ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি শেরপুর জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত আইনজীবীর কার্যালয় থেকে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক উদ্ধার এক শিক্ষকেই চলছে পশ্চিম চর নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্যাহত পাঠদান উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সামছুল হুদার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত মাদারগঞ্জে সাপে কাটা নারীর মৃত্যু, স্বাস্থ্যকর্মীর উপর হামলা জামালপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত জামালপুরে প্রয়াত বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান খোকা স্মরণে দোয়া মাহফিল গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে ইউপি সদস্যসহ ৭ জনকে মৃত্যুদন্ড বকশীগঞ্জে অপপ্রচার রোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে মৃত দুই গ্রাহকের নমিনির হাতে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

মেলান্দহে জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজের বসন্ত বরণ

মেলান্দহের জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে বসন্ত বরণ অনুষ্ঠান।ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

মেলান্দহের জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে বসন্ত বরণ অনুষ্ঠান।ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: শীতের আমেজকে বিদায় জানিয়ে বাংলার প্রকৃতিতে দেখা দিয়েছে ঋতুরাজ বসন্ত। আর সেই বসন্তকে স্বাগত জানাতে ১লা ফাল্গুনের প্রথম দিনেই জামালপুরের মেলান্দহের জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঋতুরাজ বসন্ত বরণ করে নিয়েছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ। ১৪ ফেব্রুয়ারি কলেজে প্রাঙ্গণে এ বসন্ত বরণ অনুষ্ঠিত হয়।

রঙ্গিন সাজে বর্ণিল এ উৎসবে মেতেছে শিক্ষার্থীরা। বসন্তের আগমনে তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে প্রফুল্লতা। সকাল থেকে শুরু হওয়া বসন্ত বরণে নৃত্য, গান, কবিতা আবৃত্তি ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠানটি।

স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী বর্নালী জানান, বসন্ত বরণে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। আমরা যে বাঙালি জাতি এমন আয়োজন তা বেশ ভালোভাবেই মনে করিয়ে দেয়।

একাদশ শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী বিনতা জানায়, ফাগুনের প্রথম দিনের উৎসব আমাকে বেশ মুগ্ধ করেছে। স্যারদের অনুরোধ করবো এমন আয়োজন যাতে প্রতি বছর হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সাথে যোগদেন জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজের সভাপতি হাজী দিদার পাশা, মেলান্দহ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব শফিক জাহেদী রবিন।

কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কায়সার আলম জানান, শিক্ষার্থীদের মূল কর্মকাণ্ড জ্ঞান অর্জন ও অন্বেষণ হলেও সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম সুযোগ হয়ে ওঠে এ ধরনের উৎসবের মাধ্যম।

অধ্যক্ষ খাইরুল ইসলাম বলেন, সমস্ত উৎসব মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে ঘনিষ্ঠ করার জন্য, আরও কাছে আনার জন্য। সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীর সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হয়। বাঙালি সাংস্কৃতিক জাতি। আর সংস্কৃতি আমাদের প্রাণ। তাই জ্ঞান আহরণে সংস্কৃতি অত্যন্ত জরুরি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি শেরপুর জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

মেলান্দহে জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজের বসন্ত বরণ

আপডেট সময় ০৭:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
মেলান্দহের জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে বসন্ত বরণ অনুষ্ঠান।ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: শীতের আমেজকে বিদায় জানিয়ে বাংলার প্রকৃতিতে দেখা দিয়েছে ঋতুরাজ বসন্ত। আর সেই বসন্তকে স্বাগত জানাতে ১লা ফাল্গুনের প্রথম দিনেই জামালপুরের মেলান্দহের জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঋতুরাজ বসন্ত বরণ করে নিয়েছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ। ১৪ ফেব্রুয়ারি কলেজে প্রাঙ্গণে এ বসন্ত বরণ অনুষ্ঠিত হয়।

রঙ্গিন সাজে বর্ণিল এ উৎসবে মেতেছে শিক্ষার্থীরা। বসন্তের আগমনে তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে প্রফুল্লতা। সকাল থেকে শুরু হওয়া বসন্ত বরণে নৃত্য, গান, কবিতা আবৃত্তি ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠানটি।

স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী বর্নালী জানান, বসন্ত বরণে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। আমরা যে বাঙালি জাতি এমন আয়োজন তা বেশ ভালোভাবেই মনে করিয়ে দেয়।

একাদশ শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী বিনতা জানায়, ফাগুনের প্রথম দিনের উৎসব আমাকে বেশ মুগ্ধ করেছে। স্যারদের অনুরোধ করবো এমন আয়োজন যাতে প্রতি বছর হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সাথে যোগদেন জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজের সভাপতি হাজী দিদার পাশা, মেলান্দহ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব শফিক জাহেদী রবিন।

কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কায়সার আলম জানান, শিক্ষার্থীদের মূল কর্মকাণ্ড জ্ঞান অর্জন ও অন্বেষণ হলেও সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম সুযোগ হয়ে ওঠে এ ধরনের উৎসবের মাধ্যম।

অধ্যক্ষ খাইরুল ইসলাম বলেন, সমস্ত উৎসব মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে ঘনিষ্ঠ করার জন্য, আরও কাছে আনার জন্য। সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীর সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হয়। বাঙালি সাংস্কৃতিক জাতি। আর সংস্কৃতি আমাদের প্রাণ। তাই জ্ঞান আহরণে সংস্কৃতি অত্যন্ত জরুরি।