ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব জোরদার হয়েছে : হুমায়ুন ইলিশ ধরতে পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের ভিড় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ১ লাখ এতিম শিক্ষার্থীকে সহায়তা দেয়া হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল গারো পাহাড়ে অর্ধলক্ষাধিক পুণ্যার্থীর আলোর মিছিল ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সব জেলায় খাদ্যের মান পরীক্ষাগার স্থাপনে জাইকার সহযোগিতা প্রয়োজন : জনপ্রশাসন উপদেষ্টা চার দিনের সফর শেষে টোকিও ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগামী সপ্তাহের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের

ফিলিপসের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে হারাল নিউজিল্যান্ড

গ্লেন ফিলিপসের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে জয় দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করেছে সফরকারী নিউজিল্যান্ড। ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ৭৮ রানে হারিয়েছে পাকিস্তানকে। ৭৪ বলে ১০৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন ফিলিপস। ত্রিদেশীয় সিরিজের অপর দল দক্ষিণ আফ্রিকা।

পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩৯ রানে ২ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। দুই ওপেনার উইল ইয়ং ৪ ও রাচিন রবীন্দ্র ২৫ রানে ফিরেন।

তৃতীয় উইকেটে ১১২ বলে ৯৫ রানের জুটি গড়েন কেন উইলিয়ামসন ও ড্যারিল মিচেল। দলীয় ১৩৪ রানে উইলিয়ামসনকে শিকার করে জুটি ভাঙ্গেন পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি। ৭টি চারে ৫৮ রান করেন উইলিয়ামসন।

পঞ্চম উইকেটে মিচেলের সাথে ৬৫ বলে ৬৫ এবং ষষ্ঠ উইকেটে মাইকেল ব্রেসওয়েলকে নিয়ে ৪৭ বলে ৫৪ রানের জুটি গড়ে নিউজিল্যান্ডের রান আড়াইশ পার করেন ফিলিপস। মিচেল ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৮৪ বলে ৮১ রান ও ব্রেসওয়েল ২৩ বলে ১টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৩১ রান করেন।

তবে সপ্তম উইকেটে অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারের সাথে ২৬ বলে ৭৬ রানের বিষ্ফোরক জুটিতে নিউজিল্যান্ডকে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৩০ রানের বড় সংগ্রহ এনে দেন ফিলিপস। শেষ ১০ ওভারে ১২৩ রান তুলে কিউইরা। ৭২ বলে ওয়ানডেতে প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংসে করেন ফিলিপস। ৬টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৭৪ বলে অপরাজিত ১০৬ রান করেন ফিলিপস।

পাকিস্তানের আফ্রিদি ৮৮ রানে ৩টি ও আবরার ৪১ রানে ২ উইকেট নেন।

জবাবে প্রথম দুই উইকেট জুটিতেই হাফ-সেঞ্চুরি পেয়ে যায় পাকিস্তান। বাবর আজমের সাথে ৫২ এবং কামরান গুলামকে নিয়ে ৫১ রান যোগ করেন ওপেনার ফখর জামান।

বাবর ১০ রানে ফিরলেও ফখরের মারমুখী হাফ-সেঞ্চুরিতে ১৯তম ওভারে ১ উইকেটে ১শ রান পেয়ে যায় পাকিস্তান। এরপর ১৬ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিক। এরমধ্যে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৬৯ বলে ৮৪ রান করে ফিরেন ফখর।

১১৯ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর ৫৩ রানের জুটিতে পাকিস্তানকে লড়াইয়ে ফেরান সালমান আগা ও তায়েব তাহির। দলীয় ১৭২ রানে তাহিরের বিদায়ের পর, আর কোন বড় জুটি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ৪৭ দশমিক ৫ ওভারে ২৫২ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

সালমান ৪০, তাহির ৩০ ও শেষ দিকে আবরার আহমেদ ২৩ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের ম্যাট হেনরি ৫৩ রানে ও স্যান্টনার ৪১ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন ফিলিপস।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব জোরদার হয়েছে : হুমায়ুন

ফিলিপসের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে হারাল নিউজিল্যান্ড

আপডেট সময় ০৭:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

গ্লেন ফিলিপসের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে জয় দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করেছে সফরকারী নিউজিল্যান্ড। ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ৭৮ রানে হারিয়েছে পাকিস্তানকে। ৭৪ বলে ১০৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন ফিলিপস। ত্রিদেশীয় সিরিজের অপর দল দক্ষিণ আফ্রিকা।

পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩৯ রানে ২ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। দুই ওপেনার উইল ইয়ং ৪ ও রাচিন রবীন্দ্র ২৫ রানে ফিরেন।

তৃতীয় উইকেটে ১১২ বলে ৯৫ রানের জুটি গড়েন কেন উইলিয়ামসন ও ড্যারিল মিচেল। দলীয় ১৩৪ রানে উইলিয়ামসনকে শিকার করে জুটি ভাঙ্গেন পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি। ৭টি চারে ৫৮ রান করেন উইলিয়ামসন।

পঞ্চম উইকেটে মিচেলের সাথে ৬৫ বলে ৬৫ এবং ষষ্ঠ উইকেটে মাইকেল ব্রেসওয়েলকে নিয়ে ৪৭ বলে ৫৪ রানের জুটি গড়ে নিউজিল্যান্ডের রান আড়াইশ পার করেন ফিলিপস। মিচেল ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৮৪ বলে ৮১ রান ও ব্রেসওয়েল ২৩ বলে ১টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৩১ রান করেন।

তবে সপ্তম উইকেটে অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারের সাথে ২৬ বলে ৭৬ রানের বিষ্ফোরক জুটিতে নিউজিল্যান্ডকে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৩০ রানের বড় সংগ্রহ এনে দেন ফিলিপস। শেষ ১০ ওভারে ১২৩ রান তুলে কিউইরা। ৭২ বলে ওয়ানডেতে প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংসে করেন ফিলিপস। ৬টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৭৪ বলে অপরাজিত ১০৬ রান করেন ফিলিপস।

পাকিস্তানের আফ্রিদি ৮৮ রানে ৩টি ও আবরার ৪১ রানে ২ উইকেট নেন।

জবাবে প্রথম দুই উইকেট জুটিতেই হাফ-সেঞ্চুরি পেয়ে যায় পাকিস্তান। বাবর আজমের সাথে ৫২ এবং কামরান গুলামকে নিয়ে ৫১ রান যোগ করেন ওপেনার ফখর জামান।

বাবর ১০ রানে ফিরলেও ফখরের মারমুখী হাফ-সেঞ্চুরিতে ১৯তম ওভারে ১ উইকেটে ১শ রান পেয়ে যায় পাকিস্তান। এরপর ১৬ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিক। এরমধ্যে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৬৯ বলে ৮৪ রান করে ফিরেন ফখর।

১১৯ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর ৫৩ রানের জুটিতে পাকিস্তানকে লড়াইয়ে ফেরান সালমান আগা ও তায়েব তাহির। দলীয় ১৭২ রানে তাহিরের বিদায়ের পর, আর কোন বড় জুটি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ৪৭ দশমিক ৫ ওভারে ২৫২ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

সালমান ৪০, তাহির ৩০ ও শেষ দিকে আবরার আহমেদ ২৩ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের ম্যাট হেনরি ৫৩ রানে ও স্যান্টনার ৪১ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন ফিলিপস।