ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে : স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বিজিবি’র অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে ভারতীয় মদসহ প্রাইভেট কার জব্দ, আটক ২ মাদারগঞ্জে অজ্ঞাত রোগে মরে যাচ্ছে মরিচগাছ, কৃষকের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন ইসলামপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু লড়াই করেও পারল না বাংলাদেশ, চ্যাম্পিয়ন ভারত সয়েল ফিভারে থাইল্যান্ডে ৫৭০ জন আক্রান্ত, মৃত্যু ৪৫ দীর্ঘ ৫ বছর পর ছেলের সাথে ফোনে কথা বললেন অং সান সু চি

বকশীগঞ্জের আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ আবারও শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ

আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ

জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের বকশীগঞ্জের আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ গত বছরের ন্যায় এবারও উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান (কলেজ) নির্বাচিত হয়েছেন।

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৩ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন এই প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত করেন।

২১ মে আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজের কর্তৃপক্ষ শ্রেষ্ঠ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে এই প্রতিষ্ঠান ৮টি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে প্রত্যন্ত আলীরপাড়া গ্রামে প্রতিষ্ঠা করা হয় আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ। আলীরপাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান প্রকৌশলী আলহাজ গাজী মো. আমানুজ্জামান শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ও আলোকিত মানুষ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে একের পর এক সফলতা অর্জন করে যাচ্ছেন এই কলেজ। ২০২২ সালের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয় এই কলেজ। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৩ সালেও শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছেন আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলজে।

শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ছাড়াও উপজেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট গ্রæপ নির্বাচিত হন আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ, শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট শিক্ষক নির্বাচিত হন সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক দেলোয়ার হোসেন, শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট শিক্ষার্থী মো. মিনহাজ মিয়া, উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী (কলেজ) নির্বাচিত হন মোছা. জাকিয়া তাসনিম।

এছাড়াও অত্র প্রতিষ্ঠানের হয়ে দেশাত্মবোধক গান ও লোকসংগীত মোছা. আজেমা খাতুন প্রথম স্থান অধিকার করেন ও জারি গানে প্রথম স্থান অধিকার করেন মো. আজেমা খাতুন ও তার দল।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী

বকশীগঞ্জের আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ আবারও শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত

আপডেট সময় ০৯:১৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩
আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ

জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের বকশীগঞ্জের আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ গত বছরের ন্যায় এবারও উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান (কলেজ) নির্বাচিত হয়েছেন।

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৩ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন এই প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত করেন।

২১ মে আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজের কর্তৃপক্ষ শ্রেষ্ঠ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে এই প্রতিষ্ঠান ৮টি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে প্রত্যন্ত আলীরপাড়া গ্রামে প্রতিষ্ঠা করা হয় আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ। আলীরপাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান প্রকৌশলী আলহাজ গাজী মো. আমানুজ্জামান শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ও আলোকিত মানুষ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে একের পর এক সফলতা অর্জন করে যাচ্ছেন এই কলেজ। ২০২২ সালের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয় এই কলেজ। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৩ সালেও শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছেন আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলজে।

শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ছাড়াও উপজেলা পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট গ্রæপ নির্বাচিত হন আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজ, শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট শিক্ষক নির্বাচিত হন সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক দেলোয়ার হোসেন, শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট শিক্ষার্থী মো. মিনহাজ মিয়া, উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী (কলেজ) নির্বাচিত হন মোছা. জাকিয়া তাসনিম।

এছাড়াও অত্র প্রতিষ্ঠানের হয়ে দেশাত্মবোধক গান ও লোকসংগীত মোছা. আজেমা খাতুন প্রথম স্থান অধিকার করেন ও জারি গানে প্রথম স্থান অধিকার করেন মো. আজেমা খাতুন ও তার দল।