ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকালে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সে মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত শামীমকে মন্ত্রিত্ব দেওয়ার দাবি জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনই হারালেন জামানত  গ্যাস সংকটে যমুনা সার কারখানায় ফের ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ মাদারগঞ্জে ভোটের দিন গৃহবধূকে জবাই করে হত্যা, সন্দেহে মামা গ্রেপ্তার বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ আমাদের কাছে প্রথম : তারেক রহমান জামায়াত রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা : নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মামুন তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভার শপথের সম্ভাবনা : মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় গণতন্ত্রের : তারেক রহমান

জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনই হারালেন জামানত 

মাদারগঞ্জ : জামানত বাজেয়াপ্ত সাতজন প্রার্থী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর-৩ (মাদারগঞ্জ-মেলান্দহ) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীসহ সাতজনের বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান আনছারী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মীর সামসুল আলম লিপটন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী ডাক্তার ফিদেল নঈম, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী লিটন মিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ, শিবলুল বারী রাজু ও ফারজানা ফরিদ পূথী।

এই আসনে নির্বাচিত হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সহ-সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। তিনি পেয়েছেন দুই লাখ সাত হাজার ৪১২টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মুজিবুর রহমান আজাদী পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩০টি ভোট। ফলে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী এক লাখ ২৫ হাজার ৯৮২টি ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৬২৩। এর মধ্যে পরুষ ভোটার দুই লাখ ৬৯ হাজার ৯৭৯ ও মহিলা ভোটার দুই লাখ ৬৪ হাজার ৬৩৯ জন। এছাড়া হিজড়া ভোটার রয়েছেন ছয়জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিন লাখ ২২ হাজার ৭০৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। যা মোট ভোটারের ৫৯ দশমিক ৮২ শতাংশ। মোট বৈধ ভোট পড়েছে তিন লাখ ১৬ হাজার ১৪৬টি। বাতিল ভোটের সংখ্যা ছয় হাজার ৫৬৩টি।

নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোন প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ (১২.৫%) ভোট পেতে হয়। এই আসনে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৯ হাজার ৫১৯টি ভোট। কিন্তু ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান আনছারী দুই হাজার ৫৪৬টি ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মীর সামসুল আলম লিপটন ৮৪৪টি ভোট, গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী ডাক্তার ফিদেল নঈম ২৮৪টি ভোট, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী লিটন মিয়া ৪১২টি ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ ১২ হাজার ৫২টি ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী বামধারার রাজনীতিবিদ শিবলুল বারী রাজু ১০ হাজার ৫২৩টি ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারজানা ফরিদ পূথী ২৮৪টি ভোট পেয়েছেন। ফলে এই আসনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী নয়জন প্রার্থীর মধ্যে সাতজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই আসনে ১৫৪টি ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। এরপর ভোট গণনা শেষে রাত দেড়টার দিকে জামালপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে

বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুপ আলী। পোস্টাল ভোট গণনাকেন্দ্রসহ মোট ১৫৫টি ভোট কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটের ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে দুই লাখ সাত হাজার ৪১২ ভোট পেয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন।

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকালে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সে মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনই হারালেন জামানত 

আপডেট সময় ০৯:৫৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জামালপুর-৩ (মাদারগঞ্জ-মেলান্দহ) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীসহ সাতজনের বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান আনছারী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মীর সামসুল আলম লিপটন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী ডাক্তার ফিদেল নঈম, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী লিটন মিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ, শিবলুল বারী রাজু ও ফারজানা ফরিদ পূথী।

এই আসনে নির্বাচিত হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সহ-সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। তিনি পেয়েছেন দুই লাখ সাত হাজার ৪১২টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিন্দ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মুজিবুর রহমান আজাদী পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩০টি ভোট। ফলে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী এক লাখ ২৫ হাজার ৯৮২টি ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৬২৩। এর মধ্যে পরুষ ভোটার দুই লাখ ৬৯ হাজার ৯৭৯ ও মহিলা ভোটার দুই লাখ ৬৪ হাজার ৬৩৯ জন। এছাড়া হিজড়া ভোটার রয়েছেন ছয়জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিন লাখ ২২ হাজার ৭০৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। যা মোট ভোটারের ৫৯ দশমিক ৮২ শতাংশ। মোট বৈধ ভোট পড়েছে তিন লাখ ১৬ হাজার ১৪৬টি। বাতিল ভোটের সংখ্যা ছয় হাজার ৫৬৩টি।

নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোন প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ (১২.৫%) ভোট পেতে হয়। এই আসনে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৯ হাজার ৫১৯টি ভোট। কিন্তু ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান আনছারী দুই হাজার ৫৪৬টি ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মীর সামসুল আলম লিপটন ৮৪৪টি ভোট, গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী ডাক্তার ফিদেল নঈম ২৮৪টি ভোট, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী লিটন মিয়া ৪১২টি ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ ১২ হাজার ৫২টি ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী বামধারার রাজনীতিবিদ শিবলুল বারী রাজু ১০ হাজার ৫২৩টি ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারজানা ফরিদ পূথী ২৮৪টি ভোট পেয়েছেন। ফলে এই আসনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী নয়জন প্রার্থীর মধ্যে সাতজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই আসনে ১৫৪টি ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। এরপর ভোট গণনা শেষে রাত দেড়টার দিকে জামালপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে

বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুপ আলী। পোস্টাল ভোট গণনাকেন্দ্রসহ মোট ১৫৫টি ভোট কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটের ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে দুই লাখ সাত হাজার ৪১২ ভোট পেয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন।