ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী স্কুলজীবনে শিক্ষকদের স্মৃতি : শাহ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ছাগল পেল ১২০ পরিবার মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় : মির্জা ফখরুল রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পর্কে জনগণের সঠিক ধারণা নির্ভর করে গণমাধ্যমের ওপর : তথ্যমন্ত্রী কাজী নজরুল আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৩৫৭ টাকা অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল বেটিং ও ম্যাচ ফিক্সিং ঠেকাতে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ পাস সঙ্গীত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে অনন্য সেতুবন্ধ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক চিকিৎসক আবুল কাসেম

জামালপুরে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ান ময়মনসিংহ বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. আবুল কাসেম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ান ময়মনসিংহ বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক চিকিৎসক মো. আবুল কাসেম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলায় ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৯২৫ শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে ভিটামিন এ ক্যাপসুল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ১১ জানুয়ারি সকাল ৯টায় জামালপুরে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ায়ে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক চিকিৎসক মো. আবুল কাসেম।

এ সময় ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক চিকিৎসক মো. আবুল কাসেম বলেন, ভিটামিন এ ক্যাপসুল শিশুদের রাতকানা রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপুষ্টিজনিত শিশুমৃত্যু প্রতিরোধ করে থাকে। তাই সরকার সারাদেশে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও একযোগে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুলের কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

তিনি বলেন, এবার ময়মনসিংহ বিভাগের সিটি কর্পোরেশনসহ ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও জামালপুর এই চার জেলায় ৮ হাজার ৯৩২টি টিকাদান কেন্দ্রে আজকে ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৯২৫ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয় মাস-১১ মাস বয়সী এক লাখ ৮৮ হাজার ২০২ শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং ১২ মাস-৫৯ মাস বয়সী ১৫ লাখ ৭৪ হাজার ৭২৩ শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন সফল করতে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি। এছাড়াও তিনি এই কর্মসূচি সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

জামালপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় প্রাঙ্গণে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামালপুরের সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহকারী পরিচালক চিকিৎসক মো. কামাল উদ্দিন, জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক চিকিৎসক মো. কামরুজ্জামান, উপ-সিভিল সার্জন চিকিৎসক কে এম শফিকুজ্জামান, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মো. মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সভাপতি জামালপুরের সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায় জানান, এবার জামালপুর জেলার সাতটি উপজেলায় এক হাজার ৬৯২টি টিকাদান কেন্দ্রে আজকে ৩ লাখ ২১ হাজার ৩০৭ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয় মাস-১১ মাস বয়সী ৩৫ হাজার ৫৪ শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং ১২ মাস-৫৯ মাস বয়সী দুই লাখ ৮৬ হাজার ২৫৩ শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক চিকিৎসক আবুল কাসেম

আপডেট সময় ০১:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২০
জামালপুরে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ান ময়মনসিংহ বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক চিকিৎসক মো. আবুল কাসেম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলায় ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৯২৫ শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে ভিটামিন এ ক্যাপসুল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ১১ জানুয়ারি সকাল ৯টায় জামালপুরে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ায়ে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক চিকিৎসক মো. আবুল কাসেম।

এ সময় ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক চিকিৎসক মো. আবুল কাসেম বলেন, ভিটামিন এ ক্যাপসুল শিশুদের রাতকানা রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপুষ্টিজনিত শিশুমৃত্যু প্রতিরোধ করে থাকে। তাই সরকার সারাদেশে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও একযোগে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুলের কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

তিনি বলেন, এবার ময়মনসিংহ বিভাগের সিটি কর্পোরেশনসহ ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও জামালপুর এই চার জেলায় ৮ হাজার ৯৩২টি টিকাদান কেন্দ্রে আজকে ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৯২৫ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয় মাস-১১ মাস বয়সী এক লাখ ৮৮ হাজার ২০২ শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং ১২ মাস-৫৯ মাস বয়সী ১৫ লাখ ৭৪ হাজার ৭২৩ শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন সফল করতে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি। এছাড়াও তিনি এই কর্মসূচি সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

জামালপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয় প্রাঙ্গণে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামালপুরের সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহকারী পরিচালক চিকিৎসক মো. কামাল উদ্দিন, জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক চিকিৎসক মো. কামরুজ্জামান, উপ-সিভিল সার্জন চিকিৎসক কে এম শফিকুজ্জামান, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মো. মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সভাপতি জামালপুরের সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায় জানান, এবার জামালপুর জেলার সাতটি উপজেলায় এক হাজার ৬৯২টি টিকাদান কেন্দ্রে আজকে ৩ লাখ ২১ হাজার ৩০৭ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয় মাস-১১ মাস বয়সী ৩৫ হাজার ৫৪ শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং ১২ মাস-৫৯ মাস বয়সী দুই লাখ ৮৬ হাজার ২৫৩ শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।