ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে সিডসের শিখন বিনময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল কড়ি কাইট্টা উদ্ধারকারী সেই স্কুলছাত্রী রিশাকে পুরস্কৃত করলেন শেরপুর জেলা প্রশাসক কানাডার সঙ্গে ‘শিগগিরই’ বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হবে : ট্রাম্প আল আকাবা সমিতিতে আমানতকৃত অর্থ উদ্ধারে গ্রাহকদের ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন যমুনা সার কারখানার ইউরিয়া সার উৎপাদন ২৫ অক্টোবর থেকে বন্ধ হয়ে গেছে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হাম এলার্মিং! জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল সেবা কার্যক্রম নিয়ে একটি পর্যালোচনা বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন ৪ বইয়ের অনুমোদন

মেলান্দহে জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজের বসন্ত বরণ

মেলান্দহের জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে বসন্ত বরণ অনুষ্ঠান।ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

মেলান্দহের জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে বসন্ত বরণ অনুষ্ঠান।ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: শীতের আমেজকে বিদায় জানিয়ে বাংলার প্রকৃতিতে দেখা দিয়েছে ঋতুরাজ বসন্ত। আর সেই বসন্তকে স্বাগত জানাতে ১লা ফাল্গুনের প্রথম দিনেই জামালপুরের মেলান্দহের জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঋতুরাজ বসন্ত বরণ করে নিয়েছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ। ১৪ ফেব্রুয়ারি কলেজে প্রাঙ্গণে এ বসন্ত বরণ অনুষ্ঠিত হয়।

রঙ্গিন সাজে বর্ণিল এ উৎসবে মেতেছে শিক্ষার্থীরা। বসন্তের আগমনে তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে প্রফুল্লতা। সকাল থেকে শুরু হওয়া বসন্ত বরণে নৃত্য, গান, কবিতা আবৃত্তি ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠানটি।

স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী বর্নালী জানান, বসন্ত বরণে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। আমরা যে বাঙালি জাতি এমন আয়োজন তা বেশ ভালোভাবেই মনে করিয়ে দেয়।

একাদশ শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী বিনতা জানায়, ফাগুনের প্রথম দিনের উৎসব আমাকে বেশ মুগ্ধ করেছে। স্যারদের অনুরোধ করবো এমন আয়োজন যাতে প্রতি বছর হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সাথে যোগদেন জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজের সভাপতি হাজী দিদার পাশা, মেলান্দহ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব শফিক জাহেদী রবিন।

কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কায়সার আলম জানান, শিক্ষার্থীদের মূল কর্মকাণ্ড জ্ঞান অর্জন ও অন্বেষণ হলেও সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম সুযোগ হয়ে ওঠে এ ধরনের উৎসবের মাধ্যম।

অধ্যক্ষ খাইরুল ইসলাম বলেন, সমস্ত উৎসব মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে ঘনিষ্ঠ করার জন্য, আরও কাছে আনার জন্য। সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীর সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হয়। বাঙালি সাংস্কৃতিক জাতি। আর সংস্কৃতি আমাদের প্রাণ। তাই জ্ঞান আহরণে সংস্কৃতি অত্যন্ত জরুরি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে সিডসের শিখন বিনময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

মেলান্দহে জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজের বসন্ত বরণ

আপডেট সময় ০৭:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
মেলান্দহের জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে বসন্ত বরণ অনুষ্ঠান।ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম: শীতের আমেজকে বিদায় জানিয়ে বাংলার প্রকৃতিতে দেখা দিয়েছে ঋতুরাজ বসন্ত। আর সেই বসন্তকে স্বাগত জানাতে ১লা ফাল্গুনের প্রথম দিনেই জামালপুরের মেলান্দহের জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঋতুরাজ বসন্ত বরণ করে নিয়েছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ। ১৪ ফেব্রুয়ারি কলেজে প্রাঙ্গণে এ বসন্ত বরণ অনুষ্ঠিত হয়।

রঙ্গিন সাজে বর্ণিল এ উৎসবে মেতেছে শিক্ষার্থীরা। বসন্তের আগমনে তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে প্রফুল্লতা। সকাল থেকে শুরু হওয়া বসন্ত বরণে নৃত্য, গান, কবিতা আবৃত্তি ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠানটি।

স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী বর্নালী জানান, বসন্ত বরণে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। আমরা যে বাঙালি জাতি এমন আয়োজন তা বেশ ভালোভাবেই মনে করিয়ে দেয়।

একাদশ শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী বিনতা জানায়, ফাগুনের প্রথম দিনের উৎসব আমাকে বেশ মুগ্ধ করেছে। স্যারদের অনুরোধ করবো এমন আয়োজন যাতে প্রতি বছর হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সাথে যোগদেন জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজের সভাপতি হাজী দিদার পাশা, মেলান্দহ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব শফিক জাহেদী রবিন।

কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কায়সার আলম জানান, শিক্ষার্থীদের মূল কর্মকাণ্ড জ্ঞান অর্জন ও অন্বেষণ হলেও সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম সুযোগ হয়ে ওঠে এ ধরনের উৎসবের মাধ্যম।

অধ্যক্ষ খাইরুল ইসলাম বলেন, সমস্ত উৎসব মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে ঘনিষ্ঠ করার জন্য, আরও কাছে আনার জন্য। সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীর সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হয়। বাঙালি সাংস্কৃতিক জাতি। আর সংস্কৃতি আমাদের প্রাণ। তাই জ্ঞান আহরণে সংস্কৃতি অত্যন্ত জরুরি।