ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে রুপা’স ভিশনের উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত জুলাই অভ্যুত্থানকে নস্যাৎ করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সকল রাজনৈতিক দল সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রউফ তালুকদার যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে শরিফ ওসমান বিন হাদীকে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে বকশীগঞ্জে সড়ক অবরোধ ব্যতিক্রমী আয়োজনে মেলান্দহ উপজেলায় এতিম রহিমার বিয়ে দিলেন মামুন বিশ্বাস জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল : বকশীগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল ১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী পাক হানাদার মুক্ত দিবস জামালপুরে অপরাজেয় বাংলাদেশের সংযোগ প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদযাপিত আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট জাতীয় পরিবার পরিকল্পনা কৌশল প্রচার ও বিস্তার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মৌলভীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল আলম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল আলম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর সদর উপজেলার মৌলভীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিদ্যালয়টির শিক্ষকরা। ৬ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর শহরের শহীদ হারুন সড়কে প্রেসক্লাব জামালপুর কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল আলম বলেন, জনবল কাঠামো ২০২১ ইং অনুযায়ী বিগত ম্যানেজিং কমিটির সময়ে ২০২২ সালের ৯ এপ্রিল ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী আয়া এবং অফিস সহায়ক পদে লোক নিয়গের জন্য প্রথম বিজ্ঞপ্তি প্রদান করি। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগকারী আলপনা আক্তারসহ সর্বমোট দশজন প্রার্থী অফিস সহায়ক পদে চাকরির জন্য আবেদন করেন। ওই সময় অফিস সহায়ক পদে আবেদনকারী প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম নিয়োগ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে একটি মোকদ্দমা দায়ের করেন। মোকদ্দমার কোন বৈধতা না থাকায় তা বিজ্ঞ আদালত খারিজ করে দেন এবং বিদ্যালয়ের পক্ষে রায় প্রদান করেন।

তিনি বলেন, সময় সল্পতার জন্য ওই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পাদন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সময়ে ২০২৩ সালের ৯ মে ২য় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আয়া এবং কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে লোক নিয়োগ করা হয়। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিকূলতার জন্য অফিস সহায়ক পদের নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তবে ম্যানেজিং কমিটির সভার সিদ্ধান্তে ওই পদের নিয়োগ কার্যক্রম বাতিল করে প্রার্থীদের পোস্টাল অর্ডারের টাকা ফেরত দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, অফিস সহায়ক পদের জন্য গত ২০২৪ সালের ৪ মে ৩য় বার স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বর্তমানে ওই নিয়োগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। অভিযোগকারী মোছা. আলপনা আক্তার ও মোছা. নুর নেহার ৩য় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অফিস সহায়ক পদের জন্য কোনো প্রকার আবেদন দাখিল করেননি। কিন্তু ওই নিয়োগের বিষয়ে তারা দুজন ১ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এলাকার কিছু দুষ্কৃতিকারীদের সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পূর্ব পরিকল্পিত মিথ্যা এবং বানোয়াট এক সাংবাদ সম্মেলন করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। এতে করে বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সকলেই সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছি। বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পাঠদান ও অন্যান্য কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল আলম বলেন, বিদ্যালয়ের সভাপতিসহ আমরা শিক্ষকরা ওই দুই নারীর মিথ্যা অপচারমূলক সাক্ষাৎকারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের দাবি জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যালয়ের সভাপতি মাসুদ রানাসহ শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে ভুক্তভোগী চাকরি প্রার্থী আলপনা আক্তার অভিযোগ করে বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ১ জুন শনিবার আমি বা চাকরিপ্রার্থী অন্য কেউ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করিনি। নিয়োগ নিয়ে আমার লিখিত অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সাংবাদিকরা আমার সাক্ষাৎকার নিয়ে গেছেন। প্রকৃত তথ্য হচ্ছে, মৌলভীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে একজন অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় ২০২২ সালের ৯ এপ্রিল। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আমি অফিস সহায়ক পদে আবেদন করি। আবেদনের পর থেকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কতিপয় লোভী দুর্নীতি পরায়ণ সদস্য এবং প্রধান শিক্ষক আমার কাছে এবং অন্যান্য প্রার্থীদের কাছে মোটা অংকের টাকার ঘুষ দাবি করে আসছেন। ঘুষ না দিলে কারোই চাকরি হবে না বলে হুমকি দিচ্ছেন।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে তারা তাদের নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার পায়তারা করছেন। ওই পদে কোন মহিলাকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। শুধু ঘুষের দাবিই নয়, তারা জমিও দাবি করেছেন। তাদেরকে ঘুষের পুরো টাকা দিতে না পারায় গত দু’বছরেও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য গোপনে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মৌলভীনগর উচ্চ বিদ্যালয়কে দুর্নীতি, ঘুষবাণিজ্য ও অনিয়মের আখড়ায় পরিণত করেছেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দিয়ে তদন্তপূর্বক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করে স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়তে পারেন : মৌলভীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক নিয়োগে ঘুষবাণিজ্যের অভিযোগ

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে রুপা’স ভিশনের উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

মৌলভীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:১১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল আলম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর সদর উপজেলার মৌলভীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিদ্যালয়টির শিক্ষকরা। ৬ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর শহরের শহীদ হারুন সড়কে প্রেসক্লাব জামালপুর কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল আলম বলেন, জনবল কাঠামো ২০২১ ইং অনুযায়ী বিগত ম্যানেজিং কমিটির সময়ে ২০২২ সালের ৯ এপ্রিল ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী আয়া এবং অফিস সহায়ক পদে লোক নিয়গের জন্য প্রথম বিজ্ঞপ্তি প্রদান করি। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগকারী আলপনা আক্তারসহ সর্বমোট দশজন প্রার্থী অফিস সহায়ক পদে চাকরির জন্য আবেদন করেন। ওই সময় অফিস সহায়ক পদে আবেদনকারী প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম নিয়োগ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে একটি মোকদ্দমা দায়ের করেন। মোকদ্দমার কোন বৈধতা না থাকায় তা বিজ্ঞ আদালত খারিজ করে দেন এবং বিদ্যালয়ের পক্ষে রায় প্রদান করেন।

তিনি বলেন, সময় সল্পতার জন্য ওই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পাদন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সময়ে ২০২৩ সালের ৯ মে ২য় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আয়া এবং কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে লোক নিয়োগ করা হয়। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিকূলতার জন্য অফিস সহায়ক পদের নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তবে ম্যানেজিং কমিটির সভার সিদ্ধান্তে ওই পদের নিয়োগ কার্যক্রম বাতিল করে প্রার্থীদের পোস্টাল অর্ডারের টাকা ফেরত দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, অফিস সহায়ক পদের জন্য গত ২০২৪ সালের ৪ মে ৩য় বার স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বর্তমানে ওই নিয়োগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। অভিযোগকারী মোছা. আলপনা আক্তার ও মোছা. নুর নেহার ৩য় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অফিস সহায়ক পদের জন্য কোনো প্রকার আবেদন দাখিল করেননি। কিন্তু ওই নিয়োগের বিষয়ে তারা দুজন ১ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এলাকার কিছু দুষ্কৃতিকারীদের সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পূর্ব পরিকল্পিত মিথ্যা এবং বানোয়াট এক সাংবাদ সম্মেলন করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। এতে করে বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সকলেই সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছি। বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পাঠদান ও অন্যান্য কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক মো. শহীদুল আলম বলেন, বিদ্যালয়ের সভাপতিসহ আমরা শিক্ষকরা ওই দুই নারীর মিথ্যা অপচারমূলক সাক্ষাৎকারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের দাবি জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যালয়ের সভাপতি মাসুদ রানাসহ শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে ভুক্তভোগী চাকরি প্রার্থী আলপনা আক্তার অভিযোগ করে বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ১ জুন শনিবার আমি বা চাকরিপ্রার্থী অন্য কেউ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করিনি। নিয়োগ নিয়ে আমার লিখিত অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সাংবাদিকরা আমার সাক্ষাৎকার নিয়ে গেছেন। প্রকৃত তথ্য হচ্ছে, মৌলভীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে একজন অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় ২০২২ সালের ৯ এপ্রিল। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আমি অফিস সহায়ক পদে আবেদন করি। আবেদনের পর থেকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কতিপয় লোভী দুর্নীতি পরায়ণ সদস্য এবং প্রধান শিক্ষক আমার কাছে এবং অন্যান্য প্রার্থীদের কাছে মোটা অংকের টাকার ঘুষ দাবি করে আসছেন। ঘুষ না দিলে কারোই চাকরি হবে না বলে হুমকি দিচ্ছেন।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে তারা তাদের নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার পায়তারা করছেন। ওই পদে কোন মহিলাকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। শুধু ঘুষের দাবিই নয়, তারা জমিও দাবি করেছেন। তাদেরকে ঘুষের পুরো টাকা দিতে না পারায় গত দু’বছরেও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য গোপনে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মৌলভীনগর উচ্চ বিদ্যালয়কে দুর্নীতি, ঘুষবাণিজ্য ও অনিয়মের আখড়ায় পরিণত করেছেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দিয়ে তদন্তপূর্বক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করে স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়তে পারেন : মৌলভীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক নিয়োগে ঘুষবাণিজ্যের অভিযোগ