ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মেলান্দহে মেয়ের জামাইয়ের কুড়ালের আঘাতে প্রাণ গেল শ্বশুরের

গ্রেপ্তার তিনজন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

গ্রেপ্তার তিনজন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ
মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মেলান্দহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মেয়ের জামাইয়ের কুড়ালের আঘাতে মোগল মোল্লা (৬০) নামে একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ১৮ এপ্রিল দুপুরে মেয়ের জামাইসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৭ এপ্রিল দিবাগত রাত ৩টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোগল মোল্লার মৃত্যু হয়। নিহত মোগল মোল্লা উপজেলার খাশিমারা গ্রামের মৃত মোছকত মোল্লার ছেলে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- নিহত মোগল মোল্লার মেয়ের জামাই খাশিমারা গ্রামের হইবর রহমানের ছেলে আব্দুল লতিফ (৩৮), মুন্সি নাংলা গ্রামের আব্দুলের ছেলে হইবর রহমান (৬০), খাশিমারা গ্রামের ফটিক মোল্লার ছেলে দুলাল মোল্লা (৪৫)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন থেকে শ্বশুর মোগল মোল্লা ও মেয়ের জামাই আব্দুল লতিফের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিয়ের পর থেকেই আব্দুল লতিফ তার শ্বশুর বাড়ি খাশিমারা গ্রামেই থাকতো। গত ১৬ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে নিজস্ব জমির একটি নালায় মোগল মোল্লা ও তার ছোট ভাই মুকুল মোল্লা মাছ ধরতে যায়। এসময় আব্দুল লতিফ তার শ্বশুর মোগল মোল্লাকে মাছ ধরতে বাধা দিলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আব্দুল লতিফ কুড়াল দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে স্থানীয়রা মোগল মোল্লাকে গুরুতর আহত অবস্থায় মেলান্দহ হাসপাতালে ভর্তি করে। মোগল মোল্লার অবস্থার অবনতি হলে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে। ১৭ এপ্রিল দিবাগত রাত ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোগল মোল্লার মৃত্যু হয়।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজু আহাম্মদের নির্দেশে উপ-পরিদর্শক মো. ফয়জুরের নেতৃত্বে একটি চৌকস অভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

এঘটনায় নিহত মোগল মোল্লার প্রথম স্ত্রী মোছা. সানোয়ারা বেগম (৫৩) বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্য আসামিরা হলো উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের খাশিমারা গ্রামের মোগল মোল্লার ছেলে মো. শাকিল মিয়া (২৮), ইজ্জত মোল্লার ছেলে নজরুল মোল্লা (৪৫), আব্দুল লতিফের স্ত্রী মনিকা (৩০), মোগল মোল্লার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. সাজেদা বেগম (৫০)।

মেলান্দহ থানার ওসি মো. রাজু আহাম্মদ বলেন, মোগল মোল্লা হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এঘটনায় তার মেয়ের জামাই আব্দুল লতিফসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

মেলান্দহে মেয়ের জামাইয়ের কুড়ালের আঘাতে প্রাণ গেল শ্বশুরের

আপডেট সময় ০৯:০৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪
গ্রেপ্তার তিনজন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ
মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মেলান্দহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মেয়ের জামাইয়ের কুড়ালের আঘাতে মোগল মোল্লা (৬০) নামে একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ১৮ এপ্রিল দুপুরে মেয়ের জামাইসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৭ এপ্রিল দিবাগত রাত ৩টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোগল মোল্লার মৃত্যু হয়। নিহত মোগল মোল্লা উপজেলার খাশিমারা গ্রামের মৃত মোছকত মোল্লার ছেলে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- নিহত মোগল মোল্লার মেয়ের জামাই খাশিমারা গ্রামের হইবর রহমানের ছেলে আব্দুল লতিফ (৩৮), মুন্সি নাংলা গ্রামের আব্দুলের ছেলে হইবর রহমান (৬০), খাশিমারা গ্রামের ফটিক মোল্লার ছেলে দুলাল মোল্লা (৪৫)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন থেকে শ্বশুর মোগল মোল্লা ও মেয়ের জামাই আব্দুল লতিফের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিয়ের পর থেকেই আব্দুল লতিফ তার শ্বশুর বাড়ি খাশিমারা গ্রামেই থাকতো। গত ১৬ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে নিজস্ব জমির একটি নালায় মোগল মোল্লা ও তার ছোট ভাই মুকুল মোল্লা মাছ ধরতে যায়। এসময় আব্দুল লতিফ তার শ্বশুর মোগল মোল্লাকে মাছ ধরতে বাধা দিলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আব্দুল লতিফ কুড়াল দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে স্থানীয়রা মোগল মোল্লাকে গুরুতর আহত অবস্থায় মেলান্দহ হাসপাতালে ভর্তি করে। মোগল মোল্লার অবস্থার অবনতি হলে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে। ১৭ এপ্রিল দিবাগত রাত ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোগল মোল্লার মৃত্যু হয়।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজু আহাম্মদের নির্দেশে উপ-পরিদর্শক মো. ফয়জুরের নেতৃত্বে একটি চৌকস অভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

এঘটনায় নিহত মোগল মোল্লার প্রথম স্ত্রী মোছা. সানোয়ারা বেগম (৫৩) বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্য আসামিরা হলো উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের খাশিমারা গ্রামের মোগল মোল্লার ছেলে মো. শাকিল মিয়া (২৮), ইজ্জত মোল্লার ছেলে নজরুল মোল্লা (৪৫), আব্দুল লতিফের স্ত্রী মনিকা (৩০), মোগল মোল্লার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. সাজেদা বেগম (৫০)।

মেলান্দহ থানার ওসি মো. রাজু আহাম্মদ বলেন, মোগল মোল্লা হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এঘটনায় তার মেয়ের জামাই আব্দুল লতিফসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।