ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোনার মানুষ সেবা সম্মাননা পেলেন জনশক্তির সহকারী পরিচালক ইকরামুন নাহার অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : বকশীগঞ্জে ড্রেজার, ডিজেল ইঞ্জিন জব্দ ডিবির অভিযানে ডলার প্রতারক চক্রের সদস্য আটক বকশীগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫০ শিক্ষার্থী পেল শিক্ষা উপকরণ মাদারগঞ্জে জীবন্ত পাখি খাদক সাদুল্লাহ গ্রেপ্তার ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামালপুরে এডিপির উদ্যোগে শিশু অধিকার সপ্তাহ উদযাপিত জামালপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার প্রস্তাবিত জায়গায় ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

মেলান্দহে যুবদলনেতার নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা, চাঁদা দাবি, থানায় মামলা

মাহামুদুল হাসান মুক্তা, নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান আক্তারের নেতৃত্বে স্থানীয় একটি কনফেকশনারি ব্যবসায়ীর কাছে ২৮ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে কনফেকশনারির মালামাল ভাংচুরসহ হত্যার হুমকির ঘটনা ঘটেছে।

৪ মে আনুমানিক রাত ১০টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার জিন্নাহ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসানের কনফেকশনারির দোকানে এ চাঁদা দাবি ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আদিপৈত গ্রামের মো. আনছারুল আলমের ছেলে ঠিকাদার মাহমুদুল হাসানের মেলান্দহ বাজারে জিন্নাহ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কনফেকশনারির দোকান রয়েছে। ৪ মে রাতে একই উপজেলার মলিকাডাংগা গ্রামের মো. তালেব ডিলারের ছেলে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. আক্তারুজ্জামান আক্তারের নেতৃত্বে তাপস, বাবুল, জুয়েল, নাজমুলসহ আরো চার-পাঁচজন মাহমুদুল হাসানের কনফেকশনারিতে গিয়ে ২৮ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। ঠিকাদার মাহমুদুল হাসান ব্যবসায়ী কাজে চট্টগ্রাম থাকায় কনফেকশনারিতে থাকা কর্মচারী ফরহাদ হোসেন উজ্জল, রাকিবুল ইসলাম রাজন ও অমর কুমার সাহা দোকানঘর দেখাশোনা করে। এ সময় যুবদল নেতা আক্তারুজ্জামান আক্তারের নেতৃত্বে চাঁদা দাবি করলে তারা চাঁদা দিতে রাজি হননি। এতে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করা হয়। এছাড়া কনফেকশনারিতে থাকা কম্পিউটার, স্ক্যানার মেশিনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভাংচুর করে তারা। এতে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ক্ষতি সাধিত হয়। পরে তারা চলে যাওয়ার সময় ২৮ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে গুলি করে হত্যার হুমকি দিয়ে যায় হামলাকারী চাঁদাবাজরা। এ ঘটনায় মেলান্দহ থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসান এ প্রতিবেদককে বলেন, যুবদল নেতা আক্তার আমাকে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। তাদের চাওয়া টাকা না দিলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, কনফেকশনারির দোকান ভাংচুর, চাঁদা দাবির ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনার মানুষ সেবা সম্মাননা পেলেন জনশক্তির সহকারী পরিচালক ইকরামুন নাহার

মেলান্দহে যুবদলনেতার নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা, চাঁদা দাবি, থানায় মামলা

আপডেট সময় ০৮:৫৬:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩

মাহামুদুল হাসান মুক্তা, নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান আক্তারের নেতৃত্বে স্থানীয় একটি কনফেকশনারি ব্যবসায়ীর কাছে ২৮ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে কনফেকশনারির মালামাল ভাংচুরসহ হত্যার হুমকির ঘটনা ঘটেছে।

৪ মে আনুমানিক রাত ১০টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার জিন্নাহ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসানের কনফেকশনারির দোকানে এ চাঁদা দাবি ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আদিপৈত গ্রামের মো. আনছারুল আলমের ছেলে ঠিকাদার মাহমুদুল হাসানের মেলান্দহ বাজারে জিন্নাহ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কনফেকশনারির দোকান রয়েছে। ৪ মে রাতে একই উপজেলার মলিকাডাংগা গ্রামের মো. তালেব ডিলারের ছেলে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. আক্তারুজ্জামান আক্তারের নেতৃত্বে তাপস, বাবুল, জুয়েল, নাজমুলসহ আরো চার-পাঁচজন মাহমুদুল হাসানের কনফেকশনারিতে গিয়ে ২৮ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। ঠিকাদার মাহমুদুল হাসান ব্যবসায়ী কাজে চট্টগ্রাম থাকায় কনফেকশনারিতে থাকা কর্মচারী ফরহাদ হোসেন উজ্জল, রাকিবুল ইসলাম রাজন ও অমর কুমার সাহা দোকানঘর দেখাশোনা করে। এ সময় যুবদল নেতা আক্তারুজ্জামান আক্তারের নেতৃত্বে চাঁদা দাবি করলে তারা চাঁদা দিতে রাজি হননি। এতে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করা হয়। এছাড়া কনফেকশনারিতে থাকা কম্পিউটার, স্ক্যানার মেশিনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভাংচুর করে তারা। এতে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ক্ষতি সাধিত হয়। পরে তারা চলে যাওয়ার সময় ২৮ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে গুলি করে হত্যার হুমকি দিয়ে যায় হামলাকারী চাঁদাবাজরা। এ ঘটনায় মেলান্দহ থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসান এ প্রতিবেদককে বলেন, যুবদল নেতা আক্তার আমাকে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। তাদের চাওয়া টাকা না দিলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, কনফেকশনারির দোকান ভাংচুর, চাঁদা দাবির ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।