইপের মাধ্যমে আজিজুল হকের গেটের সামনে ও উঠানে ফেলা হচ্ছে। এছাড়াও চলাচলের রাস্তায় গাছ লাগিয়ে ও সাবমারসিবল পাম্প স্থাপন করে রাস্তাকে সংকীর্ণ করে ফেলেছে। চলাচলের রাস্তায় আব্দুর রউফের জমি থাকা সত্ত্বেও তার বিল্ডিংয়ের সিঁড়ি রাস্তার দিকে দিতে দেয়নি। মতিউর রহমানের ছাদ আব্দুল মান্নানের বিল্ডিংয়ের ছাদের ওপর পর্যন্ত নিয়েছে। আইয়ুবের বিল্ডিং নির্মাণের সময় মিথ্যা অভিযোগ করে তার কাছ থেকে প্রায় ১৩ লাখ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে মতিউর রহমান। বর্তমানে ভুক্তভোগী সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মতিউর রহমানের চাঁদাবাজি, অত্যাচার ও নিপীড়নমূলক তৎপরতা হতে মুক্তি পেতে সরকার, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন।