ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফিনল্যান্ডের যুবক ও চা বিক্রেতার মেয়ের অনন্য প্রেম : ধর্ম বদলে শুভ পরিণয় প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং হাতি সম্পদকে ব্যবহার করে এ অঞ্চলে বৃহৎ আকারে পর্যটন শিল্প গড়ে উঠতে পারে : বনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল ইসলামপুরে জমির বিরোধে সংঘর্ষ : নিহত ১ বকশীগঞ্জে বাসচাপায় বউ-শাশুড়ি নিহত মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক : প্রধানমন্ত্রী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যােগে জামালপুরে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শেরপুরে আন্তর্জাতিক পোডিয়াট্রি দিবস পালিত প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বকশীগঞ্জে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উদযাপিত সরিষাবাড়ীতে দিনমজুর দম্পতির ৪টি ষাঁড় পুড়ে ছাই, সর্বস্বান্ত পরিবার

শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : ফাইল

শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের শিল্প ও সেবা খাতকে আরো দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে ১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিনি বলেছেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে আমাদের শিল্প ও সেবা খাতকে আরো প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি শিল্প ও সেবা খাতের সংশ্লিষ্ট সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও-এর উদ্যোগে ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ পালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শিল্পোদ্যোক্তা, গবেষক, পেশাজীবী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, শ্রমিক কর্মচারী এবং শিল্প ও সেবা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের শিল্প ও সেবা খাতকে আরো দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

তিনি বলেন, জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য-‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’-বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অত্যন্ত সময়োপযোগী। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন, রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংস, ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ডিজিটাল উৎপাদন ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে শিল্পের ধরন ও চরিত্র দ্রুত বদলে দিচ্ছে। বাংলাদেশকেও এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের শিল্পকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার পাশাপাশি প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষম দক্ষ, সৃজনশীল ও অভিযোজনক্ষম মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে উৎপাদনশীলতার সঙ্গে নতুন ও উচ্চদক্ষতার কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোও জরুরি। সরকারের উন্নয়ননীতিতে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে ঘোষিত ইশতেহারেও প্রযুক্তিনির্ভর ও উচ্চদক্ষতার অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে যা বর্তমান সরকার বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

ডিজিটাল অর্থনীতি, উচ্চপ্রযুক্তির কর্মসংস্থান ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা। উৎপাদনশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে দক্ষতাভিত্তিক ও মূল্যবোধনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তির ব্যবহার, কারিগরি ও আইটি শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং তরুণদের প্রযুক্তিগত ও ভাষাগত দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের দেশীয় ও বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। তবে শুধু প্রযুক্তি গ্রহণ করলেই উৎপাদনশীলতা বাড়বে না; প্রয়োজন গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিকের সার্বিক কল্যাণ।

নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও দক্ষতাবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে শ্রমিক ও কর্মীদের সক্ষমতাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজে লাগাতে হবে। একই সঙ্গে উদ্যোক্তা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ এবং কর্মীদের নিয়মিত দক্ষতা উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং স্টার্টআপগুলোর জন্য প্রযুক্তি ও অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেছেন, ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদনশীলতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ, গবেষণা, পরামর্শ, কারিগরি সহায়তা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। শিল্প ও সেবা খাতের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরো আধুনিক ও সম্প্রসারিত হবে-এটাই আমাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আসুন, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করি, প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করি এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলি। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে একটি উৎপাদনশীল, উদ্ভাবনী, দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই শিল্প অর্থনীতিতে পরিণত করি। আমি ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিনল্যান্ডের যুবক ও চা বিক্রেতার মেয়ের অনন্য প্রেম : ধর্ম বদলে শুভ পরিণয়

শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৩৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের শিল্প ও সেবা খাতকে আরো দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে ১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিনি বলেছেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে আমাদের শিল্প ও সেবা খাতকে আরো প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি শিল্প ও সেবা খাতের সংশ্লিষ্ট সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। এ প্রেক্ষাপটে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও-এর উদ্যোগে ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ পালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শিল্পোদ্যোক্তা, গবেষক, পেশাজীবী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, শ্রমিক কর্মচারী এবং শিল্প ও সেবা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের শিল্প ও সেবা খাতকে আরো দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

তিনি বলেন, জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য-‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’-বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অত্যন্ত সময়োপযোগী। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন, রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংস, ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ডিজিটাল উৎপাদন ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে শিল্পের ধরন ও চরিত্র দ্রুত বদলে দিচ্ছে। বাংলাদেশকেও এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের শিল্পকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার পাশাপাশি প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষম দক্ষ, সৃজনশীল ও অভিযোজনক্ষম মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে উৎপাদনশীলতার সঙ্গে নতুন ও উচ্চদক্ষতার কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোও জরুরি। সরকারের উন্নয়ননীতিতে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে ঘোষিত ইশতেহারেও প্রযুক্তিনির্ভর ও উচ্চদক্ষতার অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে যা বর্তমান সরকার বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

ডিজিটাল অর্থনীতি, উচ্চপ্রযুক্তির কর্মসংস্থান ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা। উৎপাদনশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে দক্ষতাভিত্তিক ও মূল্যবোধনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তির ব্যবহার, কারিগরি ও আইটি শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং তরুণদের প্রযুক্তিগত ও ভাষাগত দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের দেশীয় ও বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। তবে শুধু প্রযুক্তি গ্রহণ করলেই উৎপাদনশীলতা বাড়বে না; প্রয়োজন গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিকের সার্বিক কল্যাণ।

নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও দক্ষতাবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে শ্রমিক ও কর্মীদের সক্ষমতাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজে লাগাতে হবে। একই সঙ্গে উদ্যোক্তা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ এবং কর্মীদের নিয়মিত দক্ষতা উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং স্টার্টআপগুলোর জন্য প্রযুক্তি ও অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেছেন, ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদনশীলতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ, গবেষণা, পরামর্শ, কারিগরি সহায়তা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। শিল্প ও সেবা খাতের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরো আধুনিক ও সম্প্রসারিত হবে-এটাই আমাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আসুন, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করি, প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করি এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলি। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে একটি উৎপাদনশীল, উদ্ভাবনী, দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই শিল্প অর্থনীতিতে পরিণত করি। আমি ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।”