ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শব্দদূষণের নতুন ৪টি উৎস শনাক্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যর্থ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে দেওয়ানগঞ্জে জেসমিন প্রকল্পের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দক্ষ নাবিক তৈরিতে কোনো কম্প্রোমাইজ নয় : নৌপরিবহন সচিব অপতথ্য মোকাবিলায় সচেতনতার বিকল্প নেই : জাহেদ উর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৪১ হাজারের বেশি কর্মীর তথ্য ফাঁস শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪ বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার আহ্বান ল্যানসেটের

উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সামছুল হুদার মৃত্যুবার্ষিকী

কৃষিবিদ সামছুল হুদা

বিশেষ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

দেশের বিশিষ্ট এনজিও ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা কৃষিবিদ সামছুল হুদার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী জামালপুরে ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারী করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান লকডাউনের কারণে ৭ জুলাই সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। কার্যালয়ে অবস্থানরত সিমিত সংখ্যক কর্মীরা এতে অংশ নেন।

দোয়ার আগে মরহুম সামছুল হুদার জীবন থেকে আলোকপাত করে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল আলম মোল্লা, মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম প্রমুখ।

২০১৯ সালের ৭ জুলাই বার্ধক্যজনিত শারীরিক অসুস্থতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সামছুল হুদা মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি শেরপুর জেলার সদর উপজেলার বলাইরচর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে কয়েক বছর ব্র্যাকসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। পরে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখার ব্রত নিয়ে চাকরি ছেড়ে গড়ে তুলেন বেসরকারি সংস্থা উন্নয়ন সংঘ। শারীরিক ও মানসিক সামর্থ থাকলেও দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালকের পদ থেকে সরে আসেন। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তিনি উন্নয়ন সংঘের ক্যাম্পাসেই অবসর জীবন কাটান। তার বলিষ্ঠ ও নির্লোভ নেতৃত্বের কারণে উন্নয়ন সংঘ আজ ১২টি জেলায় কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়। উন্নয়ন সংঘ সর্বমহলে একটি গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে সমাদৃত হয়েছে। লক্ষ লক্ষ সুবিধাবঞ্চিত মানুষ উন্নয়ন সংঘের ছায়াতলে এসে উপকার গ্রহণ করছে।

মৃত্যুকালে সামছুল হুদা দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। কর্মকালীন সংস্থার উন্নয়নে জাপান, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত, পাকস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটানসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণও করেছেন তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শব্দদূষণের নতুন ৪টি উৎস শনাক্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের

উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সামছুল হুদার মৃত্যুবার্ষিকী

আপডেট সময় ১১:০০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুলাই ২০২১
কৃষিবিদ সামছুল হুদা

বিশেষ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

দেশের বিশিষ্ট এনজিও ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা কৃষিবিদ সামছুল হুদার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী জামালপুরে ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারী করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান লকডাউনের কারণে ৭ জুলাই সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। কার্যালয়ে অবস্থানরত সিমিত সংখ্যক কর্মীরা এতে অংশ নেন।

দোয়ার আগে মরহুম সামছুল হুদার জীবন থেকে আলোকপাত করে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল আলম মোল্লা, মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম প্রমুখ।

২০১৯ সালের ৭ জুলাই বার্ধক্যজনিত শারীরিক অসুস্থতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সামছুল হুদা মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি শেরপুর জেলার সদর উপজেলার বলাইরচর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে কয়েক বছর ব্র্যাকসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। পরে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখার ব্রত নিয়ে চাকরি ছেড়ে গড়ে তুলেন বেসরকারি সংস্থা উন্নয়ন সংঘ। শারীরিক ও মানসিক সামর্থ থাকলেও দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালকের পদ থেকে সরে আসেন। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তিনি উন্নয়ন সংঘের ক্যাম্পাসেই অবসর জীবন কাটান। তার বলিষ্ঠ ও নির্লোভ নেতৃত্বের কারণে উন্নয়ন সংঘ আজ ১২টি জেলায় কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়। উন্নয়ন সংঘ সর্বমহলে একটি গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে সমাদৃত হয়েছে। লক্ষ লক্ষ সুবিধাবঞ্চিত মানুষ উন্নয়ন সংঘের ছায়াতলে এসে উপকার গ্রহণ করছে।

মৃত্যুকালে সামছুল হুদা দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। কর্মকালীন সংস্থার উন্নয়নে জাপান, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত, পাকস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটানসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণও করেছেন তিনি।